রহিম বেগুনগাছের শীর্ষমুকুল এনে কৃত্রিম আবাদ মাধ্যমে আবাদ করলেন। কিছুদিন পর সেখানে অসংখ্য চারা সৃষ্টি হলো। কৃত্রিম প্রজনন অপেক্ষা উদ্দীপক পদ্ধতি ভালো,কারন এটি-
সঠিক উত্তরঃ
C.
রোগমুক্ত চারা উৎপ্নন করে
Explanation:

Another Explanation (5):
রহিম বেগুনগাছের শীর্ষমুকুল এনে কৃত্রিম প্রজননের সুবিধা
কৃত্রিম প্রজনন বা প্রজনন পদ্ধতিতে বিভিন্ন সুবিধা থাকে। নিচে এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা আলোচনা করা হলোঃ
- 🌱 রোগমুক্ত চারা উৎপাদন: প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চারা তৈরি হওয়ায় রোগের সংক্রমণ কমে যায়।
- 🌟 উচ্চ ফলনশীলতা: উন্নত মানের চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ফলন বৃদ্ধি পায়।
- 🧬 উন্নত জাতের সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ: নির্দিষ্ট গুণাগুণসম্পন্ন জাতের চারা দ্রুত ও সহজে উৎপাদন সম্ভব।
- 💧 নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ: জল, আলো, পুষ্টি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে সর্বোত্তম বৃদ্ধির পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়।
- 🛡️ রোগমুক্ত চারা উৎপ্নন: কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে রোগের বাহক বা সংক্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেওয়া যায়। এটি ফলের গুণগতমান উন্নত করে।
উপসংহার:
অতএব, কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি ব্যবহারে রোগমুক্ত চারা উৎপন্ন করা সম্ভব, যা ফলন ও গুণগত মানের উন্নতিতে সহায়ক। এটি কৃষকের জন্য একদিকে লাভজনক, অন্যদিকে ফলন ও মানের দিক থেকে অগ্রগামী।
| সুবিধা | বর্ণনা |
|---|---|
| রোগমুক্ত চারা | নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে রোগের সংক্রমণ কম হয়। |
| উচ্চ ফলন | উন্নত মানের চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায় ও ফলন বৃদ্ধি পায়। |
| জাতের সংরক্ষণ | উন্নত জাতের দ্রুত ও সহজ প্রজনন সম্ভব। |
| নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ | পুষ্টি, জল, আলো নিয়ন্ত্রণে থাকে। |
Option A Explanation:
- কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ প্রজাতি সৃষ্টি করা সম্ভব হয়।
- প্রাকৃতিক প্রজননের থেকে এটি দ্রুত ও লক্ষ্যভেদে নতুন প্রজাতি তৈরি করতে সাহায্য করে।
- এটি বিশেষ করে বিভিন্ন গুণাবলী সংমিশ্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন রোগপ্রতিরোধক বা অধিক ফলনশীল প্রজাতি।
- নতুন প্রজাতি সৃষ্টি হলে কৃষি ও উদ্যানপালনে বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায় এবং নির্দিষ্ট চাহিদা পূরণে সুবিধা হয়।
Option B Explanation:
- কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে বিভিন্ন প্রজনন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়, যেমন নিওক্লিয়ার ট্রান্সফার, ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন ইত্যাদি।
- এই পদ্ধতিতে নতুন ধরণের উদ্ভিদ বা প্রকরণ তৈরি করা সম্ভব হয়, যা প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় সম্ভব নয়।
- নতুন প্রকরণ তৈরির মাধ্যমে উদ্ভিদের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায় এবং কৃষি উৎপাদন আরও উন্নত হয়।
- এটি সাধারণত জেনেটিক পরিবর্তন বা উন্নত প্রজনন প্রযুক্তি দ্বারা সম্পন্ন হয়, যাতে উদ্ভিদের গুণগত মান বা বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়।
Option C Explanation:
- রোগমুক্ত চারা উৎপন্ন করে: কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে নির্দিষ্ট রোগের সংক্রমণ থেকে মুক্ত ও সুস্থ চারা তৈরি করা সম্ভব।
- প্রজননে নিয়ন্ত্রণ: প্রজননের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রোগের বাহক বা সংক্রমণের সম্ভাবনাকে কমানো যায়।
- উৎপাদনের মান বৃদ্ধি: রোগমুক্ত ও সুস্থ চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ফলনের মান উন্নত হয়।
- প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রভাব কমানো: প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে রোগের আক্রমণ কম হয়, ফলে চারা রোগমুক্ত থাকে।
Option D Explanation:
- জেনের পরিবর্তন ঘটায় মানে হলো, কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে জীবের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয়।
- এটি সাধারণত জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা জেনেটিক পরিবর্তনের মাধ্যমে হয়, যেখানে নির্দিষ্ট গুণ বা বৈশিষ্ট্য উন্নত করার জন্য জেনেটিক উপাদানে পরিবর্তন আনা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, রোগ প্রতিরোধী বা উচ্চ ফলনশীল বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা যেতে পারে।
- এটি প্রাকৃতিক জেনেটিক পরিবর্তনের তুলনায় দ্রুত এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হয়।
- অর্থাৎ, জিনের পরিবর্তন ঘটানোর মাধ্যমে জীবের বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী পরিবর্তিত হয়।