বাংলাদেশের নতুন গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হয় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের -
সঠিক উত্তরঃ
B.
সুন্দলপুর
Explanation: • সুন্দলপুর গ্যাসক্ষেত্র:
নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সুন্দলপুর গ্যাস ক্ষেত্রটি ২০১২ সালে আবিষ্কার হয়।
- ২০১২ সালে ১৭ মার্চ উৎপাদন শুরু করে ব্যাপেক্স।এছাড়াও
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৮টি।
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে ।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছিলো ২০২১ সালে সিলেটের জকিগঞ্জে।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিস্কৃত হয়।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি (বাপেক্স) এটি আবিষ্কার করে।
• ক্ষেত্রটিতে ৬,৮০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দৈনিক এই ক্ষেত্র থেকে ১ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।
========================================================
(ভোলা উত্তর-২ এবং টবগি-১, ২০২২ এই দুটো জাস্ট ঘোষিত হয়েছে বা শুধু সন্ধান পাওয়ার গেছে।
এখনো গ্যাস উত্তেলন শুরু হয় নি।)
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সুন্দলপুর গ্যাস ক্ষেত্রটি ২০১২ সালে আবিষ্কার হয়।
- ২০১২ সালে ১৭ মার্চ উৎপাদন শুরু করে ব্যাপেক্স।এছাড়াও
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৮টি।
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে ।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছিলো ২০২১ সালে সিলেটের জকিগঞ্জে।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিস্কৃত হয়।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি (বাপেক্স) এটি আবিষ্কার করে।
• ক্ষেত্রটিতে ৬,৮০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দৈনিক এই ক্ষেত্র থেকে ১ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।
========================================================
(ভোলা উত্তর-২ এবং টবগি-১, ২০২২ এই দুটো জাস্ট ঘোষিত হয়েছে বা শুধু সন্ধান পাওয়ার গেছে।
এখনো গ্যাস উত্তেলন শুরু হয় নি।)
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)