ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা কোনটি?
A. প্রভাবতী সম্ভাষণ
B. পথের পাঁচলী
C. স্বপ্নপ্রয়াণ
D. ফুলবালা
সঠিক উত্তরঃ
A.
প্রভাবতী সম্ভাষণ
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' একটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা যা সংস্কৃত ভাষার মাধ্যমে তাঁর দর্শন প্রকাশ করে। অপশন বিশ্লেষণ: A. প্রভাবতী সম্ভাষণ: সঠিক, এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা। B. পথের পাঁচলী: ভুল, এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা। C. স্বপ্নপ্রয়াণ: ভুল, এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা নয়। D. ফুলবালা: ভুল, এটি অন্য লেখকের রচনা। নোট: 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম যা তাঁর চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘লোক-লোকান্তর’ কবিতায় কোন বৃক্ষের কথা উল্লেখ আছে?
- সনেটের স্বটক এর বিভাজনকে কী বলে?
- কোন নাটকটি শেক্সপিয়রের 'মার্চেন্ট অব ভেনিস' এর ভাবানুবাদ?
- রোহিনী'-কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- পরিশীলিত রম্যরচনায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন-
- জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধ অবলম্বনে 'চর্মচক্ষুকে_____না করে_____ও অনুভূতির চক্ষুকে বড় কর'।
- ’অমিয়-সাগরে সিনান করিতে, সকলি গরল ভেল’ -কার রচিত পদ?
- কেহ মরে বিল ছেঁচে , কেহ খায় কই' উক্তিটি কোন গল্পের / কবিতার ?
- নিচের কোনটি আল মাহমুদের উপন্যাস?
- ঐকতান' কবিতায় কবিগুরু কী দ্বারা জ্ঞানের দীনতা পূর্ণ করতে চেয়েছেন?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।কবিদের বাণী কেন ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো বয়ে যায়?
- হৈমন্তীর বাবার নাম কী?
- পূর্ণেন্দু দস্তিদার মৃত্যুবরণ করেন-
- ------- আর ঘরে ঘরে চরকা ও টেকো হইলে চাষার ------- ঘুচিবে।'- শূণ্যস্থানে যথাক্রমে কোনটি বসবে?
- আমি জনক জননীর প্রথম সন্তান' উক্তিটি কোন গল্পের/ কবিতার?
- আফিমের ঘোরে কমলাকান্ত বিড়ালকে কী মনে করেছিল?
- সংসারের জ্বালা যন্ত্রণা এড়াবার প্রধান উপায় হচ্ছে মনের ভিতর আপন ভুবন সৃষ্টি করে নেওয়া এবং বিপদকালে তার ভিতর ডুব দেওয়া । উক্তিটি যে প্রবন্ধ থেকে হয়েছে তার নাম কি?
- 'কত ঊর্ণাজাল বুনে কেটেছে' 'একটি ফটোগ্রাফ' কবিতায় 'ঊর্ণাজাল' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত?
- হাতি আড় হলে ................ লাথি মারে।