আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের এমএ ক্লাসের ছাত্র। সমাজের কল্যাণ করতে সে পছন্দ করে। একবার তার এলাকায় ব্যাপক বন্যা দেখা দেয়। গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। খাদ্য আর চিকিৎসার অভাবে সাধারণ মানুষ নানা রকম দুর্ভোগে পড়ে। সাধারণ মানুষের কষ্টে আজিজের প্রাণ কেঁদে উঠে। মানুষের এমন পরিণতি সে মেনে নিতে পারেনি। তাই সে বন্ধুদের নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।
উদ্দীপকটির ভাবের সাথে 'বিড়াল' রচনার আংশিক দিক প্রতিফলিত হয়েছে। আলোচনা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘অয়োময়’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- বাজারে ভালো দাম না পাওয়ায় রহিম আর তাঁত বোনে না।তার মেধাবী ছেলেটি লেখাপড়ার ফাঁকে ফাঁকে পত্রিকা বিক্রিকরে আর রাতে খেটে খাওয়া দারিদ্র্যের ইতিবৃত্ত রচনা করে ।উদ্দীপকে 'ঐকতান' কবিতার বৈশিষ্ট্য কীভাবেপ্রতিফলিত?
- নিদাঘ শব্দের অর্থ কী?
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় বারুণীরবোস কোথায়?
- উত্তরাধিকার' কাব্যের কবি কে?
- আহারপ্রস্তুত না হওয়ায় কমলাকান্ত হুঁকা হাতে কি ভাবছিলেন?
- ধন-রত্ন সুখৈশ্বর্য কিছুতেই সুখ নাই,সুখ পর-উপকারে, তারি মাঝে খোঁজ ভাই।'আমিত্ব'কে বলি দিয়া স্বার্থ ত্যাগ কর যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি।নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি।'পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি'- এ উক্তিতে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূলভাব প্রতিফলিত হয়েছে- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- কবর কবিতাটি কোন ধরনের রচনা?
- ১১৮৯ সনে কৃষকনেতা নূরলদীন কীসের ডাকদিয়েছিলেন?
- অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে সীতার সঙ্গে রামচন্দ্রের সম্পর্ককে বেগম রোকেয়া কিভাবে উল্লেখ করেছেন ?
- কেরোসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে,ভাই বলে ডাক যদি দেব গলা টিপে।হেনকালে গগনেতে উঠিলেন চাঁদা,কেরোসিন বলি উঠে, এসো মোর দাদা। -পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- ”কলিমুদ্দি দফাদার” গল্পের ঘটনাকাল ১৯৭১ সালের-
- "স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে;পড়ি কি ভূতলে শশী খান গড়াগড়িধূলায়?” – বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- 'ঐকতান' কবিতায় কবি জ্ঞানের দীনতা অনুভব করেছেন কেন?
- আরাকান রাজসভার সাহিত্যিক ছিলেন?
- মহাজাগতিক কিউরেটরদ্বয় মানুষ সম্পর্কে সিদ্ধান্তেউপনীত হয় যে মানুষ—
- প্রাচীন গ্রীসের স্থাপাত্য কলায় নন্দিত শহর কোনটি?
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে’ কবিতায় কবি অরুণকে তুলনা করেছেন-
- চারদিকে নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন হচ্ছে। উক্ত বিপর্যয় রক্ষা করতে প্রয়োজন মানুষের -উদারতাউদাসীনতাসংবেদনশীলতানিচের কোনটি সঠিক?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।উদ্দীপকটির সাথে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের বিষয়গত অনৈক্য রয়েছে। আলোচনা কর।