ব্যাকটেরিওফাজ এক ধরনের
সঠিক উত্তরঃ
B.
ভাইরাস
Explanation:


Another Explanation (5): ```html
ব্যাকটেরিওফাজ এক ধরনের কী?
ব্যাকটেরিওফাজ হলো ভাইরাসের একটি প্রকার, যা ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে। এটি একটি অতি ক্ষুদ্র জীবাণু, যা শুধুমাত্র জীবন্ত কোষে প্রবেশ করে তার প্রতিলিপি সৃষ্টি করে।
বিস্তারিত ব্যাখ্যা
- প্রকার: ভাইরাস 😷
- আকার: খুবই ছোট, সাধারণত ২০-২০০ ন্যানোমিটার 📏
- কর্মপ্রণালী: ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রবেশ করে তার DNA বা RNA কে ব্যবহার করে নিজস্ব কপি তৈরী করে 😤
- প্রভাব: ব্যাকটেরিয়াকে জীবিত থেকে অকার্যকর করে দেয়, ফলে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ হয়।
ব্যাকটেরিওফাজের গঠন
| উপাদান | বর্ণনা |
|---|---|
| নাইটোবডি | ভাইরাসের বাহ্যিক কাঠামো, যা প্রোটিনের তৈরি। 🛡️ |
| নুক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) | ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান, যা তার প্রজননের জন্য অপরিহার্য। 🧬 |
| প্রোটিন ক্যাপসিড | নাইটোবডির আচ্ছাদন, যা ভাইরাসের সুরক্ষা দেয়। 🧫 |
উপসংহার
সারসংক্ষেপে, ব্যাকটেরিওফাজ হলো এক ধরনের ভাইরাস, যা বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে। এটি জীবাণুর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই ভাইরাসের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়ার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়। 😊🚀
```Option A Explanation:
ছত্রাকের বিস্তারিত
- প্রকার: প্রোক্যারিওটিক কোষ
- বৈশিষ্ট্য:
- প্রোক্যারিওটিক কোষের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর নিউক্লিয়াসের অভাব।
- এগুলি সাধারণত ছোট আকারের হয় এবং নিউক্লিয়াসের মধ্যে ডি.এন.এ. ধারণ করে না।
- অন্য নাম: ছত্রাকের জন্য সাধারণভাবে "ফাঙ্গি" ও বলা হয়।
- উদাহরণ: ছত্রাকের বিভিন্ন প্রকার যেমন মুশরুম, শৈবাল, ছত্রাকের বিভিন্ন প্রজাতি।
- অন্য বৈশিষ্ট্য:
- এগুলো সাধারণত মৃত্তিকা, উদ্ভিদ ও প্রাণীর উপর বাস করে।
- শারীরিক গঠন সাধারণত ডাঁটা, শিকড়, বা শাখা-প্রকারের হয় না।
Option B Explanation:
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- প্রাকৃতিক জীবজন্তু নয়: ভাইরাস জীবন্ত বা অজীবন্ত, এই বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবে তারা সাধারণ জীবের মতো কোষে বিভাজন করে না।
- কোষ বিভাজন নয়: ভাইরাসের কোষ নেই এবং তারা নিজে থেকে বিভাজিত হয়ে জীবিত হয় না। তারা কেবল হোস্ট কোষের মধ্যে প্রবেশ করে পুনরুত্পাদন করে।
- অপ্রচলিত জীবনচক্র: ভাইরাসের জীবনচক্র সাধারণ কোষের বিভাজনের মতো নয়, বরং তারা হোস্টের মেলিকুল বা কোষের উপাদান ব্যবহার করে নিজেকে কনভার্ট করে।
- অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা কোষের অভাব: ভাইরাসের কোনও কোষ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নেই।
Option C Explanation:
সায়ানোব্যাকটেরিয়া
- প্রকার: প্রাথমিকভাবে কেলাসিত ব্যাকটেরিয়া (প্রথম জীবের মধ্যে একটি বিশেষ গোষ্ঠী)
- বিশেষত্ব: তারা ফটোসিন্থেসিস করতে পারে, যা তাদের সূর্যরশ্মি থেকে শক্তি সংগ্রহে সক্ষম করে
- অবস্থান: জলজ পরিবেশে সাধারণ, যেমন পুকুর, নদী ও সমুদ্রের গভীর অংশে পাওয়া যায়
- ভূমিকা: পরিবেশে অক্সিজেন উৎপাদন করে, ও প্রাকৃতিক চক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
- উৎপত্তি: এটি ব্যাকটেরিয়ার একটি বড় গোষ্ঠী, যা বিভিন্ন ধরণের জীবনচক্র ও আচরণ দেখায়
Option D Explanation:
- প্রকার: ব্যাকটেরিয়া এককোষী প্রোটোকেরিয়া।
- কোষ বিভাজন: সাধারণত ব্যাকটেরিয়া কোষ বিভাজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি ও পুনরুত্পাদন করে। এটি মূলত: অঙ্কুরোদগম (binary fission) নামে পরিচিত।
- অ্যামাইটোসিসের অভাব: অ্যামাইটোসিস একটি নির্দিষ্ট ধরনের কোষ বিভাজন, যা সাধারণত ইউক্যারিওটিক কোষে দেখা যায়। ব্যাকটেরিয়া প্রোটোকেরিয়া হওয়ায় তাদের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া অ্যামাইটোসিস নয়, বরং binary fission।
- উপসংহার: তাই, ব্যাকটেরিয়া কোষ বিভাজন অ্যামাইটোসিসের মাধ্যমে হয় না।