২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ নগরে বসবাস করে?
ShUUnit-Aসাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশজনসংখ্যা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীজনসংখ্যা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী (Topic Practice)ShU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
২০
Another Explanation (5): ```html
২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী বাংলাদেশের নগরের জনসংখ্যা 🏙️
২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ২০% নগরে বসবাস করে। নিচে এই সম্পর্কিত কিছু তথ্য দেওয়া হলো:
আদমশুমারী ২০১১: কিছু মূল তথ্য 📊
- আদমশুমারীটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।
- এটি দেশের চতুর্থ আদমশুমারী ছিল।
- এই শুমারীতে দেশের জনসংখ্যা, আবাসন, শিক্ষা, এবং অন্যান্য আর্থ-সামাজিক বিষয়াবলী নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
নগরায়নের হার 📈
নগরায়নের হার সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। ২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী ২০% মানুষ শহরে বাস করলেও, বর্তমানে এই হার আরও বেড়েছে। নগরায়নের কারণগুলো হল:
- কর্মসংস্থানের সুযোগের সন্ধান 💼
- উন্নত শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবার সুবিধা 🏥
- গ্রামীণ দারিদ্র্য এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ 🌪️
- যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন 🛣️
শहरी ও ग्रामीण জনসংখ্যার তুলনা 🏘️ ➡️ 🏙️
| শ্রেণী | জনসংখ্যার শতকরা হার (%) |
|---|---|
| শहरी | ২০% |
| ग्रामीण | ৮০% |
নগরায়নের প্রভাব 🌍
নগরায়নের ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরনের প্রভাব রয়েছে।
- ইতিবাচক প্রভাব: অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উন্নত জীবনযাত্রার মান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার প্রসার। ✅
- নেতিবাচক প্রভাব: বস্তি বৃদ্ধি, পরিবেশ দূষণ, যানজট, অপরাধ বৃদ্ধি। ❌
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ 🤔
- নগরায়নের সঠিক পরিকল্পনা এবং ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।
- শहरी ও গ্রামীণ অঞ্চলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত।
- টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিবেশ সুরক্ষার ওপর জোর দেওয়া উচিত। 🌱
আরও জানতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)-এর ওয়েবসাইট দেখুন। 🌐
আশা করি এই তথ্য আপনার কাজে লাগবে। 🙏
```