আবৃতবীজী উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ডিপ্লয়েড স্ত্রীরেণু মাতৃকোষটি মায়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে কয়টি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু তৈরি করে?
MEDICALজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ প্রজননস্ত্রীগ্যামিটোফাইটের বিকাশ ও গঠন (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
চারটি
Explanation: আবৃতবীজী উদ্ভিদের ডিপ্লয়েড স্ত্রীরেণু মাতৃকোষ মায়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু তৈরি করে। সঠিক উত্তর B। A (ছয়টি), C (দুইটি), এবং D (আটটি) সঠিক নয়। নোট: মায়োসিস প্রক্রিয়ার ফলে হ্যাপ্লয়েড কোষের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়।
Another Explanation (5):
আবৃতবীজী উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ডিপ্লয়েড স্ত্রীরেণু মাতৃকোষের মায়োসিস প্রক্রিয়া
আবৃতবীজী উদ্ভিদ (Covered seed plants) এর ক্ষেত্রে, ডিপ্লয়েড স্ত্রীরেণু মাতৃকোষ (2n) মায়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু (n) তৈরি করে।
প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ
- মাতৃকোষের আকার: ডিপ্লয়েড (2n)
- মায়োসিসের মাধ্যমে বিভাজন: দুই ধাপের ডিভিশন
- প্রথম ডিভিশন: ন্যাশনাল বিভাজন (meiosis I) ➡️ দুইটি হ্যাপ্লয়েড (n)
- দ্বিতীয় ডিভিশন: দ্বিতীয় ডিভিশন (meiosis II) ➡️ প্রতিটি থেকে দুইটি করে হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু তৈরি হয়
উৎপাদিত স্ত্রীরেণুগুলির সংখ্যা
সুতরাং, মোট চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু (n) তৈরি হয়।
সংক্ষিপ্ত চার্ট
| ধাপ | প্রক্রিয়া | ফলাফল |
|---|---|---|
| 1 | মাতৃকোষের মায়োসিস I | দুটি হ্যাপ্লয়েড কক্ষ (n) |
| 2 | মায়োসিস II | প্রতিটি থেকে ২টি করে হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু (n) |
অতএব, ডিপ্লয়েড মাতৃকোষের বিভাজনের ফলস্বরূপ, চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু তৈরি হয়। 🌱🌸??🌺
Option A Explanation:
বর্ণনা: ডিপ্লয়েড স্ত্রীরেণু তৈরির প্রক্রিয়া (মায়োসিস)
- প্রথম মায়োসিসের ধাপ: মাতৃকোষের ডিপ্লয়েড (2n) কোষটি প্রথমে মায়োসিস I দ্বারা বিভক্ত হয়।
- প্রথম মায়োসিসের ফলাফল: এটি দুটি হ্যাপ্লয়েড (n) কোষে বিভক্ত হয়।
- দ্বিতীয় মায়োসিসের ধাপ: প্রতিটি হ্যাপ্লয়েড কোষ আবার মায়োসিস II দ্বারা বিভক্ত হয়।
- দ্বিতীয় মায়োসিসের ফলাফল: মোট চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু তৈরি হয়।
- তবে, যদি ডিপ্লয়েড কোষটি একাধিক বিভাজনের মধ্য দিয়ে যায় এবং বিভিন্ন পর্যায়ে বিভাজিত হয়, তবে সম্ভাব্য সংখ্যাগুলি পরিবর্তিত হতে পারে।
- তবে, সাধারণত: এক ডিপ্লয়েড কোষ থেকে চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু তৈরি হয়।
Option B Explanation:
- প্রশ্নের উত্তরে চারটি পুংকেশর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।
- ক্রুসিফেরি গোত্রে সাধারণত চারটি পুংকেশর দেখা যায়।
- এগুলো হচ্ছে মূল পুংকেশর এবং তার তিনটি উপ-পুংকেশর।
- প্রতিটি পুংকেশর বিভিন্ন দেহের অংশে অবস্থান করে।
- এই সংখ্যাটি বিভিন্ন শারীরিক বৈশিষ্ট্য বা অঙ্গের উপর নির্ভর করে।
Option C Explanation:
- মানবদেহে একজন স্ত্রী জনন মাতৃকোষ থেকে সাধারণত দুটি ডিম্বাণু তৈরি হয়।
- প্রথম ডিম্বাণুটি সাধারণত দ্রুত বিকাশ লাভ করে এবং ঋতুস্রাবের সময় বের হয়ে যায়।
- দ্বিতীয় ডিম্বাণু সাধারণত পরবর্তী সময়ে বিকাশ লাভ করে, যদি প্রথম ডিম্বাণুর গর্ভধারণ না হয়।
- এই প্রক্রিয়ার ফলে একজন মহিলার ঋতুস্রাব চক্রের মধ্যে দুটি ডিম্বাণু মুক্ত হয়।
Option D Explanation:
- ক্রুসিফেরি গোত্রের পুংকেশর সংখ্যা সাধারণত আটটি বলে বিবেচিত হয়।
- প্রতিটি পুংকেশর একটি বিশেষ ধরণের অঙ্গবিশেষের মাধ্যমে পরিপক্বতা অর্জন করে।
- এই সংখ্যা বৈচিত্র্যপূর্ণ হলেও, সাধারণত আটটি পুংকেশর উল্লেখ করা হয়, যা এই গোত্রের বৈশিষ্ট্য।