বাংলাদেশ কবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?

প্রশ্ন: বাংলাদেশ কবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
বিকল্পসমূহ:
-
A. ১৯৯১ (Incorrect)
-
B. ১৯৯৪ (Incorrect)
-
C. ১৯৯৫ (Correct)
-
D. ১৯৯২ (Incorrect)
সঠিক উত্তর: C. ১৯৯৫
ব্যাখ্যা:
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organization - WTO) একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা বিশ্বের বাণিজ্য সংক্রান্ত নীতি প্রবর্তন এবং সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহায়তা করে। ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি WTO প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পূর্বসূরি সংস্থা ছিল জেনারেল অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফস অ্যান্ড ট্রেড (General Agreement on Tariffs and Trade - GATT), যা ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৯৫ সালে GATT-এর স্থান গ্রহণ করে WTO কার্যক্রম শুরু করে।
বাংলাদেশের সদস্যপদ:
বাংলাদেশ ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি WTO-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যপদ লাভ করে। অতএব, সঠিক উত্তর হলো বিকল্প C: ১৯৯৫।
সদস্যপদ লাভের প্রেক্ষাপট:
বাংলাদেশের WTO সদস্যপদ লাভের প্রক্রিয়া ছিল দীর্ঘ এবং গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় যুক্ত হতে আগ্রহী ছিল। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ GATT-এর সদস্যপদ লাভ করে। পরবর্তীতে, GATT-এর পরিবর্তে প্রতিষ্ঠিত WTO-তে সদস্যপদ লাভের জন্য বাংলাদেশ দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। ১৯৯৫ সালে WTO প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর, বাংলাদেশ সেই বছরের ১ জানুয়ারি সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে।
সংশ্লিষ্ট তথ্য:
-
WTO প্রতিষ্ঠা: ১ জানুয়ারি ১৯৯৫
-
বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ: ১ জানুয়ারি ১৯৯৫
-
বাংলাদেশের সদস্যপদ নম্বর: ১২৪তম
সারাংশ:
বাংলাদেশ ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি WTO-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যপদ লাভ করে, যা দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
🇧🇩বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় বাংলাদেশের সদস্যপদ
বাংলাদেশ ১৯৯৫ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organization - WTO)-এর সদস্যপদ লাভ করে। নিচে এ বিষয়ে কিছু তথ্য দেওয়া হলো:
📅সদস্যপদ লাভের তারিখ
- তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫
- সংস্থা: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও)
🎯উদ্দেশ্য
ডব্লিউটিও-এর সদস্য হওয়ার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুবিধা লাভ এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা।🤝
📊সুবিধা ও প্রভাব
সদস্যপদ লাভের পর বাংলাদেশ নিম্নলিখিত সুবিধাগুলো পেয়েছে:
- আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি 📈
- বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ 💰
- বাণিজ্য সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণে অংশগ্রহণ 🗣️
- স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বিশেষ সুবিধা লাভ ✨
🌍 সদস্যপদ লাভের প্রেক্ষাপট
ডব্লিউটিও-তে যোগদানের পূর্বে বাংলাদেশ জেনারেল এগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফ অ্যান্ড ট্রেড (GATT)-এর সদস্য ছিল। ডব্লিউটিও প্রতিষ্ঠার পর বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
📉বাণিজ্য পরিস্থিতি
ডব্লিউটিও-এর সদস্য হওয়ার পর বাংলাদেশের বাণিজ্য পরিস্থিতির একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র:
| বছর | মোট রপ্তানি (USD বিলিয়ন) | মোট আমদানি (USD বিলিয়ন) |
|---|---|---|
| ২০০০ | 5.7 | 7.5 |
| ২০১০ | 18.2 | 27.6 |
| ২০২০ | 39.0 | 54.8 |
📢গুরুত্ব
ডব্লিউটিও-এর সদস্যপদ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইন ও নীতিমালার সাথে স???মঞ্জস্য রেখে বাণিজ্য পরিচালনা করতে সাহায্য করে।✅