রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়ার জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।
উদ্দীপকের কোব্বাদ মেম্বারের সাথে মজিদ চরিত্রের মিল ও অমিল দেখাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'এখন সে, ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতার শিকড় গাড়া বুক্ষ'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মজিদ জমিলার মধ্যে খোদাভীতি জাগাতে চায় যেকারণে—জমিলাকে বশ করতেস্বীয় আধিপত্য বিস্তার করতেস্রষ্টার সন্তুষ্টির জন্যনিচের কোনটি সঠিক?
- হঠাৎ করে সুন্দরপুর গ্রামে এক দরবেশ এসে উপস্থিত হয়। আজানুলম্বিত পোশাক আর হাতে একটি লাঠি নিয়ে গ্রামে সে প্রবেশ করে। গ্রামের নিরক্ষর, সাধারণ মানুষ তাকে দেখে যেন অনেক অপ্রাপ্তি আর বেদনা থেকে আশাবাদী চেতনা ফিরে পায়। নবাগতের ভিতর থেকে যেন মুক্তির আলো ছড়িয়ে পড়তে লাগল। মানুষের ভালোর জন্য তিনি সব করতে পারেন। সময়ের ব্যবধানে দরবেশ সকলের হৃদয়ের মণি হয়ে উঠলেন।"উদ্দীপকে দরবেশের আগমন ও 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদের আগমন ঠিক একই রকম।"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'নাফরমানি করিও না। খোদার উপর তোয়াক্কল রাখ" – উক্তিটি কার?
- 'তোমার দাড়ি কই মিঞা?'- উক্তিটি কে করেছিল?
- 'লালসালু' উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
- বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক কে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'পরগাছা মুরব্বি' কে?
- কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?
- জাহিদ শহর থেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেআসে এবং গ্রামের মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা দেখেব্যাথিত হয়। সে গ্রামে শিক্ষার আলো জ্বালাতে একটিনৈশ বিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।অনুচ্ছেদে উল্লিখিত গ্রামবাসীর জ্ঞানের সীমাবদ্ধতারমধ্যে 'লালসালু' উপন্যাসের যে দিকটি প্রকাশ পায় -দরিদ্রতাকুসংস্কারাচ্ছন্নতাঅজ্ঞতানিচের কোনটি সঠিক?
- শিক্ষিত মানুষের সংস্কৃতিই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই সংস্কৃতি। তাই অশিক্ষিত দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। এই সংগঠনের নেতাগণ সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। তেমনি একজন নেতা শাহ্ কদম আলী। নিজের পানি পড়ায় বিশ্বাস নেই তার। তাই চিকিৎসার জন্য ভক্তদের টাকা নিয়ে সিঙ্গাপুর যান। তবে গ্রামবাসীর মহৌষধ হলো শাহ্ কদম আলীর পড়া পানি।"উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের সম্পূর্ণ অংশের সাথে মিলে না"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।
- বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদের পলাশনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক সুজন গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষকে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে একটি নৈশবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।উদ্দীপকের সুজন 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্র ও ঘটনাকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
- আধিপত্য মানে কর্তৃত্ব বা প্রভুত্ব। এর মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করা মানুষের আজন্ম স্বভাব। সামাজিক কাজ করে হোক, খারাপ কাজ করে হোক, অর্থবিত্ত দিয়ে হোক মানুষ প্রভাব বিস্তার করতে পারে। প্রভাব বিস্তার করতে কেউ-বা জীবিকার প্রয়োজনে নিজ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। অতঃপর পরিশ্রম ও বুদ্ধির জোরে নিঃস্ব ও সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে বিত্তশালী হয়ে ওঠে। উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের মূলভাবকে ধারণ করে কি? মতামত দাও।
- জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদ হরনাথ বসু মানুষের অতীত, বর্তমান ওভবিষ্যৎ দ্রষ্টা বলেই সোনাপুর গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করে।বিপদে-আপদে রোগে-শোকে সোনাপুর গ্রামবাসী অনেকটাকা খরচ করে ভাগ্য গণনা করিয়ে হরনাথ বসুর নিকটহতে রত্ন পাথর গ্রহণ করে। গ্রামের রাজীব কিন্তুহরনাথের এই অলৌকিকতায় বিশ্বাস করে না।উদ্দীপকের সোনাপুর এবং 'লালসালু' উপন্যাসেরমহব্বতনগর গ্রামবাসীর প্রতারিত হওয়ার কারণ—অন্ধ ধর্মবিশ্বাসঅজ্ঞতা ও কুসংস্কারঅন্ধ ভাগ্যবিশ্বাসনিচের কোনটি সঠিক?
- মানুষ বেঁচে থাকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। জীবনের শেষ ক্ষুদ্র অবলম্বনকেও বিসর্জন দিয়ে বাঁচতে চায়। কোনো প্রাণীই এর ব্যতিক্রম নয়। যেমন বাঘের ক্ষুধা সহ্যের মাত্রা অতিক্রম করলে আপন ছানাদের খেয়েও জীবন বাঁচায়।'অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই মানুষের সর্বোচ্চ সাধনা।' উক্তিটি উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও 'কারা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করেছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের খণ্ডাংশ মাত্র, সামগ্রিক চিত্র নয়।"- বিশ্লেষণ করো।
- করিম মুন্সীর স্ত্রী মোমেনা বেশ সহজ-সরল। স্বামীর প্রতিতার বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতা প্রবল। সাধারণ মানুষেরসারল্য ও খোদাভীতিকে পুঁজি করে তার স্বাম?? তাবিজ বিক্রিকরে এবং পানি পড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে।উদ্দীপকের করিম মুন্সী ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়েরই ব্যাবসার উৎস হলো— প্রতারণা মানুষের সরলতাধর্মভীতিনিচের কোনটি সঠিক?
- ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরের পিরের কাছে পানিপড়াআনতে পাঠিয়েছিল কে?
- রসুলপুর গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের দুরন্ত মেয়ে নাসরিন। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটোছুটি করা, অবাধ সাঁতার কাটা তার আনন্দের কাজ। নাসরিনের বিয়ে হয় পাশের গ্রামের, মাতব্বরের সাথে। গ্রামের সকলেই তাঁকে মানলেও নাসরিন তাঁকে মানে না।"উদ্দীপকের মাতব্বর 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সামগ্রিক দিক ধারণ করেনি।- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- এ পৃথিবীর মৎস্য-মাংসে আমাদের কিছু অধিকার আছে। খাইতে দাও- নহিলে চুরি করিব। আমাদের কৃষ্ণ চর্ম, শুষ্ক মুখ, ক্ষীণ সকরুণ মেও মেও শুনিয়া তোমাদিগের কি দুঃখ হয় না? চোরের দন্ড আছে, নির্দয়তার কি দণ্ড নাই? দরিদ্রের আহার সংগ্রহের দণ্ড আছে, ধনীর কার্পণ্যের দণ্ড নাই কেন? তুমি কমলাকান্ত, দূরদর্শী, কেন না আফিংখোর, তুমিও কি দেখিতে পাও না যে, ধনীর দোষেই দরিদ্র চোর হয়? পাঁচশত দরিদ্রকে বঞ্চিত করিয়া একজনে পাঁচ শত লোকের আহার্য সংগ্রহ করিবে কেন? যদি করিল, তবে সে আহার খাইয়া যাহা বাচিয়া পড়ে, তাহা দরিদ্রকে দিবে না কেন? যদি না দেয়, তবে দরিদ্র অবশ্য তাহার নিকট হইতে চুরি করিবে; কেননা, অনাহারে মরিয়া যাইবার জন্য এ পৃথিবীতে কেই আসে নাই।"সমাজের ভণ্ডামি ও কুসংস্কার দূর করতে 'লালসালু' পাঠ যৌক্তিকতার দাবি রাখে।"- তোমার মতামত ব্যক্ত করো।