মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

ফুসফুসের কৈশিকজালিকায় দেহ থেকে আগত রক্তে O2 এর চাপ কত?

A. 40 mmHg
B. 50 mmHg
C. 60 mmHg
D. 70 mmHg
Poster Download
JUUnit-DSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রশ্বসন ও শ্বাসক্রিয়াপ্রশ্বাস-নিশ্বাস কার্যক্রম ও নিয়ন্ত্রণ (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. 40 mmHg
Explanation: ফুসফুসের কৈশিকজালিকায় দেহ থেকে আগত রক্তে O2 চাপ প্রায় ৪০ mmHg। অপশন বিশ্লেষণ: A. ৪০ mmHg - সঠিক, এটি ফুসফুসের কৈশিকজালিকার সাধারণ চাপ; B. ৫০ mmHg এবং C. ৬০ mmHg - ভুল কারণ এগুলো বেশি; D. ৭০ mmHg - ভুল কারণ এটি অযৌক্তিক। নোট: এই চাপ ফুসফুসে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড বিনিময়ে সহায়ক।
Another Explanation (3):

ফুসফুসের কৈশিকজালিকায় দেহ থেকে আগত রক্তে O₂ এর চাপ কত?

  1. 40 mmHg (Correct)
  2. 50 mmHg (Incorrect)
  3. 60 mmHg (Incorrect)
  4. 70 mmHg (Incorrect)

ফুসফুসের কৈশিকজালিকা (Pulmonary Capillaries)

ফুসফুসের কৈশিকজালিকা হলো ক্ষুদ্র রক্তনালী যা ফুসফুসের অ্যালভিওলাই (বায়ুথলি) ঘিরে থাকে। এই কৈশিকজালিকার মাধ্যমেই রক্ত এবং অ্যালভিওলার বাতাসের মধ্যে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে, অর্থাৎ কার্বন ডাই অক্সাইড রক্ত থেকে অ্যালভিওলায় যায় এবং অক্সিজেন অ্যালভিওলা থেকে রক্তে প্রবেশ করে।

দেহে অক্সিজেন পরিবহন

দেহের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন ব্যবহারের পর, রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায় এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই রক্তকে বলা হয় ডিঅক্সিজেনated রক্ত বা কার্বন ডাই অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত। এই রক্ত ফুসফুসের কৈশিকজালিকার মাধ্যমে পরিবাহিত হয় যাতে এটি অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে।

অক্সিজেনের আংশিক চাপ (Partial Pressure of Oxygen, pO₂)

অক্সিজেনের আংশিক চাপ হলো রক্তের মধ্যে দ্রবীভূত অক্সিজেনের চাপ। এটি mmHg (millimeters of mercury) এককে পরিমাপ করা হয়।

দেহে থেকে আগত রক্তে অক্সিজেনের চাপ

যখন ডিঅক্সিজেনated রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে ফুসফুসের কৈশিকজালিকার দিকে আসে, তখন এতে অক্সিজেনের আংশিক চাপ কম থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায়, এই চাপের মান প্রায় 40 mmHg।

অ্যালভিওলার বাতাসে অক্সিজেনের চাপ

অন্যদিকে, অ্যালভিওলার বাতাসে অক্সিজেনের আংশিক চাপ অনেক বেশি থাকে, প্রায় 104 mmHg। চাপের এই পার্থক্যের কারণেই অক্সিজেন অ্যালভিওলার বাতাস থেকে রক্তে প্রবেশ করে।

সঠিক উত্তর

ফুসফুসের কৈশিকজালিকায় দেহ থেকে আগত রক্তে অক্সিজেনের চাপ প্রায় 40 mmHg।

টেবিলের মাধ্যমে উপস্থাপন

বিষয়টি আরও সহজে বোঝার জন্য একটি টেবিলের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো:

স্থান অক্সিজেনের আংশিক চাপ (pO₂)
দেহের ধমনী (Arterial Blood) 95 - 100 mmHg
দেহের শিরা (Venous Blood) - ফুসফুসে আগত রক্ত 40 mmHg
অ্যালভিওলার বাতাস 104 mmHg

সিদ্ধান্ত

দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে ব্যবহারের পর রক্তে অক্সিজেনের চাপ কমে যায়। ফুসফুসের কৈশিকজালিকায় পৌঁছানোর সময় এই চাপ প্রায় 40 mmHg থাকে।

সঠিক উত্তর: A. 40 mmHg

Another Explanation (5):

ফুসফুসের কৈশিকজালিকায় রক্তের অক্সিজেন (O₂) চাপ: একটি ব্যাখ্যা

ফুসফুসের কৈশিকজালিকায় (Pulmonary capillaries) পৌঁছানোর আগে রক্ত সারা শরীর থেকে ব্যবহৃত অক্সিজেন বহন করে নিয়ে আসে। তাই, এই রক্তে অক্সিজেনের চাপ কম থাকে।

অক্সিজেন চাপের মাত্রা 🌡️

  • দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে আসা রক্তে অক্সিজেনের আংশিক চাপ (Partial pressure of O₂) সাধারণত 40 mmHg থাকে।
  • ফুসফুসের অ্যালভিওলাইতে অক্সিজেনের আংশিক চাপ প্রায় 104 mmHg।

কারণ 🤔

  1. কোষের ব্যবহার: শরীরের কোষগুলো অক্সিজেন ব্যবহার করে ক্রমাগত, ফলে রক্তের অক্সিজেন কমে যায়।
  2. কার্বন ডাই অক্সাইড মিশ্রণ: কোষ থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড রক্তে মেশে, যা অক্সিজেনের স্থান দখল করে নেয়।

গুরুত্ব ✨

এই চাপের পার্থক্য থাকার কারণে ফুসফুসের অ্যালভিওলাই থেকে অক্সিজেন সহজেই রক্তে প্রবেশ করতে পারে। একে ব্যাপন (Diffusion) বলে।

ব্যাপন প্রক্রিয়া 🌬️

উচ্চ অক্সিজেন চাপ (অ্যালভিওলাই) থেকে নিম্ন অক্সিজেন চাপের (রক্ত) দিকে অক্সিজেন প্রবাহিত হয়।

ছকের মাধ্যমে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের চাপ 📊

গ্যাস অ্যালভিওলাই (mmHg) ফুসফুসীয় কৈশিক জালিকা (mmHg)
অক্সিজেন (O₂) 104 40
কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂) 40 45

অক্সিজেন পরিবহন 🚚

অক্সিজেন মূলত হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে পরিবাহিত হয়।

সারসংক্ষেপ 📝

ফুসফুসের কৈশিকজালিকায় আসা রক্তে অক্সিজেনের চাপ কম (40 mmHg) থাকার কারণে এটি অ্যালভিওলাই থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে এবং শরীরের চাহিদা মেটাতে সহায়তা করে। 💪

আরও জানতে এবং বিস্তারিত তথ্যের জন্য স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট অথবা বইয়ের সাহায্য নিতে পারেন।📚

সুস্থ থাকুন! 💚