ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে।'- উক্তিটি কার?
A.
রহিমার
B.
তানুবিবির
C.
হাসুনির মায়ের
D.
জমিলার
সঠিক উত্তরঃ
A.
রহিমার
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ্' বলিত। সেই 'ফানাফিল্লাহ্'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন তাই জব্বার সময় একখণ্ড কালো মখমলের কাপড় দিয়া পীর সাহেবের চোখে মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে তা নির্ণয় কর।
- খালেক ব্যাপারির প্রথম পক্ষের স্ত্রীর নাম কী?
- 'তাগো কথা হুনলে পুরুষ মানুষ আর পুরুষ থাকে না, মেয়ে মানুষের অধম হয়'- কে কেন বলেছে?
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে ধলেশ্বরী গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটেছে দূরদূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিরন্বিত এমনই এক যুবক ইদ্রিসের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব-প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।উদ্দীপকে বর্ণিত অসহায় মানুষদের জীবানাচরণের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- 'রোগা মানুষ সমস্ত রাত খেতে পারবে না' এখানেকোন খাবারের কথা বলা হয়েছে?
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় ক্যামনে?'- উক্তিটি কার?
- বাংলা ভাষায় উপন্যাস লেখায় সূচনা ঘটে কোন শতকে?
- গ্রামের মানুষ মজিদকে ভয় পায় কেন?
- বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।উদ্দীপকে উল্লিখিত চেয়ারম্যান ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের ভূমিকা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনাংশের সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য? আলোচনা করো।
- "মরা মানুষ জিন্দা হয় ক্যামনে?"- উক্তিটি কার?
- হিজলতলী গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক-বৃদ্ধ যুবক-বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর কিংবা বদরপীরের সাহায্যও কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকের ঘরেই হয়তো অভাব আছে কিন্তু তাদের দুঃখ-কষ্ট আছে কিনা তা বোঝা দায়। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা এদের ঠকায়।উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানষের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়- বর্ণনা করো।
- "সজ্ঞানে না জানলেও তারা একাট্টা, পথ তাদের এক।"-ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের লেখক কি উন্মোচন করেছেন?
- কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?
- 'তাই তারা ছোটে, ছোটে' কেন? ব্যাখ্যা করো।
- নিচু একটা জায়গা ভরাট করে গ্রামের ছেলেরা খেলার মাঠ বানাবে বলে চেয়ারম্যানকে প্রস্তাব করল। কিন্তু কিছুদিন পরে চেয়ারম্যান সাহেব সেখানে এক বিশাল মার্কেট তৈরি করল ।উদ্দীপকের চেয়ারম্যান 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে ?
- ধর্মের অপব্যাখ্যা আর সামাজিক কুসংস্কারের কাছেঅসহায় আত্মসমর্পণ করে আলেয়া, অথচ তারই বড় বোনরাহেলা সবকিছুকেই যুক্তি দিয়ে বিচার করতে চায়, যদিওপরিণামে তাকে কঠিন ফলই ভোগ করতে হয়। উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস নিচের কোনমন্তব্যকে যৌথভাবে ধারণ করে?
- বাংলাদেশের একটি ছোট্ট জনপদ বসন্তপুর। সভ্য জীবনের কোনো ছোঁয়া এখানে নেই। অসুখে-বিসুখে আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ, ঝাড়ফুঁক, পানিপড়াই তাদের একমাত্র ভরসা। এ গ্রামের মেয়ে হনুফা নিরক্ষর হলেও তার কথাবার্তা ও চিন্তাচেতনায় বুদ্ধিমত্তার ছাপ স্পষ্ট। আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া কেরামতিতে সে আদৌ বিশ্বাস করে না। গ্রামবাসীদের সে আবুল মিয়ার ভণ্ডামি সম্পর্কে সচেতন করে এবং যেকোনো অসুস্থতায় আবুল মিয়ার কাছে না গিয়ে শত কষ্ট হলেও ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।উদ্দীপকের বসন্তপুর গ্রামের মানুষের চেতনার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের চেতনার সাদৃশ্য দেখাও।
- মজিদ কার ভয়ে শঙ্কিত হয়?
- ‘লালসালু’ উপন্যাসের প্রকৃত প্রতিপাদ্য-