রুই ও হাঙ্গর উভয়ই মাছ হলেও এদের মধ্যে শ্রেণীবিন্যাসগত ও গাঠনিক পার্থক্য বিদ্যমান।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথম প্রাণীটি যে শ্রেণীর অন্তর্গত-
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসChordata পর্বের শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)
সঠিক উত্তরঃ
C.
Actinopterygii
Explanation:

Another Explanation (5):
উত্তর: "Actinopterygii"
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথম প্রাণীটি হলো রুই। এটি একটি মাছ যা অ্যাক্টিনোপ্রটেরিজিয় (Actinopterygii) শ্রেণীর অন্তর্গত। নিচে এই শ্রেণীর বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো:
অ্যাক্টিনোপ্রটেরিজিয় (Actinopterygii) এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- 🦈 শরীরের কাঠামো: এই শ্রেণীর মাছের শরীর সাধারণত সরু ও রৈখিক।
- 🐟 প্রতিচ্ছবি: শরীরের আঁকা ও খোসার গঠনবিশিষ্ট।
- 🌊 প্রজনন & জীবনচক্র: সাধারণত ডিম পাড়ে।
- 💧 জীবনযাত্রা: পানিতে ভাসে ও ডুবে থাকে।
- 🦷 প্রযুক্তি: শরীরের বিভিন্ন অংশে কাঁটা বা পালক (fin) থাকে।
শ্রেণীবিন্যাসগত পার্থক্য
| বিশেষতা | রুই (Actinopterygii) | হাঙ্গর (Chondrichthyes) |
|---|---|---|
| অঙ্গসংস্থান | হাড়ের কাঠামো | কার্টিলেজ (ধাতব না হাড়ের) |
| শরীরের কাঠামো | সাধারণত ছোট কাঁটা ও পালক থাকে | বড় ও শক্তিশালী কাঁটা ও দন্তবিশিষ্ট |
| প্রজনন | অধিকাংশই ডিম পাড়ে | অধিকাংশই ডিম পাড়ে বা জীবিত জন্ম দেয় |
অতএব, এই বিবরণ থেকে বোঝা যায় যে, রুই অ্যাক্টিনোপ্রটেরিজিয় শ্রেণীর অন্তর্গত।
Option A Explanation:
- নাম: Myxini
- অর্থাৎ: হ্যাগফিশ বা হ্যাগফিশের অন্যান্য নাম
- বৈশিষ্ট্য: এটা একটি অস্থি বিহীন, আঠালো ও অপ্রত্যাশিত জলজ প্রাণী, যা মূলত গভীর সামুদ্রিক পরিবেশে বাস করে।
- উৎপত্তি: এই প্রাণীটি প্রাচীনতম জীবের মধ্যে একটি, যা এর অদ্ভুত শারীরিক গঠন এবং অস্থি বিহীন দেহের জন্য পরিচিত।
- উপকারিতা: হ্যাগফিশের দেহের স্রাব বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা ও গবেষণার জন্য ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
- সার্কোপটারিগি (Sarcopterygii): এটি একটি শ্রেণি যা মূলত লম্বা, পাখনাযুক্ত মাছগুলোকে বোঝায়।
- এই শ্রেণির মাছগুলোর পাখনাগুলো মূলত লম্বা এবং স্নায়ুবিষয়কভাবে শক্তিশালী, যা ভবিষ্যতে টেরাপোড বা লেজযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সার্কোপটারিগি শ্রেণির মধ্যে প্রাচীন মাছ যেমন লোচ, সিলুরা ও রেকুইন অন্তর্ভুক্ত।
- এই প্রাণীগুলোর শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য ফুসফুসের মতো অঙ্গের বিকাশ হয়, যা জল ও স্থলে জীবনযাত্রার জন্য উপযুক্ত।
- সার্কোপটারিগির মধ্যে কিছু প্রজাতি সাঁতার কাটার জন্য পাখনাগুলির গঠন ও কার্যক্ষমতায় উন্নত।
Option C Explanation:
- অ্যাকটিনোপটারিজি (Actinopterygii): এই শ্রেণীটি মূলত পাখির মতো মাছ বা রেডিওফোরসের গোষ্ঠী, যা মূলত জলজ প্রাণী।
- প্রাণীর গঠন: এই শ্রেণীর মাছের প্রধান্য বৈশিষ্ট্য হলো তাদের সরু, পাখির মতো প্রান্তবিশিষ্ট ফ্ল্যাপ বা পাখা (ফ্লিপার) যা মাছের চলাচলে সহায়ক।
- প্রজনন: এই মাছের প্রজনন প্রায়ই স্পার্ম ও ডিমের মাধ্যমে হয়।
- বৈচিত্র্য: অ্যাকটিনোপটারিজি খুবই বৈচিত্র্যপূর্ণ, এটি বিশ্বের জলজ জীববৈচিত্র্যের একটি বৃহৎ অংশ।
- উদাহরণ: ক্যাটফিশ, শ্রিম্প, সীলফিশ ইত্যাদি এই শ্রেণীর মধ্যে পড়ে।
Option D Explanation:
- Chondrichthyes: এই ক্লাসের প্রাণীগুলি মূলত শার্ক, ইলিশ ও রেথার মতো জেলি-সামৃদ্ধ মাছের অন্তর্ভুক্ত।
- প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- শরীরের কাঠামো: কার্টিলেজের মতো কঙ্কাল, হাড় নয়।
- দাঁত: শক্তিশালী ও পরিবর্তনশীল, খাদ্যগ্রহণে সহায়ক।
- চোখ ও চেহারা: সুচারু দৃষ্টি ও দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর জন্য বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
- প্রজনন: প্রজনন প্রক্রিয়া অনেকটাই ভিন্ন, কিছু মাছ সরাসরি ডিম পাড়ে, আবার কিছু সরাসরি বাচ্চা জন্ম দেয়।
- অন্য নাম: এই ক্লাসটি সাধারণত "কার্টিলেজিয়াস মাছ" বা "চন্দ্রিমুখ মাছ" হিসেবেও পরিচিত।