ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো–
A. অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা
B. ঔষধ শিল্পে দেশীয় কাঁচামালের ব্যবহার নিশ্চত করা
C. ঔষধ শিল্পে দেশীয় শিল্পপতিদের অগ্রাধিকার দেয়া
D. বিদেশী শিল্পপতিদের দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহারে বাধ্য করা
সঠিক উত্তরঃ
A.
অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা
Explanation: ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় ঔষুধ নীতি প্রণয়ন করা হয়। কারণ এর আগে ঔষুধ উৎপাদন ও ব্যবহারের বিষয়ে কোনো ধরনের নীতিমালা ছিলো না। এর ২০০৫ সালে এই নীতি নবায়ন করা হয় এবং ২০১৬ সালে আবার এই জাতীয় ঔষুধ জন সাধারণের কাছে পৌঁছে দেওয়া জাতীয় ঔষুধ নীতির লক্ষ্য।
Related Questions (Any University/Year)
- বাংলাদেশে রঙিন টেলিভিশন চালু হয় কবে?
- এডিস মশা নিচের কোন রোগটির বাহন?
- ম্যালেরিয়ার ওষুধ ‘কুইনিন’ কোন গাছ থেকে পাওয়া যায়?
- তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়-
- AIDS রোগের জন্য নিচের কোন ভাইরাসটি দায়ী?
- গাছের পাতা বেগুনি রং ধারণ করে কোন কারণে ?
- আকাশ নীল দেখায় কারণ নীল রঙের -
- ভারী পানির সংকেত কোনটি?
- সাবান তৈরির উপজাত হিসেবে পাওয়া যায় -
- সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু কোনটি?
- দুধে থাকে কোন এসিড?
- ‘ডাউন সিনড্রোম‘ বলতে বুঝানো হয় -
- পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন ________
- হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি-
- প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাস সর্বপ্রথম কোথায় শনাক্ত করা হয়েছিল?
- পোলিও টিকা আবিষ্কারক জোনাস সাল্ক যুক্তরাষ্ট্রে এক শহরে মারা যান, শহরটির নাম-
- আলফ্রেড নোবেল কি আবিষ্কার করেন?
- পাটের জিনোম কে আবিস্কার করেন?
- পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন খনিজ পদার্থ কোনটি?