কোন নদীর পলিতে 'গলিতে হেম' আছে?
A.
পদ্মা
B.
মেঘনা
C.
সুরমা
D.
কর্ণফুলী
সঠিক উত্তরঃ
C.
সুরমা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মোতাহের হোসেন চৌধুরী বৃক্ষের জীবনের কোন দুটিজিনিস উপলব্ধি করার পক্ষপাতী?
- 'সাক্ষী বড় সেরকশা' - কার উক্তি ?
- আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের এমএ ক্লাসের ছাত্র। সমাজের কল্যাণ করতে সে পছন্দ করে। একবার তার এলাকায় ব্যাপক বন্যা দেখা দেয়। গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। খাদ্য আর চিকিৎসার অভাবে সাধারণ মানুষ নানা রকম দুর্ভোগে পড়ে। সাধারণ মানুষের কষ্টে আজিজের প্রাণ কেঁদে উঠে। মানুষের এমন পরিণতি সে মেনে নিতে পারেনি। তাই সে বন্ধুদের নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।উদ্দীপকের আজিজের পরোপকারের মাঝে 'বিড়াল' রচনায় প্রতিফলিত দিকটি ব্যাখ্যা কর।
- ’লোক-লোকান্তর’ কবিতার প্রথম চরণ কোনটি?
- শহিদ সাবের কে ছিলেন?
- ধন-রত্ন সুখৈশ্বর্য কিছুতেই সুখ নাই,সুখ পর-উপকারে, তারি মাঝে খোঁজ ভাই।'আমিত্ব'কে বলি দিয়া স্বার্থ ত্যাগ কর যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি।নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি।উদ্দীপক এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- 'এই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির কাবা নাই।'- পংক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- প্রমথ চৌধুরীর মতে সাহিত্যের উদ্দেশ্য কী?
- রোগাপটকা ইউনুস যেখানে বাস করে তা নাম-
- শেষ পর্যন্ত এক কৃষজীবী পরিবারেই বিয়ে হয় ছবি রাণীর। স্বামী ধনপতির একটি উন্নত জাতের গাভি আছে; গাভির একটি ছোট্ট বাছুর আছে। সেই বাছুরকে মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত করে দুই বেলা গাভির সবটুকু দুধ দোহন করে নেয় ধনপতি। বাছুরকে জোরপূর্বক আটকে রেখে স্বামীকে সহায়তা করে ছবি রাণী। গাভি যেন সামান্য দুধও বাছুরের জন্য রাখতে না পারে, সেদিকে কড়া নজর তাদের। ক'দিন আগে ছবি রাণীর কোল জুড়ে আসে নবজাত ফুটফুটে এক শিশু সন্তান। এই শিশু যখন ক্ষুধায় কান্না করে, ছবি রাণী তখন পরিবারের সব কাজ ফেলে পরম মমতায় সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে তৃপ্ত করে। একদিন তার শিশু সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে পরিতৃপ্ত করতে গিয়ে সে অনুভব করে, মাতৃদুগ্ধ-বঞ্চিত রেখে কী নির্মম আচরণ করে যাচ্ছে তারা গাভির অসহায় বাছুরের ওপর। তারপর থেকে সে স্বামীকে এই কা???ে আর সহায়তা করে না।উদ্দীপকের ছবি রাণী কোন দিক দিয়ে কমলাকান্তের সঙ্গে তুলনীয়?
- ফরিদপুর জেলার ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে নকশিকাঁথা। কাঁথা সেলাই করে অনেকেই সচ্ছলতার মুখ দেখেছে। নারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে স্ব-উদ্যোগে নকশিকাঁথার দোকান পরিচালনা করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। শহরের অলিগলিতে আজ চোখে পড়ে অসংখ্য হস্তশিল্পের দোকান। দোকানের পণ্যগুলো দেশের বাজার ছাড়িয়ে বিদেশের বাজারেও স্থান করে নিচ্ছে। তাই এখন এ জেলার স্লোগান হচ্ছে। "ফরিদপুরের নকশিকাঁথা, বাংলাদেশের গর্বগাথা"।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের বিষয়বস্তুর বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- "যেথা পাই চিত্রময়ী বর্ণনার বাণী কুড়াইয়া আনি।"- ব্যাখ্যা করো।
- উত্তরাধিকার' কাব্যের কবি কে?
- 'জীবন বন্দনা' - কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত ?
- ছাতা ব্যবহারের অধিকার ছিল না কাদের?
- কোনটি কাব্য নাট্যের অংশ
- ‘আমার প্রেম আমার প্রতিনিধি’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- ’যৌবনের গান’ রচনাটি প্রকৃতপক্ষে-
- ‘দেশে বিদেশে’-এর লেখক কে?