সজল জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছে। কত রাত্রি অনুশোচনায় তার ঘুম হয়নি। এখন তার আত্মোপলব্ধি হয়েছে। সে ভাবে আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোটো হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মযন্ত্রণা ভোগ করব না।
"ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের খণ্ডচিত্র।" আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- স্বপ্নচূড়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মি. রহমান রাশভারি মানুষ। কর্মচারীরা আনুগত্যের ভাব প্রকাশে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল মতিন সাহেব তা করেন না। যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। সহকমিরা মতিন সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। চেয়ারম্যান সাহেবও মাঝে মধ্যে মতিন সাহেবের গোঁয়ারতুমিতে বিরক্ত হন। হঠাৎ কোষাধ্যক্ষের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। কারণ সেই পদের নিয়োগপত্র পান মতিন সাহেব।'মতিন সাহেবের আমিত্ব তাঁকে উক্ত পদের সম্মানে ভূষিত করে'- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে আমিত্বের স্বরূপ বিশ্লেষণ করো
- জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে 'বিশ্বাস' অর্থাৎ 'আত্মবিশ্বাস' শব্দটি মানবমনের এম শক্তির প্রতী???, যার কোনো যৌক্তিক সীমানা নেই। তবুও আত্মবিশ্বাসের ভালো উদাহরণ হিসেবে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ নাট্যকার 'জর্জ বার্নার্ডশ' এর নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। তিনি মাত্র ৫ বছর স্কুলে লেখাপড়া করেছেন। দারিদ্র্যের কারণে মাত্র ১৫ (পনেরো) বছর বয়সে মাসে ৪০ টাকা বেতনে কেরানির কাজ নেন। কিন্তু তিনি লেখক হতে চেয়েছিলেন এবং বিশ্বাস করতেন একদিন বড়ো লেখক হবেন। তাই' তিনি নিয়মিত লেখা শুরু করেন। লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে তাঁর নয় বছর সময় লেগেছিল। লেখক জীবনের প্রথম নয় বছরে তাঁর লেখা থেকে আয় হয়েছিল মাত্র ৩০০ টাকা। কিন্তু তাঁর বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। লেখক হিসেবেই পরবর্তীতে উপার্জন করেছেন প্রচুর টাকা।'আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করাই উদ্দীপক আর 'আমার পথ' প্রবন্ধের সারকথা।'- মূল্যায়ন করো।
- 'আত্মাকে চিনলে আত্মনির্ভরতা আসে' – কেন?
- "আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে"- বুঝিয়ে লেখো।
- 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' গ্রন্থেরে লেখক কে?
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে নিষ্ক্রিয়তার ফলহলো-
- 'পৃথিবীতে এমন কেউ কেউ আছেনমিথ্যার সাথে করেন না আপসকোথাও মেকি দেখলেই ঝরেতাদের রোষকেউ কেউ বলে এটা তাদের দোষঅনেকেই, তাদের বাহবা দিয়ে বলেআছে বটে সাহস।'উদ্দীপকে বর্ণিত 'মিথ্যার সাথে করেন না আপস' উক্তিটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয় ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে কীভাবে সত্যকে পাওয়া যায়?
- একসাথে আছি একসাথে বাঁচিআরও একসাথে থাকবই।সব বিভেদের রেখা মুছে দিয়েসাম্যের ছবি আঁকবই।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধে কবি যে ধর্মের কথাবলেছেন, তা হলো-
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'সম্মার্জনা' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান।সঙ্কটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ।মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো,নিজেরে করো জয়।দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনেরে হানো,নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।ধর্ম যবে শঙ্খরবে করিবে আহ্বাননীরব হয়ে নম্র হয়ে পণ করিয়ো প্রাণ।মুক্ত করো ভয়, দুরূহ কাজে নিজেরে দিয়ো কঠিন পরিচয়। উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য লেখো।
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে বর্ণিত সত্য অন্তরে ধারণ করলে একজন মানুষ কী হবে?
- ‘আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে'- কোন লেখকের উক্ত?
- কবি নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন?
- নিজের সত্যকেই নিজের কর্ণধার মনে জানলে নিজের শক্তির ওপর কী আসে?
- যৌবনের পুজারি কে?
- সক্রেটিস বলেন, 'নো দাই সেল্ফ।' এ বাপীটি নজরুলের যে কথাকে সমর্থন করে -
- ইশতিয়াক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজ সচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজের বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছে, যারা ছাত্র অবস্থায় তার সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এরপরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে, যারা তাঁর কটূক্তি ও সমালোচনা করে। এসব শুনে ইশতিয়াক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'উদ্দীপকের ইশতিয়াক সাহেব 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।