ঘড়িয়াল, মিঠাপানির কুমির কোন প্রানীভৌগোলিক অঞ্চলের এন্ডেমিক প্রানী?
JUUnit-DSet-3জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনপ্রাণিভৌগোলিক অঞ্চল (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
ওরিয়েন্টাল
Explanation: ঘড়িয়াল ও মিঠা পানির কুমির ওরিয়েন্টাল প্রানীভৌগোলিক অঞ্চলের এন্ডেমিক। A (অস্ট্রেলিয়ান), B (ইথিওপিয়ান), এবং D (প্যালিআর্কটিক) অঞ্চলে এদের পাওয়া যায় না। নোট: এই অঞ্চলের পরিবেশ ঘড়িয়ালের প্রজনন ও বেঁচে থাকার জন্য উপযুক্ত।
Another Explanation (5):
প্রশ্নের উত্তর: ঘড়িয়াল ও মিঠাপানির কুমির কোন প্রানীভৌগোলিক অঞ্চলের এন্ডেমিক প্রানী?
ঘড়িয়াল (Gharial) ও মিঠাপানির কুমির (Freshwater Crocodile) এন্ডেমিক প্রানী হিসেবে পরিচিত, অর্থাৎ এই প্রানীগুলি নির্দিষ্ট একটি ভৌগোলিক অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
অ্যাকাডেমিক ব্যাখ্যা / বিশ্লেষণ:
- অ্যান্ডেমিক প্রানী বলতে বোঝায়, এমন প্রানী বা উদ্ভিদ যারা নির্দিষ্ট একটি অঞ্চলের মধ্যে সীমিত থাকে এবং অন্য কোথাও দেখা যায় না।
- ঘড়িয়াল (Gharial) ও মিঠাপানির কুমির ভারতের বিশেষ কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- এই প্রানীগুলির প্রাকৃতিক আবাসভূমি মূলত ওরিয়েন্টাল বা অ্যাশিয়ান অঞ্চলে অবস্থিত।
- অর্থাৎ, এই প্রানীগুলি মূলত এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোতে দেখা যায়।
প্রধান অঞ্চল:
| প্রাণীর নাম | প্রধান প্রাকৃতিক আবাসভূমি | ভৌগোলিক অঞ্চল |
|---|---|---|
| ঘড়িয়াল (Gharial) | ভারত ও নেপাল | ওরিয়েন্টাল / এশিয়ান |
| মিঠাপানির কুমির (Freshwater Crocodile) | ভারত, বাংলাদেশ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া | ওরিয়েন্টাল / এশিয়ান |
উপসংহার:
অতএব, ঘড়িয়াল ও মিঠাপানির কুমির "ওরিয়েন্টাল" বা অ্যাশিয়ান প্রানীভূগোল অঞ্চলের এন্ডেমিক প্রানী। 🎉🌏
Option A Explanation:
অস্ট্রেলিয়ান
- অস্ট্রেলিয়ান প্রানীভূমি বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে প্রাচীন এবং অনন্য প্রাণীদের জন্য পরিচিত।
- এটি পৃথিবীর একমাত্র মহাদেশ যেখানে অনেক প্রকারের এন্ডেমিক প্রাণী পাওয়া যায়, যার মধ্যে অনেকগুলোই এই মহাদেশের বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
- অস্ট্রেলিয়ান এন্ডেমিক প্রাণীদের মধ্যে ঘড়িয়াল ও মিঠাপানির কুমির অন্যতম, যেগুলি মূলত এই অঞ্চলের জলাভূমি ও নদীসমূহে দেখা যায়।
- এই প্রাণীরা অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় পরিবেশের অংশ, এবং তাদের বাসস্থান ও জীবনযাত্রা এই মহাদেশের জলজ পরিবেশের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত।
Option B Explanation:
- ইথিওপিয়ান প্রজাতি: ইথিওপিয়ান প্রজাতি হলো সেই প্রজাতিগুলি যা শুধুমাত্র ইথিওপিয়া ভূখণ্ডে পাওয়া যায়।
- প্রাকৃতিক পরিবেশ: এই প্রজাতিগুলি সাধারণত উষ্ণ এবং শুষ্ক আবহাওয়া সম্পন্ন অঞ্চলে বাস করে, যেমন মরুভূমি এবং শ্যামলক্ষেত্র।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এদের শারীরিক গঠন ও জীবনযাত্রার ধরণ অন্য প্রজাতিগুলির থেকে আলাদা, যা তাদের স্থানীয় পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়া।
- প্রজনন ও খাদ্যাভ্যাস: ইথিওপিয়ান প্রজাতিগুলি নির্দিষ্ট ধরনের খাদ্য গ্রহণ করে এবং নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে প্রজনন করে, যা তাদের অনন্য বৈশিষ্ট্য।
Option C Explanation:
- অঞ্চল: ওরিয়েন্টাল অঞ্চল, যা এশিয়া মহাদেশের একটি বৃহৎ অংশকে নির্দেশ করে।
- অবস্থান: এই অঞ্চলটি ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, এবং পূর্ব এশিয়া সহ বিভিন্ন দেশ ও প্রদেশের মধ্যে বিস্তৃত।
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলটির জলবায়ু সাধারণত উষ্ণ, আর্দ্র ও মৌসুমি।
- প্রাণী: এই অঞ্চলে অনেক প্রজাতির জীবজন্তু দেখা যায়, যার মধ্যে কিছু বিশেষ প্রজাতি এই অঞ্চলের জন্মভূমি।
- প্রকৃতি ও বাসস্থান: এই অঞ্চলের বিভিন্ন জলপ্রপাত, নদী, জলাভূমি ও বনভূমি এই অঞ্চলের বিভিন্ন প্রাণীর আবাসস্থল।
Option D Explanation:
- প্যালিআর্কটিক অঞ্চল: এটি পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের একটি বৃহৎ ভূগোলিক অঞ্চল, যা উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকার কিছু অংশকে অন্তর্ভুক্ত করে।
- প্রাকৃতিক বাসস্থান: এই অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের জলজ ও স্থলপ্রাণী দেখা যায়, যেমন মাছ, পাখি, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণী।
- প্রাণী বৈচিত্র্য: প্যা???িআর্কটিক অঞ্চলে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের কুমির ও ঘড়িয়াল দেখা যায় না, তবে কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতি এই অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলের জলবায়ু মূলত ঠান্ডা থেকে মরুপ্রধান, যা এই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্যকে প্রভাবিত করে।