নিউক্লিওয়েড কী? ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার ৪টি পার্থক্য লিখ।
Explanation: ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমস্থ DNA সমৃদ্ধ অঞ্চলকে নিউক্লিওয়েড (nucleoid) বলে।ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে পার্থক্য:
পার্থক্যের বিষয় → ভাইরাস → ব্যাকটেরিয়া
১। প্রকৃতি → এরা অকোষীয়। এতে কোনো কোষীয় বস্তু নেই। RNA বা DNA আছে → এরা কোষীয়। আদি প্রকৃতির নিউক্লিয়াস থাকে।
২। আকার → এরা অতি-আণুবীক্ষণিক, ০.০১ হতে ০.৩ মাইক্রোমিটার → এরা আণুবীক্ষণিক, ০.২ হতে ৫.০ মাইক্রোমিটার।
৩। বংশবৃদ্ধি → সজীব কোষের বাইরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে না → সজীব কোষের বাইরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
৪। কেলাসিতকরণ (তরল দ্রবণ থেকে কঠিন পদার্থকে আলাদা করা) → কেলাসিত করার পর সজীব কোষে প্রবেশ করলে পুনরায় জীবনের লক্ষণ প্রকাশ করে → কেলাসিত করলে আর জীবনের লক্ষণ প্রকাশ করে না।
৫। ক্ষুদ্রাঙ্গের উপস্থিতি → এতে সাইটোপ্লাজম ও কোনো ক্ষুদ্রান্ত নেই এবং বিপাক ক্রিয়াও দেখা যায় না → এতে সাইটোপ্লাজম ও রাইবোসোম নামক ক্ষুদ্রাঙ্গ আছে এবং বিপাক ক্রিয়া ঘটে।
৬। নিউক্লিক অ্যাসিডের অবস্থান → ভাইরাসের নিউক্লিক অ্যাসিড ক্যাপসিড এর মধ্যে অবস্থান করে → ব্যাকটেরিয়ার নিউক্লিক অ্যাসিড সাইটোপ্লাজমে অবস্থান করে।
৭। নিউক্লিক অ্যাসিডের প্রকৃতি → কোষে DNA বা RNA যে কোনো একপ্রকার নিউক্লিক অ্যাসিড থাকে → কোষে DNA বা RNA উভয় প্রকার নিউক্লিক অ্যাসিড থাকে।
৮। এনজাইমের উপস্থিতি → এদের দেহে কোনো এনজাইম থাকে না → এদের দেহে এনজাইম থাকে।নম্বর বণ্টন:
নিউক্লিওয়েড এর সংজ্ঞা লেখার জন্য ০.৫ নম্বর।
ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার ৪টি পার্থক্য লেখার জন্য (০.৫×৪) = ০২ নম্বর।
পার্থক্যের বিষয় → ভাইরাস → ব্যাকটেরিয়া
১। প্রকৃতি → এরা অকোষীয়। এতে কোনো কোষীয় বস্তু নেই। RNA বা DNA আছে → এরা কোষীয়। আদি প্রকৃতির নিউক্লিয়াস থাকে।
২। আকার → এরা অতি-আণুবীক্ষণিক, ০.০১ হতে ০.৩ মাইক্রোমিটার → এরা আণুবীক্ষণিক, ০.২ হতে ৫.০ মাইক্রোমিটার।
৩। বংশবৃদ্ধি → সজীব কোষের বাইরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে না → সজীব কোষের বাইরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
৪। কেলাসিতকরণ (তরল দ্রবণ থেকে কঠিন পদার্থকে আলাদা করা) → কেলাসিত করার পর সজীব কোষে প্রবেশ করলে পুনরায় জীবনের লক্ষণ প্রকাশ করে → কেলাসিত করলে আর জীবনের লক্ষণ প্রকাশ করে না।
৫। ক্ষুদ্রাঙ্গের উপস্থিতি → এতে সাইটোপ্লাজম ও কোনো ক্ষুদ্রান্ত নেই এবং বিপাক ক্রিয়াও দেখা যায় না → এতে সাইটোপ্লাজম ও রাইবোসোম নামক ক্ষুদ্রাঙ্গ আছে এবং বিপাক ক্রিয়া ঘটে।
৬। নিউক্লিক অ্যাসিডের অবস্থান → ভাইরাসের নিউক্লিক অ্যাসিড ক্যাপসিড এর মধ্যে অবস্থান করে → ব্যাকটেরিয়ার নিউক্লিক অ্যাসিড সাইটোপ্লাজমে অবস্থান করে।
৭। নিউক্লিক অ্যাসিডের প্রকৃতি → কোষে DNA বা RNA যে কোনো একপ্রকার নিউক্লিক অ্যাসিড থাকে → কোষে DNA বা RNA উভয় প্রকার নিউক্লিক অ্যাসিড থাকে।
৮। এনজাইমের উপস্থিতি → এদের দেহে কোনো এনজাইম থাকে না → এদের দেহে এনজাইম থাকে।নম্বর বণ্টন:
নিউক্লিওয়েড এর সংজ্ঞা লেখার জন্য ০.৫ নম্বর।
ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার ৪টি পার্থক্য লেখার জন্য (০.৫×৪) = ০২ নম্বর।