ভাইরাসে নেই-
ভাইরাসের গঠন এবং প্লাজমা মেমব্রেন অনুপস্থিতি 🦠🚫
ভাইরাস হলো অতি-আণুবীক্ষণিক এবং অকোষীয় সত্তা। এটি জীবন্ত কোষের বাইরে নিষ্ক্রিয় এবং কোনো জীবন্ত কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে সেটিকে ব্যবহার করে নিজেদের সংখ্যাবৃদ্ধি করে। ভাইরাসের গঠন বেশ সরল এবং এর মধ্যে কিছু অত্যাবশ্যকীয় উপাদান থাকে।
ভাইরাসের মূল উপাদানসমূহ:
- নিউক্লিক অ্যাসিড: এটি DNA অথবা RNA হতে পারে। ভাইরাসের বংশগতির ধারক।🧬
- ক্যাপসিড: এটি প্রোটিন নির্মিত একটি আবরণ যা নিউক্লিক অ্যাসিডকে সুরক্ষা দেয়।🛡️
- এনভেলপ (কিছু ভাইরাসে): এটি লিপিড এবং প্রোটিন দিয়ে গঠিত একটি অতিরিক্ত স্তর যা ক্যাপসিডের বাইরে থাকে।🦠➡️🛡️
প্???াজমা মেমব্রেন কেন নেই? 🤔
ভাইরাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি কোষ নয়। কোষের মধ্যে প্লাজমা মেমব্রেন (কোষ ঝিল্লি) থাকে, যা কোষের অভ্যন্তরীণ পরিবেশকে বাইরের পরিবেশ থেকে আলাদা করে এবং কোষের বিভিন্ন উপাদানকে ধরে রাখে। যেহেতু ভাইরাস অকোষীয়, তাই ভাইরাসের নিজস্ব প্লাজমা মেমব্রেন থাকার প্রশ্নই আসে না।
ভাইরাসের গঠন অনেকটা পরজীবী প্রকৃতির। এটি সম্পূর্ণরূপে অন্য কোষের উপর নির্ভরশীল। তাই ভাইরাসের নিজের কোনো সেলুলার অঙ্গাণু নেই।
প্লাজমা মেমব্রেনের কাজ (তুলনার জন্য):
- কোষের অঙ্গাণুগুলোকে রক্ষা করা। 🛡️
- কোষের ভেতরে এবং বাইরে বিভিন্ন বস্তুর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা। ➡️🚪
- কোষের আকৃতি বজায় রাখা। 📐
ভাইরাসের গঠন এবং প্লাজমা মেমব্রেনের অনুপস্থিতি বিষয়ক ছক:
| বৈশিষ্ট্য | ভাইরাস | কোষ |
|---|---|---|
| প্লাজমা মেমব্রেন | ❌ অনুপস্থিত | ✅ উপস্থিত |
| নিউক্লিক অ্যাসিড | ✅ DNA বা RNA | ✅ DNA |
| রাইবোসোম | ❌ অনুপস্থিত | ✅ উপস্থিত |
| কোষীয় অঙ্গাণু | ❌ অনুপস্থিত | ✅ উপস্থিত |
| প্রজনন | পরজীবীর মাধ্যমে | স্বয়ংক্রিয়ভাবে |
সুতরাং, ভাইরাসের মধ্যে প্লাজমা মেমব্রেন না থাকার কারণ হলো এটি কোষ নয় এবং এটি সম্পূর্ণরূপে অন্য কোষের মাধ্যমে তার জীবন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।🦠🎯
আরও জানতে চাইলে যোগাযোগ করুন। 📧
ধন্যবাদ! 🙏
```- DNA (ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লেইক অ্যাসিড): DNA হলো একটি জৈবিক অণু যা জীবের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে। এটি ডাবল হেলিক্যাল আকারে গঠিত এবং জীবের বৃদ্ধি, বিকাশ, পুনরুত্পাদন ও প্রজননের জন্য অপরিহার্য।
- গঠন: DNA এর মূল উপাদান হলো নিউক্লিওটাইড, যা নিউক্লোটাইডের সংমিশ্রণে গঠিত। প্রতিটি নিউক্লিওটাইডে থাকে একটি ফসফেট গ্রুপ, একটি শর্করা (ডিঅক্সিরাইবো), এবং একটি নাইট্রোজেন বেস।
- কার্যপ্রণালী: DNA এর মাধ্যমে জীবের জেনেটি?? তথ্য প্রেরিত হয় এবং এটি প্রোটিন সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- প্রকার: বিভিন্ন ধরনের DNA রয়েছে, যেমন চROMOSোমের মধ্যে থাকা ডি.এন.এ., মাইটোকন্ড্রিয়াল ডি.এন.এ, ইত্যাদি।
- RNA (রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড): ভিরয়েডের গাঠনিক উপাদান হলো RNA। এটি এক ধরনের ক্ষুদ্র, সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড নিউক্লিক অ্যাসিড যা ডিএনএ’র তুলনায় খুবই ছোট।
- প্রোটিনের অভাব: ভিরয়েডের মধ্যে কোনও প্রোটিনের উপস্থিতি দেখা যায় না। তারা কেবলমাত্র RNA দ্বারা গঠিত।
- গঠন: ভিরয়েডের RNA সাধারণত সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড এবং বাঁকানো বা ক্রস-সেকশনাল গঠন ধারণ করে, যা তাদের স্থিতিশীলতা ও কার্যকলাপে সহায়তা করে।
Protein (প্রোটিন)
- প্র???টিন হলো জীবদেহের মূল বিল্ডিং ব্লক, যা বিভিন্ন ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি কোষের গঠন, গঠনমূলক কাজ, এনজাইম, হরমোন, অ্যান্টিবডি ইত্যাদি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- প্রোটিনের বিভিন্ন ধরনের স্ট্রাকচার ও ফাংশন হয়, যেমন স্ট্রাকচারাল, অ্যামিনো অ্যাসিড সঞ্চয়, সংকেত প্রেরণ ইত্যাদি।
- প্রোটিনের উদাহরণ হিসেবে থাকতে পারে অ্যালবুমিন, কেরাটিন, ইনসুলিন ইত্যাদি।
Plasma Membrane এর ব্যাখ্যা
- অবস্থান: এটি জীবাণু কোষের বাইরের অংশে অবস্থিত, যা কোষের চারপাশে আবৃত করে রাখে।
- গঠন: প্রধানত ফসফোলিপিডের স্তর দ্বারা গঠিত, যার মধ্যে প্রোটিন এবং লিপিড সমূহ অন্তর্ভুক্ত থাকে।
- কার্যক্রম: এটি কোষের অভ্যন্তর থেকে বাহ্যিক পরিবেশের সাথে সংযোগ স্থাপন করে, উপাদান প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষের সুরক্ষা প্রদান করে।
- উপাদান: প্রোটিন, ফসফোলিপিড, চর্বি, গ্লাইকোলিপিড ও গ্লাইকোপ্রোটিন এই উপাদানসমূহ অন্তর্ভুক্ত।
- অন্য নাম: এটি প্লাজমা ঝিল্লা বা সেল মেমব্রেন নামে পরিচিত।