‘রেইনকোট' গল্পে নুরুল হুদার কাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে ইচ্ছা করল?
A.
পিওনকে
B.
স্ত্রীকে
C.
মিলিটারিকে
D.
প্রিনসিপালকে
সঠিক উত্তরঃ
A.
পিওনকে
Explanation:
বাদলার দিনে সকালবেলা দরজায় প্রবল কড়া নাড়ার শব্দ হলে নুরুল হুদা মিলিটারি ভেবে ভয় পেয়ে যায়। কিন্তু দরজা খুলে দেখে, তার কলেজের প্রিনসিপ্যালের পিওন। মিলিটারি না হওয়ায় পিওনকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে ইচ্ছা করে নুরুল হুদার।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘রেইনকোট’ গল্পে ‘রাশিয়ার ছিল জেনারেল উইন্টার, আমাদের জেনারেল মনসুন, প্রশঙ্গটি কোথায় উত্থাপিত হয়েছিল?
- 'সিচুয়েশন নর্ম্যাল '- ব্যাখ্যা করো?
- নূরুল হুদার নিকট কোন বিষয়টিকে স্রেফ উৎপাত বলে মনে হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- ১৯ শে অক্টোবর ১৯৭১ সালে ঢাকার মতিঝিল এলাকায় একটি ব্যাংকের সম্মুখে পাকিস্তানি জঙ্গী সরকারের তাঁবেদারদের একটি মোটরগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। আমাদের দুঃসাহসিক বীর তরুণরা প্রকাশ্যে টহলরত হানাদার সৈন্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে উক্ত গাড়ির আসনের নিচে একটা 'টাইম বোমা' বসিয়ে দেয়। এরপর তাঁবেদাররা ব্যাংক লুট করে মোটরে আসনে গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র এলাকা প্রকম্পিত করে বোমাটি বিস্ফোরিত হলে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য গাড়িও একসঙ্গে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ফলে ঘটনাস্থলে ৫ জন তাঁবেদার খতম এবং কয়েকজন মারাত্মক আহত হয়। গেরিলা যোদ্ধাদের এরকম কর্মকাণ্ড অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তোলে এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রেরণা জোগায়।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- রুমী চাপা আনন্দ আর উত্তেজনায় ফিসফিস করে বলল, "আম্মা আমরা একটা অ্যাকশন করে এলাম, এই মাত্র সাত আটটা খান সেনা মেরে এসেছি।" আম্মার মুখ হাঁ হয়ে গেল, বলিস কী রে? আনন্দ ডগমগ গলায় কাজী বলল, হা চাচি ১৮ নম্বর রোডে......... মিলিটারির জিপ পিছু নিয়েছিল, তাই দেখে রুমী গাড়ির পেছনের কাছ থেকে গুলি চালায়...... জিপ উল্টে সবগুলো মরেছে।উদ্দীপকের 'রুমী' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? ব্যাখ্যা কর।
- 'রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার আমাদের জেনারেল মনসুন'- ব্যাখ্যা করো।
- রেইনকোট' গল্পের মূল প্রতিপাদ্য কী?
- 'দূরে কিংবা কখনো খুবই কাছেযাচ্ছে শোনা ফুটফাট গুলির আওয়াজ, ত্রাসেবুক কাঁপে, পারি না শুধোতে কে কোথায় গেল মরে,দম বন্ধ করে চুপ করে পড়ে থাকি ঘরের কবরে।'উদ্দীপকের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের যে প্রসঙ্গটিমিলে যায়—মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীননির্যাতিত বাঙালিমুক্তিযুদ্ধের মানুষের আত্মত্যাগনিচের কোনটি সঠিক?
- 'রেইনকোট' গল্পটি কার লেখা?
- কলিমদ্দি দফাদার ষাটোর্ধ্ব। তিনি সরকারি চাকরি করেন; পাকিস্তানি সেনাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া তাঁর ডিউটি। তাই মানুষ তাঁকে রাজাকার ভাবে। মুক্তিসংগ্রামে যেতে না পারায় তাঁর মনে দুঃখ। কিন্তু সুযোগ পেয়ে একবার একদল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ভুল। পথ দেখিয়ে বিপদে ফেলেছিলেন। এটাও তাঁর মুক্তিসংগ্রামে অংশগ্রহণ, কলিমদ্দি স্বস্তি পায় দেশের পক্ষে কাজ করতে পেরে।"ঘটনার বৈপরীত্য থাকলেও উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের চরিত্রগুলোর মধ্যে প্রবল দেশপ্রেম উজ্জীবিত ছিল?"- সপক্ষে যুক্তি দাও।
- রেডিও টিভিতে বিখ্যাত ও পদস্থ ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে প্রোগ্রাম করিয়েও কর্তাদের তেমন সুবিধা হচ্ছে না বোধ হয়। তাই বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীদের ধরে ধরে তাঁদের দিয়ে খবরের কাগজে বিবৃতি দেওয়ানোর কূটকৌশল শুরু হয়েছে। আজকের কাগজে ৫৫ জন বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীর নাম দিয়ে এক বিবৃতি বেরিয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ সানন্দে এবং সাগ্রহে সই দিলেও বেশির ভাগ বুদ্ধিজীবী ও শিল্পী যে বেয়োনেটের মুখে সই দিতে বাধ্য হয়েছেন, তাতে আমার কোনো সন্দেহ নেই।[তথ্যসূত্র: 'একাত্তরের দিনগুলি'- জাহানারা ইমাম]উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কোন দিক থেকে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা, করো।
- হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে ক্যাম্পাসে বাজারেবিষাক্ত গ্যাসের মতো বীভৎস গন্ধ দিয়েছে ছড়িয়েআমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না কামনা।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূণ ব্যাখ্যা করো।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চিন্তে দেশেই অবস্থান করেছিলেন। তাঁদের ধারণা ছিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনী অকারণে মানুষ হত্যা করবে না। অন্তত যুদ্ধের নিয়ম, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী এমনই হওয়ার কথা। কিন্তু পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর সাহায্যে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। যাদের কেউ আর ফিরে আসেননি; লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবুও বাংলার স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করতে পারেনি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।'পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতা বাঙালির স্বাধীনতাকে দমাতে পারেনি'- উদ্দীপক ও পঠিত গল্পের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১। কালীগঞ্জ গ্রামের একজন যুবক রাতের অন্ধকারে ওই গ্রামের মিলিটারি ক্যাম্পে হামলা করে, বোমা মেরে ব্রিজ উড়িয়ে দেয়। প্রচন্ড গোলাগুলির সময় কয়েকজন মিলিটারির হাতে ধরা পড়ে। সেখান থেকে আহত অবস্থায় পালিয়ে বৃদ্ধ বশির দাদার বাড়িতে আশ্রয় নেয় আহাদ। খবর পেয়ে মিলিটারিরা ছুটে আসে কিন্তু আহাদকে পায় না। বৃদ্ধ বশিরকেই তারা তুলে নিয়ে অনেক অত্যাচার করে। বৃদ্ধ বশির গরম লোহার ছ্যাকা সহ্য করে তবুও আহাদের কোনো তথ্য দেয় না। তার কাছে মনে হয় আহাদকে বাঁচানো মানে দেশকে বাঁচানো।'দেশকে মুক্ত করার লক্ষ্যে বৃদ্ধ বশির ও নুরুল হুদার আত্মত্যাগ একই সূত্রে গাঁথা।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- “অলভ্য জয়ের লোভে, জ্বালায় শহর, গ্রামে গ্রামেপ্রাচীন সংহতি ভেঙে ভগ্নস্তূপে দূরের উল্লুক'উক্ত বিষয়ে যা ফুটে উঠেছে—সভ্যতার ঐতিহ্যভাঙাঅপ্রতিরোধ্য হামলামানুষকে বাস্তুহারা করানিচের কোনটি সঠিক?
- সন্তানকে রক্ষা করতে নিজের বুকে গুলি পর্যন্ত খেলেন লিপি মণ্ডল। এরপরও শেষ রক্ষা হলো না। ছয় বছরের শিশু পুত্র পরাগ মন্ডলকে দিন দুপুরে অপহরণ করে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা। শিশুটির এখনো কোনো খোঁজ নেই। এ ধরনের একটি ঘটনা তখনই ঘটে যখন আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে জনমনে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে।উদ্দীপকের লিপি মণ্ডলের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা কর।
- 'ইন্দ্রজাল' শব্দের সমার্থক শব্দ- জোড় কোনটি?
- 'Bad workman quarrels with his tools' এর অর্থ হল ---
- . রেইনকোটটা খুলে ফেললেও নুরুল হুদার শরীরে কী অনুভূত হয়েছে-
- "টুপির তেজ কি পানিতেও লাগল নাকি?"- বিশ্লেষণ করো।