বাংলাদেশ মিয়ানমার সমুদ্রসীমা মামলার রায় হয়–
A. ১৫ জুন ২০০৯
B. ১৪ মার্চ ২০১২
C. ১৮ এপ্রিল ২০১২
D. ২০ মে ২০১০
সঠিক উত্তরঃ
B.
১৪ মার্চ ২০১২
Explanation: জামার্নির হামবুর্গে সমুদ্র আইন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ১৪ মার্চ ২০১২ সালে এই রায় ঘোষণা করে। এই রায়ে ১ লাখ ১১ হাজার বর্গ কি.মি. প্রদান করা হয় ফলে উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত সমুদ্রসীমায় বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। ৭ জুলাই, ২০১৪ সালে PCA বাংলাদেশ ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধের রায় প্রদান করে ফলে ২৫,৬০২ বর্গ কি.মি. এর মধ্যে ১৯,৪৬৭ বর্গ কি.মি. এলাকা লাভ করে। ফলে বাংলাদেশের সমুদ্র সীমার মোট আয়তন দাড়ায় ১,১৮,৮১৩ বর্গ কি.মি.।
Related Questions (Any University/Year)
- হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়–
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার কোথায় অবস্থিত?
- বাংলাদেশে সম্প্রতি এই জেলায় চা বাগান করা হয় -
- উপকূল হতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয়–
- বাগদা চিংড়ি কোন দশক থেকে রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান করে নেয়?
- বাংলাদেশের মোট আবাদয্যেগ্য জমির পরিমাণ প্রায় কত?
- বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে–
- বাংলাদেশে প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারী প্রতিষ্ঠান-
- ‘বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?
- ‘অগ্নিশ্বর’ কি ফসলের উন্নত জাত?
- বাংলাদেশে বার্ষিক চা উৎপাদনের পরিমাণ হচ্ছে প্রায়-
- ‘অগ্নিশ্বর’, ‘কানাইবাঁসি’, ‘মোহনবাঁশী’ ও ‘বীটজবা’ কি জাতীয় ফলের নাম?
- ‘ইরাটম’ কি?
- অভ্যন্তরীন কন্টেইনার ডিপো কোথায় অবস্থিত?
- বাংলাদেশের বিদ্যুৎ শক্তির প্রধান উৎস কী?
- কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম কোনটি?
- ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কী?
- বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ কোনটি ?
- বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় কোন সনে?