'বিবর্তন' সংস্কৃতিকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দুটো উপদেশ দিলেন-
i. উচ্চাভিলাষ ও বিলাসিতার কারণে হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিয়ে বে রা তোমাদের বিপদে ফেলবে এবং আজীবন তোমাকে অসুখী করবে।
ii . সাধ ও সাধ্যের মধ্যে সমন্বয় করতে না পারলে পরিণামে দুঃখ পেতে হয়
উদ্দীপকের প্রথম উপদেশ 'নেকলেস' গল্পের কোন দিকের ইঙ্গিত নির্দেশ করে? বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- "নেকলেস " গল্পের লেখক গী দা মোঁপাসা কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
- বন্দুক কিনতে মসিয়ে কত ফ্রাঁ সঞ্চয় করেছিল?
- স্বামীর ধনৈশ্বর্যে মুগ্ধ নিরক্ষর ও সুন্দরী সালমা নিয়ত নতুনস্বপ্নের জাল বোনে। স্বামীর কাছে তার বায়নার শেষ নেই।এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী মানসিকভাবে পঙ্গুত্ববরণকরলে শিশুসন্তানসহ সালমা দিশেহারা হয়ে যায়।উদ্দীপকে সালমার সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের মাতিলদারবৈসাদৃশ্যপূর্ণ দিক কোনটি?
- গী দ্য মোপাসাঁ কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বর্ষাযাপন' কবিতায় বাংলা ছোটগল্পের গঠন-প্রকৃতি সম্বন্ধে পাওয়া যায়-"ছোটোপ্রাণ ছোটোব্যথাছোটো ছোটো দুঃখ কথানিতান্তই সহজ সরল,সহস্র বিস্মৃতি রাশিপ্রত্যহ যেতেছে ভাসিতারি দু'চারিটি অশ্রুজল।নাহি বর্ণনার ছটা ঘটনার ঘনঘটানাহি তত্ত্ব নাহি উপদেশঅন্তরে অতৃপ্তি রবেসাঙ্গ করি মনে হবেশেষ হয়ে হইল না শেষ।"ছোটোগল্পের এমন চমৎকার সংজ্ঞা আর কেউ দেননি।উদ্দীপকের 'নাহি তত্ত্ব নাহি উপদেশ' 'নেকলেস' গল্পে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
- পিতার অভাবের সংসারে রেবেকা অতিকষ্টে মানুষ হয়েছে। জীবনে কত ছোটখাটো ইচ্ছাই তাকে নীরবে বিসর্জন দিতে হয়েছে! শিক্ষিত ও সুশ্রী হওয়া সত্ত্বেও বৈবাহিক জীবনে ভালো সংসার জোটেনি। কিন্তু নিজের অবস্থাকে সে ভাগ্য হিসেবে মেনে নিয়েছে এবং গৃহশিক্ষক স্বামীর সামান্য আয়ে সুন্দরভাবে সংসার পরিচালনা করছে। মেনে নেওয়া এই জীবনে তার কোনো বিড়ম্বনা নেই।"মেনে নেওয়া এই জীবনে কোনো বিড়ম্বনা নেই'- রেবেকার এই জীবন সত্যই 'নেকলেস' গল্পের মূলভাব।"- এই মতের পক্ষে তোমার বক্তব্য উপস্থাপন করো।
- গী দ্য মোপাসাঁর পারিবারিক বন্ধু কে ছিলেন?
- রফিকের সংস???রে সচ্ছলতা না থাকলেও শান্তিতেই ছিল তারা। কিন্তু লোভে পড়ে উপরি পাওনার আশায় কোম্পানির মাল পাচারে সহযোগিতার দায়ে দারোয়ানের চাকরিটা চলে যায় তার। সংসারে নেমে আসে চরম দারিদ্র্য। বাধ্য হয়ে রফিকের স্ত্রী কল্পনাকে পরের বাড়িতে ঝি-এর কাজ করতে হয়। রাত অবধি হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে সে ঘরে ফেরে। তার চেহারায় মলিনতার ছাপ দেখতে পেয়ে কষ্ট পায় রফিক। তবে মুখ ফুটে কিছুই বলতে পারে না। কারণ সে জানে তার এ শাস্তি আত্মকৃত। কাউকে সে দোষ দিতে পারে না।উদ্দীপক ও 'নেকলেস' গল্প একই বৃক্ষের দুটি ফল- মূল্যায়ন করো।
- ফরাসি ভাষায় নেকলেস গল্পটির নাম কি?
- মাদাম লোইসেলের স্বামী এক সন্ধ্যায় কী হাতে নিয়ে উল্লাসভরে বাড়ি ফিরলেন?
- শৈবাল দীঘিরে বলে উচ্চ করি শিরলিখে রাখো এক ফোঁটা দিলেম শিশির।'উদ্দীপকের সাথে 'নেকলেস' গল্পের বৈপরীত্য প্রকাশপেয়েছে যে বৈশিষ্ট্য ধারণ করায়—পারস্পরিক সহযোগিতায়সহানুভূতি প্রকাশেঅহংকারের দম্ভেনিচের কোনটি সঠিক?
- লোইসেলের মনে সর্বদা দুঃখের ছায়া থাকে কেন?
- 'ঐ দুঃখজনক দেনা শোধ করা প্রয়োজন।'-মাতিলদার এমন ভাবনা কীসের পরিচায়ক?
- মাদাম লোইসেলকে দেখলে এখন বয়স্কা বলে মনে হয় কেন?
- ‘নেকলেস’ গল্পের অনুবাদক পূর্ণেন্দু দস্তিদার মৃত্যুবরণ করেন-
- “তার বাসকক্ষের দারিদ্র্য, হতশ্রী দেওয়াল, জীর্ণ চেয়ার এবংবিবর্ণ জিনিসপত্রের জন্য সে ব্যথিত হতো।”— 'নেকলেস'গল্পে মাতিলদার এ অনুভূতির কারণ তার—
- মাদাম লোইসেলের শারীরিক অবস্থার পতন ঘটারমূল কারণ—
- কবি আলাওল কোন শতকের কবি?
- মােপাসাঁর সাহিত্যগুরু কে?
- সালাম ও সালমার সংসারে সচ্ছলতা কিংবা বিলাসিতা না থাকলেও শান্তি এবং ভালোবাসার অভাব ছিল না। কিন্তু লোভে পড়ে বাড়তি পাওয়ার আশায় দুর্নীতির দায়ে অফিস সহকারীর চাকরিটা হারায় সালাম। তাদের সংসারে বাসা বাঁধে চরম দারিদ্র্য আর হতাশা। অগত্যা সালামের স্ত্রী সালমা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ নেয়। সকাল-সন্ধ্যায় বর্ণনাতীত পরিশ্রম করে ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফেরে সে। সালমার ক্লান্ত ও মলিন চেহারা দেখে সালাম মনে মনে খুব কষ্ট পায়। অথচ মুখ ফুটে সে কথা বলতে পারে না সে। কারণ সে ভালো করেই জানে যে, এই কষ্টের জন্য সে নিজেই দায়ী।উদ্দীপকের সালমার সাথে 'নেকলেস' গল্পের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।