সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা কাব্যগ্রন্থ কোনটি ?
A. বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়
B. আর্ত শব্দাবলী
C. বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা
D. পূর্বাভাস
সঠিক উত্তরঃ
D.
পূর্বাভাস
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- বহুতল ভবন দয়াল টাওয়ারে আগুন লাগার পর কালো ধোঁয়ায় চারদিকে ছেয়ে যায়। উৎসুক মানুষের ভিড়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সগুলো ঠিকমতো চলাচল করতে পারছিল না। ঠিক তখনই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। হাতে হাত ধরে যান চলাচল ও অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছিল তারা।উদ্দীপকে বর্ণিত শিক্ষার্থীদের চরিত্রে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত কোন বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- আমরা নূতন যৌবনের দূতআমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুত।আমরা বেড়াভাঙি।আমরা অশোকবনেররাঙা নেশায় রাঙি।ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই-আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।উদ্দীপকের 'আমরা করি ভুল' পংক্তির সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বিষয়ের সঙ্গতি রয়েছে? বর্ণনা কর।
- ‘আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তরুণেরা শপথেরকোলাহলে কী সঁপে দেয়?
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই-যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যরে মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে। তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদায়ী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অন্ত। যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থ পরিপূর্ণভাবে ফুটে উঠেছে কি না, তা বিশ্লেষণ করো।
- প্রাণ দেয়া নেওয়ার ঝুলিটা থাকে না শূণ্য - পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- 'রক্তদানের পুণ্য' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ফ্যাসিবাদবিরোধী কাব্যগ্রন্থ 'আকাল' সম্পাদনা করেন কে?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
- আঠারো বছর বয়সীদের তাজা প্রাণে কেমন যন্ত্রণারসৃষ্টি হয়?
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই-যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যরে মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে। তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদায়ী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অন্ত। যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।উদ্দীপকের বক্তব্যের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য নির্দেশ করো।
- গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরায় ঘটে যাওয়া রক্তাক্ত বিভীষিকা আজও আমায় স্তম্ভিত করে দেয়। বিপন্ন মানবতার আর্তচিৎকারে ভারি হয়ে ওঠে আকাশ-বাতাস। ফারাজ আইয়াজ হোসেন, এক প্রাণবন্ত যুবক। বিপদের মুখে বন্ধুদের ছেড়ে আসতে রাজি না হওয়ায় দুষ্কৃতকারীদের হাতে প্রাণ হারায়। সে প্রকৃত বন্ধুত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, বন্ধুত্বের জন্য জীবন উৎসর্গ করে। দৃঢ়তার সঙ্গে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ভালোবাসা ও সহানুভূতির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠী, ধর্ম ও জাতীয়তার মানুষের মানবিকতাকে একসূত্রে গ্রথিত করেছে। ব্যক্তিস্বার্থের উর্ধ্বে উঠে তার 'এই অসাধারণ চারিত্রিক দৃঢ়তা প্রদর্শন বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'- কবির এ প্রত্যাশা উদ্দীপকের ফারাজ আইয়াজ কতটুকু পূরণ করেছে? তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- "প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য'- ব্যাখ্যা করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পিতার নাম কী?
- "এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে"- পংক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছেনা চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পালটে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।"উদ্দীপকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আংশিক ভাব ধারণ করেছে।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'-কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছেন?
- আমাদের তরুণরাই দেশ ও জাতির চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়াক- এই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে নিম্নের কোন চরণে?
- বর্ণিল জগৎ সন্ধানে যারা ছুটে মেরু-অভিযানে,পক্ষ বাঁধিয়া উড়িয়া চলেছে যাহারা ঊর্ধ্বপানে।তবু থামে না যৌবন-বেগ, জীবনের উল্লাসেচলেছে চন্দ্র-মঙ্গল-গ্রহে স্বর্গে অসীমাকাশে।যারা জীবনের দাসরা বহিয়া মৃত্যুর দ্বারে দ্বারেকরিতেছে ফিরি, ভীম রণভূমে প্রাণ বাজি রেখে ছারে।আমি মরু-কবি-গাহি সেই বেদে-বেদুইনদের গান,উদ্দীপকে কবি যাদের জয়গান গেয়েছেন তাদের প্রতি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কবির মনোভাবের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- যেন গতিহীন, প্রাণহীন, সৃজনবিরাগী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রতিটি প্রাত্যহিক আজ। এ দেশের তরুপসমাজ এক অনিবার্য স্থবিরতায় ক্রমে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। মোবাইল ও মাদক তাদের এই অধঃপাতের প্রধান দুটি কারণ বলে মনে হয়। মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য যে আত্মমর্যাদা, ব্যক্তিত্ব, স্বনির্ভরতা, দুরন্ত গতিবেগ, সৃজন, নির্ভীকতা, পরোপকার, অসাম্প্রদায়িকতা, সংস্কৃতিবোধ ও স্বদেশপ্রেম তা থেকে এ দেশের যুবসমাজ নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। পক্ষান্তরে গেমিং, টিকটক করা বা দেখা, অনলাইন আসক্তি এবং নানা রকম নেশা গ্রহণে তারা এখন ডুবে আছে। আসুন এর থেকে মুক্তির পথ খুঁজি।উদ্দীপকের বর্তমান যুবসমাজ এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।