পৃথকীকরণ সূত্র অনুযায়ী একটি বিশুদ্ধ কাল (BB) বর্ণের গিনিপিগের সাথে একটি বিশুদ্ধ বাদামী (bb) বর্ণের গিনিপিগের সংকরায়ন ঘটলে F2 জনুতে গিনিপিগের কাল ও বাদামী বর্ণের অনুপাত হবে-

পৃথকীকরণ সূত্রানুসারে গিনিপিগের বর্ণ সংকরায়ণ
পৃথকীকরণ সূত্র (Law of Segregation) অনুযায়ী, যখন বিপরীত বৈশিষ্ট্যযুক্ত দুটি জীবের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটানো হয়, তখন প্রথম বংশধরে (F1) প্রকট বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশিত হয়। কিন্তু দ্বিতীয় বংশধরে (F2) উভয় বৈশিষ্ট্যই একটি নির্দিষ্ট অনুপাতে ফিরে আসে।
গিনিপিগের ক্ষেত্রে উদাহরণ
ধরা যাক, একটি বিশুদ্ধ কালো (BB) বর্ণের গিনিপিগের সাথে একটি বিশুদ্ধ বাদামী (bb) বর্ণের গিনিপিগের সংকরায়ণ ঘটানো হলো। এখানে 'B' হলো কালো বর্ণের অ্যালিল এবং 'b' হলো বাদামী বর্ণের অ্যালিল।
F1 জনু
- জনক জনু (P): BB (কালো) × bb (বাদামী)
- গ্যামেট: B এবং b
- F1 জনু: Bb (সব গিনিপিগ কালো, কারণ কালো বর্ণ প্রকট)
- ফেনোটাইপ: 🖤কালো (সংকর)
F2 জনু
F1 জনুর দুটি গিনিপিগের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটানো হলে F2 জনুতে নিম্নলিখিত ফলাফল পাওয়া যায়:
| B | b | |
|---|---|---|
| B | BB (কালো) 🖤 | Bb (কালো) 🖤 |
| b | Bb (কালো) 🖤 | bb (বাদামী) 🤎 |
F2 জনুতে জিনোটাইপ এবং ফিনোটাইপের অনুপাত:
- জিনোটাইপিক অনুপাত: BB : Bb : bb = 1 : 2 : 1
- ফেনোটাইপিক অনুপাত: কালো : বাদামী = 3 : 1
ফলাফল
সুতরাং, F2 জনুতে গিনিপিগের কালো ও বাদামী বর্ণের অনুপাত হবে ৩:১।🎉
ব্যাখ্যা
পৃথকীকরণ সূত্রানুসারে, অ্যালিলগুলো মিশ্রিত না হয়ে জননকোষ তৈরির সময় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায়। এর ফলে F2 জনুতে উভয় বৈশিষ্ট্যই (কালো ও বাদামী) পুনরায় প্রকাশিত হয়। 👍
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া 😊