সয়াবিনের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
সঠিক উত্তরঃ
A.
Glycine max
Explanation:
প্রশ্ন: সয়াবিনের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
এই প্রশ্নের মাধ্যমে সয়াবিনের বৈজ্ঞানিক নাম চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে।
অপশনগুলো বিশ্লেষণ:
- Glycine max কারণ: এটি সয়াবিনের সঠিক বৈজ্ঞানিক নাম। এটি সঠিক উত্তর।
- Allium cepa কারণ: এটি পেঁয়াজের বৈজ্ঞানিক নাম, সয়াবিনের নয়।
- Copsychus saularis কারণ: এটি দোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক নাম, সয়াবিনের নয়।
- Oryza sativa কারণ: এটি ধানের বৈজ্ঞানিক নাম, সয়াবিনের নয়।
নোট:
এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানার জন্য শিক্ষার্থীদের বৈজ্ঞানিক নাম সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকা প্রয়োজন। সয়াবিনের বৈজ্ঞানিক নাম Glycine max। সয়াবিন (Glycine max) হলো এক প্রকারের শুঁটি জাতীয় উদ্ভিদ। এটির আদি নিবাস পূর্ব এশিয়াতে।[২] এটি একটি বাৎসরিক উদ্ভিদ। অতিরিক্ত চর্বিবিহীন সয়াবিন দিয়ে তৈরি খাবার প্রাণী দেহের জন্যে প্রয়োজনিয় প্রোটিনের প্রাথমিক উৎস।Option A Explanation:
- Name: Glycine max
- Common Name: Soybean
- Scientific Classification:
- Kingdom: Plantae
- Family: Fabaceae (Leguminosae)
- Genus: Glycine
- Species: G. max
- Uses:
- Source of protein-rich food
- Used in various culinary dishes
- Contains isoflavones with health benefits
- Notes: Not traditionally considered an medicinal or medicinally significant plant but valued for its nutritional content.
Option B Explanation:
- বৈজ্ঞানিক নাম: Allium cepa
- অর্থ: এটি পেঁয়াজের বৈজ্ঞানিক নাম।
- ব্যবহার: কৃষি, উদ্ভিদবিজ্ঞান এবং খাদ্যশিল্পে পেঁয়াজের জন্য এই নাম ব্যবহৃত হয়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি লিলি পরিবারের অন্তর্গত একটি বার্ষিক বা দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ।
- উৎপত্তি: এই নামটি প্রাচীন গ্রীক ও লাতিন ভাষা থেকে উদ্ভূত।
Option C Explanation:
- প্রজাতি: Copsychus Saularys
- পরিবার: Muscicapidae (অন্য নামঃ ড্রাইভ বা চিরুনি পাখি পরিবার)
- বর্ণনা: এটি একটি ছোট পাখি, সাধারণত গাছে বসবাস করে এবং সূর্যোদয় ও সন্ধ্যায় গান গায়।
- অঞ্চল: এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়, বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও অন্যান্য দক্ষিণ এশিয়ার দেশের বনাঞ্চলে।
- খাদ্য: মূলত কীটপতঙ্গ, ছোট পোকা ও অন্যান্য ছোট জীবজন্তু খেয়ে জীবন ধারণ করে।
Option D Explanation:
- অন্য নাম: চাল
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ধানজাতীয় শস্য, যা মূলত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে উৎপন্ন হয়।
- ব্যবহার: খাদ্য হিসেবে প্রধানত ভাত হিসেবে খাওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহার হয়।
- উৎপত্তি: এশিয়া মহাদেশে এর উৎপত্তি।
- উৎপাদনকারী দেশসমূহ: চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশসহ অন্যান্য দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো।