শিক্ষার লক্ষ্য হচ্ছে জ্ঞানচর্চা ও মনুষ্যত্বের বিকাশ সাধন। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষার লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার আগ্রহ কম। আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য তারা নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলে না। তাই আত্ম প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের খুঁটির জোরের আশ্রয় নিতে হয়। ফলে জ্ঞানার্জনের আনন্দ থেকে তারা দূরে সরে পড়ে। এভাবে তারা নিজেদের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে। পরিণতিতে তাদের মধ্যে জন্ম নেয় হতাশা ও পরনির্ভরশীলতা।
উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের মিলসমূহ চিহ্নিত কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কে মিথ্যাকে ভয় পায়?
- সুন্দরগঞ্জ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রায়হান চৌধুরী সত্যের পথে থেকে সারা জীবন অতিবাহিত করেছেন। তিনি মিথ্যা, ভণ্ডামি পছন্দ করতেন না। তিনি মনে করতেন, মিথ্যা ক্ষণিকের লুকোচুরি খেলা যা মানুষের আত্মবিশ্বাসকে দুর্বল করে দেয়। শিক্ষার্থীদেরও তিনি মিথ্যাকে পরিহার করে সত্যের সুকঠিন পথে চলার উপদেশ দিতেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বলতেন, "সত্যই একমাত্র নিজেকে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসের সাথে দাঁড়াতে সাহায্য করে।''উদ্দীপকের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিকটির মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- রহমান গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব দবির সাহেব রাশভারী মানুষ। আনুগত্যের ভাব দেখিয়ে সকলে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল শাকিল সাহেব তা করেন না; যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। এ কারণে সহকর্মীরা শাকিল সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। কিছুদিন পর প??রতিষ্ঠানে একটি 'ম্যানেজার'-এর পদ শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে নানাভাবে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সকলে বিস্মিত হয়ে যায়। কারণ, সেই পদের নিয়োগপত্র পান শাকিল সাহেব।উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের বক্তব্য পুরোপুরি ধারণ করতে পেরেছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- "মানুষ মাত্রই ভুল করে। জীবনের চলার পথে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তাহলে তাকে স্বীকার করে নেওয়ার মধ্যে কোনোলজ্জা নেই।' ভুল থেকেই মানুষ সঠিক শিক্ষাপেতে পারে।উদ্দীপকটি কোন লেখকের লেখার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ?
- 'যে আছে মাটির কাছাকাছি,/সে কবির বানী - লাগি কান পেতে আছি।' - পঙক্তি গুলি কোন কবির কবিতাংশ?
- আমি জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অন্তরে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছি। কত রাত্রি অনুশোচনায় ঘুম হয় নাই। এখন ভুল বুঝতে পেরেছি। এখন সোজা এই বুঝেছি যে, আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব, বলে বেড়াব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোট হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মনির্যাতন ভোগ করব না।উদ্দীপকের ভাবার্থের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখকের মনের যে সাদৃশ্যপূর্ণ ভাবের পরিচয় পাওয়া যায় তা আলোচনা করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের মোট ৫টি গ্রন্থ বিভিন্ন সময়ে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাজেয়াপ্ত করে। কোন বইটি প্রথম বাজেয়াপ্ত হয়?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে আমার পথ আমাকে কী দেখাবে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাকে লেখক সালাম জানিয়েছেন?
- 'পৃথিবীতে এমন কেউ কেউ আছেনমিথ্যার সাথে করেন না আপসকোথাও মেকি দেখলেই ঝরেতাদের রোষকেউ কেউ বলে এটা তাদের দোষঅনেকেই, তাদের বাহবা দিয়ে বলেআছে বটে সাহস।'"উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূলভাবের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- নিজেকে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সক্রেটিস বলেছেন, 'নিজেকে জানো।' এ কথা সকলেই জানে যে, আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে নির্মিত হয় ব্যক্তিত্ববোধ। আর প্রবল ইচ্ছাশক্তিই পরাধীনতার জাল থেকে বের করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। সুতরাং, ইচ্ছাশক্তি ও সত্য পথকে ধারণ করে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে।উদ্দীপকের 'নিজেকে জানো' এই কথাটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল বিষয়বস্তুকে নির্দেশ করে কি না তা নিজের ভাষায় তুলে ধরো।
- দীর্ঘদিন ভারতের পরাধীনতার কারণ ব্যাখ্যার নজরুলের মতামত লেখো।
- “আমার পথ? প্রবন্ধে কবি কাজী নজরুল ইসলামের পথ প্রদর্শক কে?
- নিজের সত্যকেই নিজের কর্ণধার মনে জানলে নিজের শক্তির ওপর কী আসে?
- রাজবন্দীর জবানবন্দি কী ধরনের রচনা?
- শিক্ষার লক্ষ্য হচ্ছে জ্ঞানচর্চা ও মনুষ্যত্বের বিকাশ সাধন। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষার লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার আগ্রহ কম। আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য তারা নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলে না। তাই আত্ম প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের খুঁটির জোরের আশ্রয় নিতে হয়। ফলে জ্ঞানার্জনের আনন্দ থেকে তারা দূরে সরে পড়ে। এভাবে তারা নিজেদের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে। পরিণতিতে তাদের মধ্যে জন্ম নেয় হতাশা ও পরনির্ভরশীলতা।"নিজের বিশ্বাস আর সত্যকে প্রকাশ করতে না জানলে তৈরি হয় পরনির্ভরতা" উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে মন্তব্যটি বিচার কর।
- নিচের কোনটি কাজী নজরুলের প্রবন্ধ?
- 'মেকি' শব্দের অর্থ কী?
- স্বপ্নচূড়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মি. রহমান রাশভারি মানুষ। কর্মচারীরা আনুগত্যের ভাব প্রকাশে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল মতিন সাহেব তা করেন না। যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। সহকমিরা মতিন সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। চেয়ারম্যান সাহেবও মাঝে মধ্যে মতিন সাহেবের গোঁয়ারতুমিতে বিরক্ত হন। হঠাৎ কোষাধ্যক্ষের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। কারণ সেই পদের নিয়োগপত্র পান মতিন সাহেব।'মতিন সাহেবের আমিত্ব তাঁকে উক্ত পদের সম্মানে ভূষিত করে'- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে আমিত্বের স্বরূপ বিশ্লেষণ করো
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম।'-উক্তিটির তাৎপর্য কী?