R- প্লাজমিডে থাকে-
JUUnit-DSet-2জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবপ্রযুক্তিজীব প্রযুক্তি (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন
Explanation: R- প্লাজমিডে থাকে- Option A :ক্যালিসিন ভুল, কারণ এটি কোনো প্রোটিন নয়। Option B :ভিব্রিওসিন ভুল, কারণ এটি একটি প্রোটিন নয়। Option C :এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন সঠিক উত্তর, কারণ R-প্লাজমিড জীবাণুকে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী করে তোলে। Option D :F- জীন ভুল, কারণ এটি R-প্লাজমিডের অংশ নয়। নোট: R-প্লাজমিড ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য বিস্তার করে।
Another Explanation (5):
R- প্লাজমিডে থাকে কি?
R- প্লাজমিড হলো একটি বিশেষ ধরনের প্লাজমিড যা ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে বিদ্যমান হয়। এটি মূলতঃ এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন বহন করে। এই জীনগুলো ব্যাকটেরিয়াকে বিভিন্ন ধরণের এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী করে তোলে।
বিশদ ব্যাখ্যা:
- R- প্লাজমিড একটি ছোট, সিঁড়ি আকারের জীনাবাহী উপাদান যা মূলতঃ ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে থাকে।
- এটি মূল প্লাজমিডের মতোই বিভিন্ন জীন বহন করতে পারে, যার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন ধরণের এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- R- প্লাজমিডের উপস্থিতিতে ব্যাকটেরিয়া একাধারে অনেক ধরনের এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধেও টিকে থাকতে পারে, ফলে এন্টিবায়োটিক চিকিৎসা কঠিন হয়ে পড়ে।
চিত্রঃ R- প্লাজমিডের কার্যপ্রণালী
| প্রকার | বর্ণনা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| R- প্লাজমিড | এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন বহন করে | blaOXA, NDM-1 |
উপসংহার:
অতএব, R- প্লাজমিড মূলতঃ এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন বহন করে, যা ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধের মূল কারণ। এই জীনগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন সংক্রমণ চিকিৎসা আরও কঠিন হয়ে যায়।
🔬💊🦠
Option A Explanation:
- ক্যালিসিন হলো একটি প্রোটিন যা সাধারণত জীবাণুর মধ্যে উপস্থিত থাকে এবং এটি বিভিন্ন ধরণের সিগন্যাল ট্রান্সডাকশন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এটি সাধারণত সেলুলার প্রসেস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, যেমন: সেল ডিভিশন, ডিপিপি, এবং অন্যান্য সেলুলার কার্যকলাপ।
- ক্যালিসিনের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে ক্যালসিয়াম আয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেখানে এটি সিগন্যাল ট্রান্সমিশনে গুরুত্বপূর্ণ একটিভেটর হিসেবে কাজ করে।
- প্রোটিন ক্যালিসিনের মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে বিভিন্ন এঞ্জাইম এবং অন্যান্য প্রোটিনের গঠন পরিবর্তন করে তাদের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
Option B Explanation:
- ভিব্রিওসিন (Vibriocin): এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল পদার্থ যা ভিব্রিও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস বা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
- বিশেষ করে, এটি ভিব্রিও ব্যাকটেরিয়াকে লক্ষ্য করে কাজ করে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
- প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম হতে পারে এবং বিভিন্ন ধরনের ভিব্রিও সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের মতো কাজ করে, ব্যাকটেরিয়াকে হত্যা বা তাদের বৃদ্ধিকে বাধা দেয়।
Option C Explanation:
এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন
- অর্থ: এগুলি হল জীন যা ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে থাকে এবং তাদেরকে এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী করে তোলে।
- ক্রিয়াকলাপ: এই জীনসমূহ ব্যাকটেরিয়ার জন্য এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় বা বন্ধ করে দেয়, ফলে ব্যাকটেরিয়া অকার্যকর হয়ে ওঠে।
- উদাহ???ণ: ব্ল্যাকিসিলিন, এসপি-এমইউ-প্রিন, এনআরআই, এমআরএসA ইত্যাদি জীনসমূহ এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন হিসেবে পরিচিত।
- প্রভাব: এই জীনসমূহের উপস্থিতি রোগের চিকিৎসাকে জটিল করে তোলে, কারণ এগুলি এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় বা সম্পূর্ণ অকার্যকর করে দেয়।
- প্রতিরোধ: এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্কতা, নিয়মিত সংক্রমণ পরীক্ষা, এবং নতুন এন্টিবায়োটিক বিকাশের মাধ্যমে এই প্রতিরোধের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয়।
Option D Explanation:
- F- জীন: এটি একটি জীন যা রেজিস্ট্রিতে থাকে এবং ফ্ল্যাগেলিনের জন্য দায়ী।
- ফ্ল্যাগেলিন হল এক ধরনের প্রোটিন যা ব্যাকটেরিয়া চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F- জীন সাধারণত প্লাজমিডে থাকে এবং ট্রান্সফার বা ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে অন্য ব্যাকটেরিয়ায় স্থানান্তরিত হতে পারে।
- এটি জেনেটিক অ্যাডভান্সমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে জেনেটিক ইমিউনিটি বা গুণাবলী দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সহায়ক।