মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

পেঁপের রিং স্পট রোগের জীবাণুর সাথে নিচের কোন রোগের জীবাণু সাদৃশ্যপূর্ণ  ?

A. কলেরা
B. ডেঙ্গুজ্বর
C. ম্যালেরিয়া
D. ধানের ব্লাইট
Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসঘটিত রোগসমূহ (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. ডেঙ্গুজ্বর
Another Explanation (5):

পেঁপের রিং স্পট রোগের জীবাণুর সাথে ডেঙ্গুজ্বর রোগের জীবাণুর সাদৃশ্যপূর্ণতা রয়েছে কারণ উভয় রোগের জন্য দায়ী জীবাণু বা ভেক্টর (প্রেরক) কিছুটা মিল রয়েছে।

  • পেঁপের রিং স্পট রোগ মূলত Cercospora প্রজাতির ছত্রাক দ্বারা হয়, যা পেঁপে গাছে ছত্রাকজনিত দাগ সৃষ্টি করে।
  • ডেঙ্গুজ্বর হয় Aedes প্রজাতির মশার মাধ্যমে ছড়ায়, যা ভাইরাস বহন করে।

এই দুই রোগের মধ্যে সাদৃশ্য মূলত তাদের জীবাণু বা প্রেরকের প্রকৃতি ও পরিবেশে?? উপর নির্ভর করে।
উভয় রোগের জীবাণু বা ভাইরাসের সম্পৃক্ততা এদের রোগের লক্ষণ বা প্রভাবের মধ্যে কিছু মিল থাকতে পারে যেমন তীব্র শারীরিক দুর্বলতা, অস্বস্তি, এবং সংক্রামক প্রকৃতি।

অতএব, এই সাদৃশ্যের কারণ হলো উভয় রোগই জীবাণু বা ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রামিত হয় এবং উভয় ক্ষেত্রেই জীবাণু বা ভাইরাসের পরিবেশ ও পরিবেশের উপর নির্ভর করে রোগের প্রকৃতি নির্ভর করে।

Option A Explanation:
  • কলেরা: এটি একটি সংক্রামক রোগ যা ভাইরাসের পরিবর্তে ব্যাকটেরিয়া Vibrio cholerae দ্বারা সৃষ্ট।
  • প্রধান লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে দ্রুত ডিহাইড্রেশন, জলজুলুস, এবং গুরুতর জলশোষণজনিত সমস্যা।
  • সাধারণত দূষিত পানি ও খাবার থেকে ছড়ায়।
  • উপশমের জন্য rehydration therapy, অ্যান্টিবায়োটিক্স, এবং পরিষ্কার পানি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
Option B Explanation:

ডেঙ্গুজ্বরের জীবাণু সম্পর্কিত তথ্য:

  • ডেঙ্গুজ্বরের কারণ: ডেঙ্গা ভাইরাস (Dengue virus)
  • প্রকার: রিপোনোভাইরাস পরিবারের এক ধরনের এনার্ভোভাইরাস
  • প্রজনন মাধ্যম: এডিস মশা (Aedes aegypti ও Aedes albopictus)
  • জীবাণুর বৈশিষ্ট্য:
    • এটি একটি এসপিরাল ভাইরাস, যা রক্তের মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
    • ভাইরাসের সংক্রমণে জ্বর, মাথা ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, দেহে ব্যথা, এবং চামড়ায় র‌্যাশ দেখা যায়।
    • বিশেষ করে, ভাইরাসের বিভিন্ন স্ট্রেন থাকায় এটি পুনরায় সংক্রমিত হতে পারে এবং গুরুতর রূপ নিতে পারে, যেমন ডেঙ্গু হেমোরাজিক বা ডেঙ্গু শক সিনড্রোম।
Option C Explanation:
  • প্রজনন পদ্ধতি: ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু, Plasmodium, মূলত ছত্রাকের মতো পরজীবী, যা মশার মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
  • অন্তঃকোষীয় জীবাণু: এটি অন্তঃকোষীয় পরজীবী, অর্থাৎ এটি উষ্ণ, আর্দ্র পরিবেশে কোষের ভিতরে বাস করে।
  • অভিশাপের মাধ্যমে ছড়ানো: ম্যালেরিয়া মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়, যা আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মধ্যে থাকা পরজীবু নিয়ে অন্যদের মধ্যে সংক্রমিত করে।
  • প্রকৃতি: এটি এক ধরনের পরজীবী জীবাণু, যা মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকা আক্রমণ করে, ফলে জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়।
  • সংক্রমণের লক্ষণ: জ্বর, ঠান্ডা লাগা, মাথাব্যাথা, শরীরের দুর্বলতা ইত্যাদি প্রধান লক্ষণ।
Option D Explanation:

ধানের ব্লাইটের বিষয়ে বিস্তারিত

  • প্রবণতা: ধানের ব্লাইট মূলত ধানের রোগ যা ধানের পাতায় ধূসর বা ধূসর-বাদামী দাগ সৃষ্টি করে।
  • জীবাণু: এটি একটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ, যা Xanthomonas oryzae pv. oryzae নামে পরিচিত।
  • প্রভাব: এই রোগ ধানের ফলন কমিয়ে দেয় এবং শস্যের গুণগতমান ক্ষতিগ্রস্ত করে।
  • চিকিৎসা ও প্রতিরোধ: সঠিক ধানচাষের পদ্ধতি অনুসরণ, রোগাক্রান্ত গাছ কাটিয়া ফেলা, এবং রোগপ্রতিরোধী জাতের ব্যবহার এই রোগের প্রতিরোধে সহায়ক।