’চতুরঙ্গ’ কী ধরনের রচনা?
A. নাটক
B. কাহিন কবিতা
C. পত্রোপন্যাস
D. উপন্যাস
সঠিক উত্তরঃ
D.
উপন্যাস
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'প্রমাণ হইয়া গেছে, আমি কেহই নই।'- ব্যাখ্যা করো।
- ডাক্তার অপূর্ব রংপুর বাসস্টপেজে দাঁড়িয়ে দেখতে পেলেন একটি স্কুল বাসে একজন শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের ছড়া গান শেখাতে শেখাতে নিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষিকাকে তার চেনা চেনা মনে হলো। তার সঙ্গেই কি অপূর্বের বিয়ে হবার কথা ছিল? অপূর্বের কৌতূহল আর কোলাহলের মধ্যেই বাসটি চলে গেল। শিক্ষিকাকে দেখে মনে হলো স্বাধীনচেতা ও ব্যক্তিত্বময়ী। ডাক্তার অপূর্বের মনে পড়ল সেই বিখ্যাত গানের কলি: আমার বলার কিছু ছি??? না...........।ডাক্তার অপূর্ব এবং 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম যেদিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- কোন শব্দগুচ্ছের বানান অশুদ্ধ?
- 'খাতক' এর বিপরীর্তাথ শব্দ কোনটি
- ‘চন্দরা’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
- গৌরী ও সঞ্জয় অনেক দিন ধরে একই অফিসে চাকরি করছে কিন্তু সহকর্মীরা জানে না দুজনার অন্তরে গভীর ক্ষত। গৌরীকে নিজে পছন্দ করে বিয়ে করতে চেয়েছিল সঞ্জয়। বছর পাঁচেক আগে লোক খাওয়ানো নিয়ে বিয়ে ভেঙেছে তাদের। পিতৃহীন সঞ্জয় কাকার আশ্রয়ে মানুষ তাই তার দোষ জেনেও প্রতিবাদ করতে পারেনি। একদিন গৌরীর কাছে নিজের অসহায় অবস্থার কথা তুলে ধরে সঞ্জয়। বলে, তার জন্য সে সারা জীবন অপেক্ষা করবে। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে গৌরী বলে, 'কী দরকার, এই তো বেশ আছি।'"এই তো বেশ আছি!'-গৌরীর এই উক্তিতে 'অপরিচিতা' গল্পের পরিণতি প্রতিফলিত হয়েছে"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- দিয়ে কল্যাণীয় গহনা পরীক্ষার কারণ- গহনার পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া শম্ভুনাথ সেনের প্রতি অবিশ্বাস গহনা আসল কিনা যাচাই করা নিচের কোনটি সঠিক?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিস্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয়ে মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।"মাতৃস্নেহের আধিক্যে পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।" উদ্দীপকের এই মন্তব্যের সাদৃশ্যমূলক প্রভাব রয়েছে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রে- বুঝিয়ে লেখো।
- ‘তেলা মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্য জাতির রোগ’ কোন রচনার অন্তর্ভুক্ত?
- 'আমার ভাগ্যে প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চাশরের কোন বিরোধ নেই'- উক্তিটি কার?
- অনুপমের বাবার প্রথম অবকাশ ছিল কোনটি?
- স্বাতী সুশিক্ষিত ও আত্মনির্ভরশীল নারী। বিয়ের পর শ্বশুরও শাশুড়ির চাপে চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়। শ্বশুর-শাশুড়িরধারণা চাকরিজীবী বউ অহংকারী হয়। তারা সংসারের প্রতিদায়িত্বশীল নয় । উদ্দীপকের শ্বশুর-শাশুড়ির মানসিকতার সাথে'অপরিচিতা' গল্পের কোন উক্তিটির মিল রয়েছে?
- হরিশ কীভাবে অনুপমের মন উতলা করে দিলো?
- 'ফলুর বালির মতো তিনি আমাদের সমস্ত সংসারটা নিজের অন্তরের মধ্যে শুষিয়া লইয়াছেন।' উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'অপরিচিতা' গল্পের খাদযুক্ত গহনাটির নাম কী?
- ‘অপরিচিতা' প্রকাশিত হয়েছিল যে পত্রিকায়-
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত তম (দেড়শত তম) জন্মবার্ষিকীর বছর কোনটি?
- 'আমার কন্যার গহনা আমি চুরি করিব এ কথা যারা মনে করে, তাদের হাতে আমি কন্যা দিতে পারি না।' উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে শম্ভুনাথ বাবুর-
- 'ঠাট্টার সম্পর্কটাকে স্থায়ী করিবার ইচ্ছা আমার নাই।' উক্তিটি-
- প্রজাপতি কে?