পরাগনালিকার গর্ভাশয়মুখী যাত্রার ক্ষেত্রে মেসোগ্যামি দেখা যায় কোন উদ্ভিদে?
JUUnit-DSet-4জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ প্রজনননিষেক এবং নিষেকোত্তর পরিবর্তনসমূহ (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
কুমড়া
Explanation: পরাগনালিকার গর্ভাশয়মুখী যাত্রায় মেসোগ্যামি কুমড়া উদ্ভিদে দেখা যায়। মেসোগ্যামি বলতে পরাগদানা গর্ভমুণ্ড থেকে মধ্যবর্তী কোনো স্তরের মাধ্যমে গর্ভাশয়ে প্রবেশ করাকে বোঝায়। নোট: পরাগায়নের প্রক্রিয়া উদ্ভিদের প্রজাতিভেদে ভিন্ন হতে পারে।
Another Explanation (5):
প্রশ্নের উত্তর: কুমড়া
মেসোগ্যামি (Meso-gamy) হলো এক প্রকার ফুলের পরাগনালিকার গর্ভাশয়মুখী যাত্রা যেখানে পরাগধানি থেকে পরাগকণিকা গর্ভাশয়মুখ পর্যন্ত মধ্যবর্তী অংশের মাধ্যমে পৌঁছে। এই প্রক্রিয়ায় পরাগকণিকা গর্ভাশয়মুখে গিয়ে ডিম্বাণু নিষিক্ত করে।
মেসোগ্যামির বৈশিষ্ট্য ও উদ্ভিদঃ
মেসোগ্যামি দেখা যায় বেশ কিছু উদ্ভিদে, বিশেষ করে কুমড়া প্রভৃতি উদ্ভিদে।
প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
- পরাগনালিকা গর্ভাশয়মুখের দিকে অগ্রসর থাকে।
- পরাগকণিকা গর্ভাশয়মুখে পৌঁছে ডিম্বাণু নিষিক্ত করে।
- প্রক্রিয়াটি মূলত মধ্যবর্তী অংশের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
উদ্ভিদসমূহের তুলনা টেবিলঃ
| উদ্ভিদ | পরাগনালিকার গর্ভাশয়মুখী যাত্রা | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| কুমড়া | মেসোগ্যামি | গর্ভাশয়মুখের দিকে পরাগনালী অগ্রসর |
| আলু | অ্যাগ্যামি | পরাগনালী গর্ভাশয়মুখে পৌঁছায় না |
উপসংহারঃ
অতএব, কুমড়া উদ্ভিদে পরাগনালিকার গর্ভাশয়মুখী যাত্রার ক্ষেত্রে মেসোগ্যামি দেখা যায়।
Option A Explanation: ```html
- প্রকার: ঔদবীজী উদ্ভিদ (গ্রীষ্মকালীন বা বর্ষাকালীন উদ্ভিদ)
- পরিবহন কলাগুচ্ছ: সাধারণত কুমড়ার কলাগুচ্ছের মধ্যে সমদ্বিপার্শীয় পরিবহনের ব্যবস্থা দেখা যায়।
- উপকারী অংশ: কুমড়ার কলাগুচ্ছের কান্ডে ফুল ও ফলের পরিবহন হয়।
- উৎপত্তিস্থল: সাধারণত কুমড়ার কান্ডে এই ধরনের পরিবহন কলাগুচ্ছ দেখা যায়।
- গঠন: এটি সাধারণত লম্বা ও বাঁকা, যা কলাগুচ্ছের মাধ্যমে বিভিন্ন অংশে পুষ্টি ও জল সরবরাহ করে।
Option B Explanation:
- প্রকার: ফল
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি একটি সাধারণ ফল যা বিভিন্ন ধরনের স্থানীয় ও আঞ্চলিক অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- সাধারণ ব্যবহার: খাদ্য, মিষ্টি, জ্যাম, জেলি ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।
- অন্য নাম: জামফল, জাম গাছের ফল।
- উৎপত্তি: ভারত উপমহাদেশে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা অঞ্চলে প্রচুর জন্মে।
Option C Explanation:
- প্রজাতি: ঝাউ (Casuarina)
- পরাগনালী গর্ভাশয়মুখী যাত্রা: ঝাউ উদ্ভিদে পরাগনালী গর্ভাশয়মুখী যাত্রার জন্য মেসোগ্যামি দেখা ???ায়।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ঝাউ একটি অর্ধনির্মিত অর্ধপরাগনালিপ্রজাতি, যেখানে পরাগনালী ও গর্ভাশয় সংযোগের মাধ্যমে পরাগনালী গর্ভাশয়মুখী হয়।
- উপকারিতা: এই বৈশিষ্ট্যটি ঝাউকে অন্যান্য উদ্ভিদের থেকে আলাদা করে এবং এর প্রজনন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Option D Explanation:
- নাম: আম
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ফল যা সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- সাধারণ ব্যবহার: খাওয়া হয় সরাসরি, বিভিন্ন মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবারে ব্যবহার হয়।
- পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ভিটামিন A, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও ফাইবারে সমৃদ্ধ।
- চেহারা: পুরু আকারে, সাধারণত হলুদ রঙের এবং মিষ্টি স্বাদের।