কয়েক দিন ধরে রিবনের মাথাব্যথা, অল্প জ্বর,চোখের সাদা অংশসহ সমস্ত শরীর হলুদ, প্রস্রাব সরিষার তেলের ন্যায়। শিমুলের তীব্র মাথাব্যথা ও খুব জ্বর, মাংস বেশি ও হারে প্রচন্ড ব্যথা, নাক ও দাঁতের মাড়িতে রক্তক্ষরণ এবং চোখে রক্ত জমাট বেঁধেছে। রবিনের ??োগটির নাম—
সঠিক উত্তরঃ
C.
হেপাটাইটিস
Explanation:

Another Explanation (5):
রবিনের রোগের নাম: হেপাটাইটিস
উপরে দেওয়া লক্ষণগুলো দেখে মনে হয় যে রোগটি হেপাটাইটিস। নিচে এর ব্যাখ্যা ও বৈশিষ্ট্যসমূহ দেওয়া হলো:
হেপাটাইটিসের সাধারণ লক্ষণসমূহ:
- শিরদাঁড়া বা রিবনের মাথাব্যথা 🤕🤕
- অল্প জ্বর 🌡️🌡️
- শরীরের সাদা অংশসহ চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া (জন্ডিস) 😷
- প্রস্রাবের রঙ সরিষার তেলের মতো হলুদ 🍶
- অপেটিট কমে যাওয়া, বমি বমি ভাব 🤢
শিমুলের লক্ষণ:
- তীব্র মাথাব্যথা 🤯
- বেশি জ্বর 🌡️🔥
- মাংসের হাড়ে প্রচন্ড ব্যথা 🦴🤕
- নাক ও দাঁতের মাড়িতে রক্তক্ষরণ 🩸
- চোখে রক্ত জমাট বাঁধা 👁️🩸
হেপাটাইটিসের কারণ ও প্রকার:
| প্রকার | ব্যাখ্যা |
|---|---|
| হেপাটাইটিস এ (HAV) | সাধারণত অপ্রদূষিত খাবার ও পানীয়ের মাধ্যমে ছড়ায়। |
| হেপাটাইটিস বি (HBV) | রক্ত, যৌনসংযোগ ও আরোগ্যজনিত কারণে ছড়ায়। |
| হেপাটাইটিস সি (HCV) | প্রধানত রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়। |
উপসর্গ ও উপশম:
- বিশ্রাম ও পর্যাপ্ত জল পান 💤💧
- সঠিক চিকিৎসা ও ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ 💊👩⚕️
- সাধারণত রোগের সময়কাল ও চিকিৎসা অনুযায়ী সুস্থতা আসে।
সুতরাং, উপরের লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। হেপাটাইটিস একটি গুরুতর রোগ, তবে সঠিক চিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়া যায়।
Option A Explanation:
- কলেরা: এটি একটি সংক্রামক রোগ যা ভাইরাসের পরিবর্তে ব্যাকটেরিয়া Vibrio cholerae দ্বারা সৃষ্ট।
- প্রধান লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে দ্রুত ডিহাইড্রেশন, জলজুলুস, এবং গুরুতর জলশোষণজনিত সমস্যা।
- সাধারণত দূষিত পানি ও খাবার থেকে ছড়ায়।
- উপশমের জন্য rehydration therapy, অ্যান্টিবায়োটিক্স, এবং পরিষ্কার পানি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
Option B Explanation:
- প্রজনন পদ্ধতি: ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু, Plasmodium, মূলত ছত্রাকের মতো পরজীবী, যা মশার মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
- অন্তঃকোষীয় জীবাণু: এটি অন্তঃকোষীয় পরজীবী, অর্থাৎ এটি উষ্ণ, আর্দ্র পরিবেশে কোষের ভিতরে বাস করে।
- অভিশাপের মাধ্যমে ছড়ানো: ম্যালেরিয়া মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়, যা আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মধ্যে থাকা পরজীবু নিয়ে অন্যদের মধ্যে সংক্রমিত করে।
- প্রকৃতি: এটি এক ধরনের পরজীবী জীবাণু, যা মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকা আক্রমণ করে, ফলে জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়।
- সংক্রমণের লক্ষণ: জ্বর, ঠান্ডা লাগা, মাথাব্যাথা, শরীরের দুর্বলতা ইত্যাদি প্রধান লক্ষণ।
Option C Explanation:
হেপাটাইটিস
- একটি লিভার সংক্রমণ রোগ, যা হেপাটাইটিস ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে।
- প্রধানত তিনটি ধরনের হেপাটাইটিস ভাইরাস পাওয়া যায়: হেপাটাইটিস A, B, ও C।
- এর লক্ষণসমূহের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত: ক্লান্তি, বমি, বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা, অরঞ্জিত চোখ ও ত্বক, এবং গা darkening।
- প্রতিরোধের জন্য টিকাদান ও সংক্রমণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এড়ানো জরুরি।
- চিকিৎসার মাধ্যমে রোগের প্রতিকার সম্ভব, বিশেষ করে ভাইরাসের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত ওষুধ ও যত্ন নেওয়া।
Option D Explanation:
- প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
- কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
- প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
- প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
- চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।