মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

শরীরে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে তাকে কি বলা হয়?

A. অ্যামিনিয়া
B. জন্ডিস
C. রিকেটস
D. ডায়াবেটিস
Poster Download
NursingDiplomaSet-2জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসঘটিত রোগসমূহ (Topic Practice)Nursing - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. জন্ডিস
Explanation:

Another Explanation (5):

বিলিরুবিন এবং জন্ডিস 🧐

রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে তাকে জন্ডিস (Jaundice) বলা হয়। জন্ডিস কোনো রোগ নয়, এটি রোগের লক্ষণ। আমাদের শরীরে লোহিত রক্তকণিকাগুলো যখন ভেঙে যায়, তখন বিলিরুবিন তৈরি হয়। লিভার এই বিলিরুবিনকে শরীর থেকে বের করে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করে। কোনো কারণে লিভারের কার্যকারিতা কমে গেলে অথবা লোহিত রক্তকণিকা বেশি পরিমাণে ভাঙতে শুরু করলে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায়, যার ফলে জন্ডিস দেখা দেয়। 😥

জন্ডিসের কারণসমূহ 🤔

  • ভাইরাল সংক্রমণ (হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই) 🦠
  • অ্যালকোহল জনিত লিভারের রোগ 🍻
  • পিত্তথলির পাথর 🪨
  • অটোইমিউন রোগ
  • কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 💊
  • জন্মগত ত্রুটি (যেমন গিলবার্ট সিনড্রোম)
  • রক্তের রোগ (যেমন হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া)

জন্ডিসের লক্ষণ 🤒

  1. ত্বক ও চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া 💛
  2. গাঢ় রঙের প্রস্রাব 🟨
  3. হালকা রঙের পায়খানা 💩
  4. ক্লান্তি 😫
  5. পেটে ব্যথা 🤕
  6. বমি বমি ভাব 🤢
  7. জ্বর 🥵

বিলিরুবিনের স্বাভাবিক মাত্রা 📊

প্রকার স্বাভাবিক মাত্রা (mg/dL)
মোট বিলিরুবিন 0.3 - 1.0
ডিরেক্ট বিলিরুবিন 0.0 - 0.3
ইনডিরেক্ট বিলিরুবিন 0.2 - 0.8

জন্ডিসের প্রকারভেদ 📚

  • হেপাটোসেলুলার জন্ডিস: লিভারের কোষের ক্ষতির কারণে হয়।
  • অবস্ট্রাক্টিভ জন্ডিস: পিত্তনালীতে বাধা সৃষ্টি হলে হয়।
  • হেমোলাইটিক জন্ডিস: অতিরিক্ত লোহিত রক্তকণিকা ভাঙনের কারণে হয়।

জন্ডিসের চিকিৎসা 🧑‍⚕️

জন্ডিসের চিকিৎসা কারণের উপর নির্ভর করে। সাধারণত, বিশ্রাম, প্রচুর পরিমাণে তরল পান করা এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করা প্রয়োজন। গুরুতর ক্ষেত্রে, হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। 🏥

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই তথ্য শুধুমাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 🙏

আরও জানতে ভিজিট করুন: Example Website 🌐

Option A Explanation:
  1. অ্যামিনিয়া: অ্যামিনিয়া হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরে অ্যামিনো অ্যাসিড বা অ্যামিনো গ্রুপের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়।
  2. এটি সাধারণত লিভার বা কিডনি সমস্যা, বা জৈবিক প্রক্রিয়ার ব্যর্থতার ফলস্বরূপ হয়ে থাকে।
  3. অ্যামিনিয়া সনাক্ত হলে সাধারণত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এর মাত্রা নির্ণয় করা হয়।
  4. উপসর্গগুলির মধ্যে মাথাব্যথা, দুর্বলতা, মনোযোগের অভাব, বা জ্ঞান ক্ষয় হতে পারে।
  5. চিকিৎসায় মূলত কারণ নির্ণয় ও তার উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
Option B Explanation:

জন্ডিসের কারণসমূহ

  • হেপাটাইটিস: লিভার ইনফেকশন যা লিভার আক্রান্ত করে, ফলে বিলির রঙ পরিবর্তিত হয়।
  • লিভার সিরোসিস: লিভার টিস্যুর ক্ষতি ও বিকৃতি, যা বিলির প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে।
  • অবকাঠামোগত সমস্যা: লিভার বা পিত্তনালীতে অস্থায়ী বা স্থায়ী বাধা যেমন পাথর বা টিউমার।
  • অ্যানেমিয়া বা রক্তক্ষরণ: রক্তের দ্রুত ক্ষতি বা অপ্রতুলতা, যা জন্ডিসের কারণে হতে পারে।
  • অন্য কিছু রোগ: যেমন থ্যালাসেমিয়া বা সিস্টিক ফাইব্রোসিস, যা লিভার বা পিত্তনালীর কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।
Option C Explanation:
  • রিকেটস: রিকেটস হলো একটি পুষ্টিগত অবস্থা যেখানে শরীরের হাড় দুর্বল হয়ে যায়। এই রোগের মূল কারণ হলো ভিটামিন D এর অভাব, যা ক্যালসিয়াম এবং ফসফেটের শোষণে সাহায্য করে।
  • প্রভাব: শিশুরা সাধারণত এই রোগে আক্রান্ত হয়, ফলে তাদের হাড় মোটা ও নরম হয়ে যায়। এটি বিকাশের সময় হাড়ের গঠন ও শক্তি কমে যাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
  • লক্ষণ: হাড়ের দুর্বলতা, বিকৃতি, হাড়ে ব্যথা, দাঁতের ক্ষতি, এবং শরীরের বৃদ্ধিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • প্রতিরোধ: পর্যাপ্ত ভিটামিন D, ক্যালসিয়াম, এবং ফসফেট সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ ও সূর্যের আলো প্রয়োগের মাধ্যমে এই রোগের ঝুঁকি কমানো যায়।
Option D Explanation:
  • ডায়াবেটিস হলো একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ যেখানে শরীরের রক্তে শর্করার (গ্লুকোজ) পরিমাণ সাধারণের থেকে বেশি হয়ে যায়।
  • এটি সাধারণত ইন্সুলিন নামক হরমোনের অভাব বা এর কার্যকারিতার সমস্যার কারণে ঘটে।
  • ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে বেশি পিপাসা, বারবার প্রস্রাব হওয়া, ক্লান্তি, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, এবং ক্ষত দ্রুত শুকানো বা আরোগ্য না হওয়া।
  • প্রকারভেদ:
    • টাইপ 1 ডায়াবেটিস: যেখানে শরীর ইন্সুলিন উৎপাদন কম করে বা বন্ধ করে দেয়।
    • টাইপ 2 ডায়াবেটিস: যেখানে শরীরের শরীরের কোষ ইন্সুলিনের প্রতি সংবেদনশীলতা হারায় বা ইন্সুলিনের উৎপাদন কমে যায়।
  • উপচার ও নিয়ন্ত্রণ:
    • নিয়মিত ডায়েট ও ব্যায়াম
    • ঔষধ ও ইনসুলিন থেরাপি
    • রক্তের গ্লুকোজ পর্যবেক্ষণ