নিচের কোনটি অনুসরণ করে আমরা সত্যিকারের মানবকল্যাণের পথে এগিয়ে যেতে পারব-
- মহৎপ্রতিভা
- মহৎ ব্যক্তির আদর্শ
- সমাজসংস্কার
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
i ও iii
C.
ii. ও iii
D.
i,ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
A.
i ও ii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- শব্দকে ভাঙলে যে ক্ষুদ্রতম অর্থবোধক একক পাওয়া যায়, তাকে কী বলে?
- মেঘলা একজন জনপ্রিয় কলেজ শিক্ষক। একদিন তারছাত্রী রাবেয়ার বাবা মারা গেলে তার পরিবারটি একেবারে অসহায় হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় মেঘলা তার সহকর্মীদের সাথে কথা বলে রাবেয়াকে কুটির শিল্পের ব্যবসা করার প্রয়োজনীয় সব উপকরণ কিনে দেন। উদ্দীপকের মেঘলার কাজটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধালোকে কৌন ধরনের কাজ?
- 'সর্বজীবের হীত'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- এ বছরের কালবৈশাখী ঝড়ে বশিরের হালের গরু মারা যায় এবং ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। সবকিছু থাকার পরেও তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে, সে এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যায়। চেয়ারম্যান সাহেব সবকিছু শুনে একজোড়া হালের বলদ কিনে দেয় এবং আবার নতুন করে চাষাবাদ শুরু করতে বলে। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা মতো কঠোর পরিশ্রম করে মাত্র কয়েক মাসেই তার ঘরে, নতুন ফসল আসে।"পরিশ্রমই মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পূর্বশর্ত।"-উদ্দীপক ও 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘বড়দিদি’ থেকে আগত ‘বউদি’ শব্দে ঘটেছে -
- মাদার তেরেসা অশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারি সংঘে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরও অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। একসময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারা জীবনের তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে।'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সমগ্র ভাবনার বিষয় কী উদ্দীপকটিতে ফুটে উঠেছে? যে যে বিষয়গুলো অনুপস্থিত তার প্রাসঙ্গিকতা বিশ্লেষণ করো।
- ‘অক্ষর' শব্দের কোন উচ্চারণটি শুদ্ধ?
- মানব-কল্যাণ অলৌকিক কিছু নয় কেন তা বুঝিয়ে দাও।
- আঁতাত, শব্দটিপ
- 'অভিশাপ-রথের সারথি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- আমাদের প্রচলিত ধারণা আর। চলতি কথায় মানবকল্যাণ কথাটা অনেক খানি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
- ভেলরি টেইলর, বাংলাদেশের এক অকৃত্রিম বন্ধুর নাম। ৭২ বছর বয়সি মহান ব্যক্তি কর্মজীবনে লাভ করেছেন নানা স্বীকৃতিসহ সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী। স্বেচ্ছাসেবা এবং এবং সম্পূর্ণ আপন প্রচেষ্টায় সিআরপি প্রতিষ্ঠা করে। তিনি দুস্থ, নিঃসহায় মানুষের জন্য বিশ্বে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে পঙ্গুত্বের শিকার হাজার হাজার মানুষকে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরিয়ে আনতে তার গড়া সিআরপি নজিরবিহীন ভূমিকা পালন করছে।উদ্দীপকের সাথে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিক তুলে ধরো।
- লেখকের মতে, সমস্যা যত বড়ো আর যত ব্যাপকই হোক না কেন, তার আর মোকাবিলা করতে হবে কীভাবে?
- শিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা কোথায় প্রতিফলিত হয়?
- ণত্ব ও ষত্ব - বিধান কোন শ্রেনীর শব্দের অনুসৃত হয়?
- কোনটি তদ্ভব শব্দের উদারহণ?
- ভুল সন্ধি
- 'রাষ্ট্র জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনারই প্রতীক।'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে নিচের হাত বলতে বোঝানো হযেছে-
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।