মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোনটি হুকের সূত্র?

A. স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে দৈর্ঘ্য পীড়ন ও দৈর্ঘ্যের বিকৃতির অনুপাত
B. স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে বস্তুর উপর প্রযুক্ত পীড়ন উহার বিকৃতির সমানুপাতিক
C. স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে আকার বা কৃন্তন পীড়ন এবং আকার বিকৃতির অনুপাত
D. স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে আয়তন পীড়ন ও আয়তন বিকৃতির অনুপাত
Poster Download
MEDICALপদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রপদার্থের গাঠনিক ধর্মপীড়ন ও হুকের সূত্র (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে বস্তুর উপর প্রযুক্ত পীড়ন উহার বিকৃতির সমানুপাতিক
Explanation: A. দৈর্ঘ্য পীড়ন ও দৈর্ঘ্যের বিকৃতির অনুপাত: ভুল; B. প্রযুক্ত পীড়ন উহার বিকৃতির সমানুপাতিক: সঠিক, এটি হুকের সূত্রের মূল ভিত্তি; C. আকার বা কৃন্তন পীড়ন এবং আকার বিকৃতির অনুপাত: ভুল; D. আয়তন পীড়ন ও বিকৃতির অনুপাত: ভুল। নোট: হুকের সূত্রের শর্ত হলো স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে থাকা।
Another Explanation (5):

হুকের সূত্র 🧑‍🏫

হুকের সূত্র স্থিতিস্থাপকতার একটি মৌলিক ধারণা। এটি মূলত কঠিন বস্তুর পীড়ন এবং বিকৃতির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। রবার্ট হুক ১৬৭৬ সালে এই সূত্রটি আবিষ্কার করেন।

সূত্রের মূল বক্তব্য 🤔

"স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে, বস্তুর উপর প্রযুক্ত পীড়ন উহার বিকৃতির সমানুপাতিক।"

ব্যাখ্যা 🧐

সহজ ভাষায়, কোনো বস্তুকে বল প্রয়োগ করে বিকৃত করার চেষ্টা করলে, বস্তুটি সেই বলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই প্রতিরোধ বল, প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক হয় যদি বিকৃতি স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে থাকে।

গাণিতিক প্রকাশ 🧮

হুকের সূত্রকে গাণিতিকভাবে এভাবে প্রকাশ করা যায়:

F = -kx

এখানে:

  • F = পুনরুদ্ধারকারী বল (Restoring Force)
  • x = সরণ বা বিকৃতি (Displacement or Deformation)
  • k = স্প্রিং ধ্রুবক (Spring constant)। এটি বস্তুর কাঠিন্যের পরিমাপক।

নোট: ঋণাত্মক চিহ্ন (-) দ্বারা বোঝানো হয় যে পুনরুদ্ধারকারী বল সরণের বিপরীত দিকে কাজ করে।

সূত্রের সীমাবদ্ধতা ⛔

হুকের সূত্র সব বস্তুর জন্য এবং সব পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য নয়। এর কিছু সীমাবদ্ধতা আছে:

  1. স্থিতিস্থাপক সীমা (Elastic Limit): সূত্রটি শুধুমাত্র স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে প্রযোজ্য। এই সীমা অতিক্রম করলে বস্তু স্থায়ীভাবে বিকৃত হয়ে যেতে পারে।
  2. উপাদানের ধরন (Material Type): সূত্রটি সব ধরনের উপাদানের জন্য প্রযোজ্য নয়। এটি মূলত কঠিন এবং স্থিতিস্থাপক উপাদানের জন্য বেশি প্রযোজ্য।
  3. তাপমাত্রা (Temperature): তাপমাত্রার পরিবর্তনের সাথে সাথে বস্তুর স্থিতিস্থাপকতা পরিবর্তন হতে পারে, যা হুকের সূত্রের যথার্থতাকে প্রভাবিত করে।

বাস্তব জীবনে প্রয়োগ 🔩🔧🧱

হুকের সূত্রের অনেক বাস্তবভিত্তিক প্রয়োগ রয়েছে। নিচে কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হলো:

  • স্প্রিং-এর কার্যকারিতা
  • ডায়নামোমিটার
  • বিভিন্ন প্রকার সেন্সর
  • বিল্ডিং এবং ব্রিজ তৈরিতে

নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে হুকের সূত্রের প্রয়োগ দেখানো হলো:

ক্ষেত্র হুকের সূত্রের প্রয়োগ গুরুত্ব
স্প্রিং তৈরি স্প্রিং এর প্রসারণ এবং সংকোচন হুকের সূত্র মেনে চলে। স্প্রিং এর কার্যকারিতা বুঝতে সাহায্য করে।
ডায়নামোমিটার ডায়নামোমিটারের স্প্রিং এর প্রসারণ বল পরিমাপ করে। বস্তুর ওজন বা প্রযুক্ত বল নির্ণয়ে সাহায্য করে।
বিল্ডিং তৈরি বিল্ডিংয়ের কাঠামো ডিজাইন করার সময় হুকের সূত্র ব্যবহার করা হয়। কাঠামোর স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🤔💡

  • পীড়ন (Stress): বস্তুর উপর প্রযুক্ত বাহ্যিক বলের কারণে অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধ বল।
  • বিকৃতি (Strain): বস্তুর আকারের আপেক্ষিক পরিবর্তন।
  • স্থিতিস্থাপকতা (Elasticity): বস্তুর বিকৃতি হওয়ার পর পুনরায় পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসার ক্ষমতা।

আশা করি, হুকের সূত্র সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি।Happy Learning!📚😊