কোনটি শালবন এর বৃক্ষ?
DU.7ClgScienceজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনবাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় জীব - পরিচিতি ও সংক্ষিপ্ত বিবরণ (Topic Practice)DU.7Clg - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
Shorea robusta
Explanation:

Another Explanation (5):
শালবন: প্রধান বৃক্ষ Shorea robusta🌳
শালবন মূলত শাল গাছ সমৃদ্ধ বন। শাল গাছ [Shorea robusta] এই বনের প্রধান এবং প্রায় একচেটিয়া প্রজাতি। নিচে শাল গাছ এবং শালবন সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো:
শাল গাছের বৈশিষ্ট্যসমূহ 📝
- বৈজ্ঞানিক নাম: Shorea robusta 🌱
- পরিবার: Dipterocarpaceae 👨👩👧👦
- আকার: মাঝারি থেকে বৃহৎ আকারের বৃক্ষ (৩০-৩৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে) 📏
- পাতা: ডিম্বাকৃতির, শীতকালে ঝরে যায় 🍂
- কাঠ: খুব শক্ত এবং টেকসই 💪
- ব্যবহার: নির্মাণ কাজে, আসবাবপত্র তৈরিতে, রেলওয়ের স্লিপার হিসেবে ব্যবহার করা হয় 🪑🔨
- বিস্তার: বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল এবং মায়ানমারের শালবনে প্রধান্য দেখা যায় 🌍
শালবনের পরিবেশ 🏞️
শালবন সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুতে ভালো জন্মে। এই বনভূমি বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের আবাসস্থল।
শালবনের উপকারিতা 👍
- মাটি ক্ষয় রোধ করে ⛰️
- জ্বালানি কাঠ সরবরাহ করে 🔥
- বন্যপ্রাণীদের আশ্রয়স্থল 🐻🦊
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে ♻️
বিভিন্ন অঞ্চলে শালবন 🗺️
| অঞ্চল | শালবনের অবস্থা |
|---|---|
| ভাওয়াল ও মধুপুর, বাংলাদেশ 🇧🇩 | প্রধান শালবন অঞ্চল 🌳🌳 |
| ভারতের ছোটনাগপুর মালভূমি 🇮🇳 | শাল গাছের প্রাচুর্য বিদ্যমান 🌲 |
| নেপালের তরাই অঞ্চল 🇳🇵 | গুরুত্বপূর্ণ শালবন এলাকা 🌳 |
সংরক্ষণ প্রয়োজন ⚠️
অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ, বনভূমি ধ্বংস এবং অবৈধভাবে গাছ কাটার কারণে শালবন আজ হুমকির মুখে। এই বনভূমি সংরক্ষণে আমাদের আরও বেশি সচেতন হওয়া উচিত। 🤝
আসুন, আমরা সবাই মিলে শালবন রক্ষায় এগিয়ে আসি। 💖🌳🌍
Option A Explanation:
- Nypa fruticans হলো একটি পানিপ্রাপ্ত বৃক্ষ, যা সাধারণত উপকূলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- এটি একটি ঔষধি ও অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন বৃক্ষ, যা তার কাণ্ড, পাতা ও শেকের জন্য পরিচিত।
- এই বৃক্ষের পাতা থেকে নেপিয়ার তৈরি হয়, যা ভ্রমণ ও নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত পানির উপর বা পানির কাছাকাছি স্থানে জন্মে এবং এর শাখা-প্রশাখার মধ্যে জল জমে।
- বৈজ্ঞানিক নাম: Nypa fruticans।
Option B Explanation:
- নাম: Heritiera fomes
- পরিবার: Malvaceae
- বর্গ: Heritiera
- প্রকার: বৃহৎ বৃক্ষ
- অবস্থান: মূলত পূর্ব ও উত্তর ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ায় দেখা যায়।
- ব্যবহার: এর কাঠের ব্যবহার দেউল ও নির্মাণ কাজে হয়। এছাড়া, এর প্রাকৃতিক উপাদান ঔষধি গুণও রয়েছে।
Option C Explanation:
Dipterocarpus turbinatus
- প্রজাতি: Dipterocarpus turbinatus
- পরিবার: Dipterocarpaceae
- প্রকার: মরুজ উদ্ভিদ (Deciduous tree)
- অবস্থান: মূলত দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উষ্ণ ও আর্দ্র অঞ্চলে পাওয়া যায়
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: বৃহৎ আকারের ঝোপঝাড়, মোটা ডালপালা ও পত্রপত্রিকা, কাঠের জন্য পরিচিত
- ব্যবহার: কাঠের জন্য চাষ হয়, যা নির্মাণ, আসবাবপত্র ও অন্যান্য কাঠের সামগ্রীতে ব্যবহৃত হয়
Option D Explanation:
- শরীরের বৈশিষ্ট্য: Shorea robusta, যা সাধারণত সুরিয়া বা সুরিয়া গাছ নামে পরিচিত, এর মূলের গোড়ায় শিং আকৃতির মূল (karyotic roots) দেখা যায়।
- অবস্থান ও পরিবেশ: এই গাছ সাধারণত সুস্থ এবং উর্বর মাটিতে পাওয়া যায়, যেখানে এর মূলের গঠন ও বৃদ্ধি স্বাভাবিকভাবে হয়।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: শোরিয়া গাছের মূলের গোড়ায় শিং আকৃতির মূলের উপস্থিতি এর পরিচিত বৈশিষ্ট্য, যা মূলের স্থিতিশীলতা বাড়াতে সহায়ক হয় এবং পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- উপকারিতা: এই গাছের কাঠ খুবই মূল্যবান, এবং এর শিং আকৃতির মূল পরিবেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।