মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

ভাইরাস গঠিত রোগ নয় কোনটি?

A. জলাতঙ্ক
B. টাইফয়েড
C. ডেঙ্গু
D. পোলিও
Poster Download
SAUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসের অর্থনৈতিক গুরুত্ব (Topic Practice)SAU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. টাইফয়েড
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

ভাইরাস গঠিত রোগ নয়: টাইফয়েড - একটি বিস্তারিত ব্যাখ্যা 🧐

ভাইরাস গঠিত রোগ নয় কোনটি - এই প্রশ্নের উত্তরে টাইফয়েড সঠিক। কারণ টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া: প্রধান পার্থক্য 🦠

ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া উভয়ই রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু হলেও তাদের মধ্যে গঠন ও কার্যকারিতার দিক থেকে অনেক পার্থক্য রয়েছে:

  • ভাইরাস: খুবই ছোট এবং জটিল গঠনযুক্ত। এটি জীবন্ত কোষের বাইরে একেবারে নিষ্ক্রিয় এবং কোনো জীবন্ত কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে সেটির মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।
  • ব্যাকটেরিয়া: এটি একটি একককোষী জীব। এটি নিজের খাদ্য তৈরি করতে বা পরিবেশ থেকে গ্রহণ করতে পারে এবং নিজেরাই বংশবৃদ্ধি করতে সক্ষম।

টাইফয়েড: ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ 🤒

টাইফয়েড সালমোনেলা টাইফি (Salmonella Typhi) নামক ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায়। দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে এই রোগ বিস্তার লাভ করে।

টাইফয়েডের লক্ষণসমূহ:

  1. জ্বর (১০৩-১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট) 🔥
  2. দুর্বলতা 😫
  3. পেটে ব্যথা 🤕
  4. মাথা ব্যথা 🤯
  5. ক্ষুধামন্দা 😥
  6. কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা ডায়রিয়া 🤢

ভাইরাস গঠিত কিছু রোগ 🤧

ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট কিছু সাধারণ রোগ নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • জ্বর ( common cold)
  • ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza)
  • হাম (Measles)
  • রুবেলা (Rubella)
  • পোলিও (Polio)
  • জলবসন্ত (Chickenpox)
  • এইডস (AIDS)
  • কোভিড-১৯ (COVID-19) 🦠

ব্যাকটেরিয়াজনিত অন্যান্য কিছু রোগ 🧫

টাইফয়েড ছাড়াও ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট আরও কিছু রোগ রয়েছে:

  • নিউমোনিয়া (Pneumonia)
  • যক্ষ্মা (Tuberculosis)
  • কলেরা (Cholera)
  • মেনিনজাইটিস (Meningitis)
  • স্ট্রেপ থ্রোট (Strep throat)

ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে পার্থক্য 📊

বৈশিষ্ট্য ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া
কোষীয় গঠন কোষবিহীন এককোষী
প্রজনন জীবন্ত কোষের অভ্যন্তরে স্বতন্ত্রভাবে
আকার খুবই ছোট (20-300 nm) তুলনামূলকভাবে বড় (0.5-5 μm)
চিকিৎসা ভাইরাল ঔষধ (কিছু ক্ষেত্রে) এন্টিবায়োটিক

予防 ব্যবস্থা 🛡️

টাইফয়েড প্রতিরোধের জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, বিশুদ্ধ পানি পান করা এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করা জরুরি। এছাড়া টাইফয়েডের টিকাও পাওয়া যায়।

ভাইরাস জনিত রোগ প্রতিরোধের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সময়মত টিকা গ্রহণ করা উচিত।

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি টাইফয়েড এবং ভাইরাস গঠিত রোগ সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 🙏

```
Option A Explanation:
  • নাম: জলাতঙ্ক (Rabies)
  • প্রদূষক: রাবি ভাইরাস (Rabies virus)
  • প্রবাহ: সাধারণত প্রাণীর কামড় বা দংশনের মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
  • লক্ষণ: উদ্বেগ, দংশনের জায়গায় ব্যথা, জল খাওয়ার অক্ষমতা, অস্থিরতা, অজ্ঞানতা, ও মৃত্যুর আশঙ্কা।
  • প্রতিরোধ: রক্ষাকবচ বা টিকা (Rabies vaccine) গ্রহণ ও সংক্রমিত প্রাণীর সাথে যোগাযোগ এড়ানো।
Option B Explanation: টাইফয়েডের ব্যাখ্যা

টাইফয়েডের ব্যাখ্যা

  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ (বাহিরের জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট)
  • সংক্রমণের কারণ: Salmonella typhi ব্যাকটেরিয়া
  • প্রধান লক্ষণসমূহ: জ্বর, পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা বা কনস্টিপেশন, ক্লান্তি, মাথা ব্যথা
  • সংক্রমণের মাধ্যম: দূষিত পানি ও খাবার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব
  • প্রতিরোধ: পরিষ্কার পানি পান, স্যানিটেশন মান বজায় রাখা, টিকা গ্রহণ
  • চিকিৎসা: অ্যান্টিবায়োটিকস দ্বারা চিকিৎসা সম্ভব
Option C Explanation:
  • প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
  • কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
  • প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
  • প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
  • চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • পোলিও: পোলিও বা পোলিওমাইলাইটিস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা পোলিওভাইরাস দ্বারা হয়।
  • এটি সাধারণত প্রধানত শিশুদের মধ্যে ঘটে, তবে সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
  • রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জ্বর, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্যারালাইসিস বা অক্ষমতা হয়ে থাকে।
  • বিশেষ করে, পোলিও ভাইরাসের কারণে পেরেক বা পা এর অস্থিরতা বা পক্ষাঘাত দেখা দিতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
  • প্রতিরোধের জন্য মূল উপায় হলো পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা (ইনজেকশন বা ওরাল ভ্যাকসিন)।
  • সাধারণত, সঠিক চিকিৎসা না থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে রোগের প্রভাব স্বাভাবিক হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অক্ষমতা হতে পারে।