‘তাসের দেশ’ নাটকটির রচয়িতা কে?
A. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
B. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
C. অমৃতলাল বসু
D. আকবর উদ্দীন
সঠিক উত্তরঃ
A.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation: ‘তাসের দেশ’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত বিখ্যাত বাংলা নাটক। এটি তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করেন। নাটকটি ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
Related Questions (Any University/Year)
- সুকান্ত ভাচার্যের 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংগৃহীত?
- চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত পুঁথি সংগ্রাহক কে?
- ‘যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি। এর মূল উৎপাটনেরতরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি নারীশিক্ষারব্যাপক উন্নতি ঘটাতে হবে।'উদ্দীপকের সামাজিক ব্যাধি 'অপরিচিতা' গল্পের কোনচরিত্রের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে?
- এ কেবল একটি মানুষের গলা'- একথা দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- অনুপমের কাছে চিরকাল কোনটিকে বড়ো সত্য বলে মনে হয়েছে?
- 'আমার ভাগ্যে প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চাশরের কোন বিরোধ নেই'- উক্তিটি কার?
- মুক্তিযুদ্ধের বিষয় আছে যে কবিতায়-
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম কি?
- "ধলেশ্বরী নদীর তীরে পিসিদের গ্রামতাঁর দেওরের মেয়ে অভাগার সাথে তার বিবাহ ছিল ঠিকঠাকলগ্ন শুভ, নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গেল-সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে।মেয়েটা তো রক্ষা পেলআমি তথৈবচঘরেতে এলো না সে তো, মনে তার নিত্য আসা যাওয়াপরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর।'সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে'- এ চরণের আলোকে বুঝিয়ে লেখো যে, উদ্দীপকের নায়কের মতো অনুপমের বিরহের জন্য নিজের অক্ষমতাই দায়ী।
- 'অপরিচিতা' গল্পে কোন শব্দটির অর্থ প্রার্থনা?
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছু দিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গিয়াছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনও তাহার চেয়ে কিঞ্চিৎ উপরে আছে, সেই জন্য তাড়া।"উদ্দীপকের ঘটনাচিত্রে 'অপরিচিতা' গল্পের খন্ডাংশ প্রতিফলিত হয়েছে"- উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সর্বশেষ গল্প কোনটি?
- শব্দের শেষে ‘অ’ উচ্চারণ লোপ পায় না-
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো-অন্ত্যমিল বিন্যাসনাটকীয়তাসংলাপ-নির্ভরতানিচের কোনটি সঠিক?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু কোন মাসে হয়েছিল?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'স্ত্রীর পত্র' গল্পের মেজো বউ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ জানিয়ে সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। সে সমাজের শৃঙ্খল ও সংসারের জাল ছিন্ন করেছে। মেজো বউয়ের শেষ কথা ছিল'- তোমাদের গালিকে 'আমি আর ভয় করিনে। আমার সম্মুখে আজ নীল সমুদ্র, আমার মাথার উপরে আষাঢ়ের মেঘপুঞ্জ।উদ্দীপকের মেজো বউ 'অপরিচিতা' গল্পের যে দিকটি তুলে ধরেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- 'কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছু দিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোন রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গিয়াছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিত উপরে আছে আছে, সেই জন্যই তাড়া।'উদ্দীপকের ঘটনাচিত্র 'অপরিচিতা' গল্পের খন্ডাংশের প্রতিনিধিত্ব করে মাত্র- কথাটির যথার্থতা বিচার করো।
- নাট্যকার হেনরিক ইবসেন তাঁর 'নোরা' নাটকে পুরুষশাসিত সমাজের সাথে নারী ব্যক্তিত্বের সংঘর্ষ তুলে ধরেছেন সুচারুভাবে। এ নাটকেই তিনি দেখিয়েছেন। ক্ষুদ্র গৃহকোণে অবস্থান করে সংসার করাই নারীর একমাত্র কর্ম নয়, অন্তত তার নায়িকা নোরা চায় বৃহত্তর সমাজ জীবনের মধ্যে বিকাশও আত্মপ্রতিষ্ঠা।'উদ্দীপকে নোরা' চরিত্রের সাথে তোমার পঠিত গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- ‘আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়’-পরের লাইনটি কী?
- "অপরিচিতা গল্পটি" কোন পুরুষের জবানিতে লেখা?