বাগদা চিংড়ি কোন দশক থেকে রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান করে নেয়?
A. পঞ্চাশ দশক
B. ষাট দশক
C. সত্তর দশক
D. আশির দশক
সঠিক উত্তরঃ
D.
আশির দশক
Explanation: বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকায় চিংড়ি চাষ শুরু হয় ১৯২৯-৩০ সাল থেকে। কিন্তু সত্তর দশকের পর বিশ্ববাজারে এর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আশির দশক থেকে চিংড়ি চাষের সম্প্রসারণ ঘটে এবং এটি রপ্তানিপণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। উল্লেখ্য, মোট উৎপাদনের ৮০ শতাংশই বাগদা চিংড়ি।
Related Questions (Any University/Year)
- নিচের কোনটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাস ক্ষেত্র?
- বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ কোনটি ?
- রংপুর জেলার রাণীপুকুর ও পীরগঞ্জে কোন খনিজ আবিষ্কৃত হয়েছে?
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল কি?
- বাংলাদেশের যে জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে -
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?
- দেশের কোন জেলায় সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত?
- বাংলাদেশে ‘জি-কে’ প্রকল্প একটি-
- বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
- একটি কাঁচা পাটের গাইটের ওজন-
- জিয়া সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
- ‘বর্ণালী’ এবং ‘শুভ্র’ কী?
- বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ-
- বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় কোন সনে?
- কোন জেলা তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী–
- বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয়?
- ‘ম্যানিলা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
- বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা কোথায়?
- ১৮৭৪ সালে ঢাকা শহরে পানি সরবরাহ করার জন্য প্রথম পানি সরবরাহ কার্যক্রম স্থাপিত হয়-
- বাংলাদেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কোথায়?