কোষপ্রাচীর সিলিকাযুক্ত এবং কপাটিকা উপস্থিত যে শৈবালে তার নাম হচ্ছে ?
সঠিক উত্তরঃ
A.
Navicula
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: কোন শৈবালের কোষপ্রাচীর সিলিকাযুক্ত এবং কপাটিকা উপস্থিত তা জানতে চাওয়া হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. Navicula: সঠিক, এটি ডায়াটম যা সিলিকা দ্বারা গঠিত। B. Spirogyra: ভুল, এটি শৈবাল কিন্তু এতে সিলিকা নেই। C. Sargassum: ভুল, এটি বাদামি শৈবাল। D. Polysiphonia: ভুল, এটি লাল শৈবাল। নোট: ডায়াটম একটি এককোষী শৈবাল যা খাদ্য শৃঙ্খলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Another Explanation (5):
শৈবালের নাম নির্ধারণ
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোষপ্রাচীর সিলিকাযুক্ত এবং কপাটিকা উপস্থিত যে শৈবালের নাম কি?
উত্তর: Navicula
বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা:
নিচে Navicula-র কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলো:
- 🧪 সিলিকাযুক্ত কোষপ্রাচীর: Navicula শৈবালের কোষপ্রাচীরটি সিলিকা (Silica) দ্বারা নির্মিত, যা এটিকে শক্তিশালী এবং জৈবসার দ্বারা সুরক্ষিত করে।
- 🌿 কপাটিকা উপস্থিতি: এই শৈবালটি কপাটিকা বা প্লাস্টিকের স্তর দ্বারা ঘেরা থাকে, যা এটিকে জলজ পরিবেশে স্থিরভাবে রাখতে সাহায্য করে।
- 🌊 অক্সিজেন উৎপাদন: Navicula শৈবাল জলজ পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ এটি ফটোসিন্থেসিসের মাধ্যমে অক্সিজেন উৎপাদন করে।
- 🖼️ অস্থি বা দড়ির মত গঠন: এর কোষের গঠন সাধারণত অস্থি বা দড়ির মত হয়, যা জলজ পরিবেশে এর চলাচল সহজ করে তোলে।
টেবিলের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যসমূহ:
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| কোষপ্রাচীর | সিলিকাযুক্ত |
| কপাটিকা | উপস্থিত |
| অবস্থান | জলজ পরিবেশে |
| অর্জিত ভূমিকা | ফটোসিন্থেসিস ও অক্সিজেন উৎপাদন |
উপসংহার:
অতএব, কোষপ্রাচীর সিলিকাযুক্ত এবং কপাটিকা উপস্থিত শৈবালের নাম Navicula। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জলজ অণুজীব যা পরিবেশের জন্য অপরিহার্য। 🌱🌊🦠
Option A Explanation:
- প্রজাতি: Navicula
- প্রকার: ন্যাভিকুলা (Navicula) হল একটি ডায়োটমিক অ্যালগা, যা শৈবাল পরিবারের অন্তর্গত।
- অবস্থান: জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়, বিশেষ করে ঝরনা, নদী, এবং পুকুরের তলার তেলাচে।
- অঙ্গসংস্থান: এর শৈলী একটি খড়ির মতো গঠনযুক্ত, যা মূলত সিলিকা দিয়ে তৈরি।
- প্রাণবৈচিত্র্য: বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে বিভিন্ন রঙ এবং আকারের শৈলী দেখা যায়।
- অণুজীবিক বৈশিষ্ট্য: অণুজীব হিসেবে ক্ষুদ্র, অপ্রচলিত অণুজীবের মধ্যে অন্যতম।
Option B Explanation:
Spirogyra
- স্পিরোইগ্রা একটি জলজ শৈবাল যা সাধারণত Freshwater পুকুর ও খালবিলের পানিতে দেখা যায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন ও লম্বা কোষের সমন্বয়ে গঠিত, যেখানে প্রতিটি কোষের কেন্দ্রস্থলে একটি গোলাকৃতি বা অর্ধগোলাকৃতি পার্শ্বকোষ থাকে।
- স্পিরোইগ্রার কোষগুলো সাধারণত লাইন আকারে যুক্ত থাকে যা তার শৈলী বা শৈবালের গঠন তৈরি করে।
- এটির শৈবাল প্রজননে কনজুগেশন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- কনজুগেশন প্রক্রিয়ায়, কোষের মধ্য দিয়ে একটি জলীয় সংকোচন বা সংযোগ সৃষ্টি হয়, যা দুই কোষের মধ্যে চালু হয়।
- এটি একটি স্বতন্ত্র প্রজনন প্রক্রিয়া যেখানে দুটি কোষের মধ্যে একটি জলীয় সংযোগ স্থাপিত হয়, যার মাধ্যমে নিউক্লিয়াস ও অন্যান্য উপাদান স্থানান্তরিত হয়।
Option C Explanation:
- প্রজাতি: Sargassum
- প্রকার: বহুকোষী শৈবাল
- অবস্থান: সমুদ্রের অগভীর জলাবদ্ধ অঞ্চলে পাওয়া যায়
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি বৃহৎ, গাছের মতো দেহের (thallus) সাথে অনেক কাণ্ড ও শাখা রয়েছে
- ব্যবহার: খাদ্য, ওষুধ ও জৈব জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়
- অন্য তথ্য: এর মধ্যে কিছু প্রজাতি সাগরীয় পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ বাসস্থান সরবরাহ করে
Option D Explanation:
- নাম: Polysiphonia
- শ্রেণী: শৈবাল (Red Algae বা Rhodophyta)
- শৈবালের ধরন: রেড শৈবাল
- জনন পদ্ধতি: কনজুগেশন (Conjugation)
- বর্ণনা: Polysiphonia হল একটি শৈবাল যা সাধারণত পানিতে পাওয়া যায়। এর যৌন জনন প্রক্রিয়ায়, দুটি শৈবাল একে অপরের সাথে সংযোগ স্থাপন করে এবং সেগুলির মধ্য দিয়ে ডিএনএ বা জৈবিক উপাদান স্থানান্তর হয়। এই প্রক্রিয়ায়, দুইটি শৈবাল পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হয়ে যৌন কোষের বিনিময় করে।