পঁচিশে মার্চের রাতে হানাদার বাহিনী ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইনস আক্রমণ করলে মুমিনের বাবা প্রাণ হারান। বাবা মারা যাওয়ার পর মুমিনের দাদা ওদের পরিবারের সকলকে গ্রামে নিয়ে যান। তখন থেকেই মুমিন প্রতিজ্ঞা করে- তার বাবার হত্যার প্রতিশোধ নিতে হবে। খানদের তাড়াতে হবে এ দেশ থেকে।
উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি চিহ্নিত করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- ঢাকা জেলার নিচু এলাকার জলাভূমিগুলো ভূমিদস্যুদের কবলে পড়ে ক্রমাগত নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। দিনের পর দিন মাটি ফেরে ভরাট করা হচ্ছে ঐসব জলাশয়। ফলে ঢাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন লুপ্ত হচ্ছে হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। সচেতন নাগরিক সমাজ জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘটসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে তারা। কিন্তু ভূমিদস্যুদের তৎপরতা বন্ধ হয় না কিছুতেই।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের ভূমিদস্যুদের এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজদের মনোভাব এক ও অভিন্ন।"- বিশ্লেষণ কর।
- ইতিহাস বলে সম্রাট বাবরের মৃত্যুর পর তার জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ুন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তার বয়স মাত্র বাইশ বছর। একদিকে অল্প বয়সে শাসনকার্যের গুরুদায়িত্ব, অন্যদিকে সিংহাসনে বসার পর থেকেই চলে নানামুখী ষড়যন্ত্র। এ রকম প্রতিকল পরিস্থিতিতেও যুবক শাসক হুমায়ুন ঠিকভাবে হাল ধরে অত্যন্ত সাহসিকতায় শাসনকার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুনের ভাইয়েরা এবং আত্মীয়-স্বজনেরা যদিও সহযোগিতার পরিবর্তে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল, তথাপি দুর্দান্ত প্রতাপে শক্ত হাতে সবকিছুর মোকাবেলা করেন তিনি।উদ্দীপকের হুমায়ুনের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে এবং কীভাবে? আলোচনা করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্তকরেছিলেন?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজউদ্দৌলার উপস্থিতিআছে কয়টি দৃশ্যে?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- জুলিয়াস সিজার যখন রোমের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন তখন তার সিনেটরদের অনেকেই তা মেনে নিতে পারেনি। তারা সিজারকে হত্যার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে তার স্বজনদের অনেকেই হাত মেলায় হীনস্বার্থ উদ্ধারের অভিপ্রায়ে। যার মধ্যে ছিল সিজায়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাস। উদ্ধত ব্রুটাস ছুরি হাতে সিজারকে হত্যা করতে এলে সিজার নিদারুণ বেদনায় শুধু বলেন, "ব্রুটাস তুমিও।""উদ্দীপকের ব্রুটাস যেন মিরজাফরেরই প্রতিচ্ছবি"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- নাটকে সংলাপের ভূমিকা- চরিত্রের অনুভূতিকে প্রকাশ করে চরিত্রকে গতিশীল ও সক্রিয় রাখে কাহিনির বিকল্প ভূমিকা পালন করেনিচের কোনটি সঠিক?
- প্রাচীন গ্রিস প্রজাতন্ত্রী নগররাষ্ট্র ছিল। 'জুলিয়াস সিজার একজন সফল সেনাপ্রধান ছিলেন। কালক্রমে জুলিয়াস সিজার একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। তাঁর এ নীতির সমর্থন দেন তাঁর স্নেহভাজন ব্রুটাস। পরবর্তীতে সিনেটররা রাষ্ট্রের কল্যাণার্থে সিজারকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেন। ব্রুটাস তখন ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে যোগ দেন। নিরস্ত্র সিজারকে সিনেটররা একের পর এক ছুরিকাঘাত করতে থাকে। যখন ত??ঁর প্রিয় ব্রুটাস তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন তখন সিজার হতবাক হয়ে বলে, Et tu, Brue অর্থ: ও ব্রুটাস তুমিও?উদ্দীপকে জুলিয়াস সিজারের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে এবং কিভাবে? আলোচনা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময়কাল কত?
- "…………… সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?" বক্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ঘসেটি বেগম সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন কেন?
- এতিম ফারুককে রাস্তা থেকে শিশু অবস্থায় কুড়িয়ে এনেবড় করেছে গণেশের বাবা। অথচ ফুটবল খেলতে গিয়েসামান্য কথা কাটাকাটির জের ধরে গণেশকে কুপিয়েহত্যা করে ফারুক । 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি উদ্দীপকেউপস্থিত?
- ট্র্যাজেডি হিসেবে' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
- কালাম ভাড়া করা বাড়িতে বসবাস করে। দীর্ঘদিন একবাড়িতে থাকার সুবাদে বাড়িওয়ালা আনোয়ারের সাথেসুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। আনোয়ারের চাচাত ভাই জামিলসম্পত্তির লোভে আনোয়ারকে হত্যা করতে উদ্যত হয়।জামিলের এ তৎপরতা অন্যায় জেনে বাধা দেয় কালাম।অবশেষে জামিলের হাতে নিহত হয় কালাম ।উদ্দীপকের কালামের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রকে তুলনা করা যায়?
- আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্যাপিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের অসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ চরিত্রের করুণ পরিণতি আলোচনা করো।
- "কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ মিরমর্দান।"- কার উক্তিটি, কেন করেছিল?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম যথার্থভাবে ভেবেছিলেন এবং বুঝেছিলেন সকল দুঃশাসক ও শোষকের জুলুম নিপীড়ন থেকে উদ্ধার পাবার শ্রেষ্ঠ অবলম্বন হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্র। এ শিক্ষা তিনি ইতিহাস থেকে লাভ করেছিলেন। তাই তিনি আমাদের এই উপমহাদেশের মুক্তির জন্য যুদ্ধকেই প্রধান মাধ্যম হিসেবে গণ্য করেছিলেন। তার কবিতায় এ চেতনা লক্ষ করা যায়।উদ্দীপকের কবি নজরুলের চেতনার সাথে নবাব সিরাজের চেতনার সাদৃশ্য নিরূপণ কর।
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।"বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়।"- এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনীর আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- 'শোনো, একদিন এই দেশটাতেদানবেরা দেয় হানাশকুনেরা মেলে ডানাপুড়ে ছারখার মাঠের শস্য'মানুষের আস্তানা।'উদ্দীপকের 'দানবেরা', 'শকুনেরা' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- মহাকবি বাল্মীকির "রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির ভাষিক রূপ। রামায়ণের কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজিয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। রাবণ চরিত্র তাঁর অনন্য সৃষ্টি। রাবণ দেশপ্রেমিক ও অসাধারণ এক বীর। সহোদর বিভীষণ বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী। বহিঃশক্তি রাম-লক্ষ্মণ তার দোসর। তার দেখানো পথেই লক্ষ্মণ রাবণপুত্র নিরস্ত্র মেঘনাদকে হত্যা করে বিভীষণের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধে রাবণকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয় এবং বিজয় সূচিত হয় বহিঃশক্তির।'বিশ্বাসঘাতকতাই রাবণ ও সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।'-'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।