’আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় পদাঘাতে কী ভাঙতে চাওয়া হয়েছে?
A. বাধার পাথর
B. অট্টালিকা
C. শোষণের শৃঙ্খল
D. শোষকের মসনদ
সঠিক উত্তরঃ
A.
বাধার পাথর
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- " এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে" এ বাক্যে 'আঠারো' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- “আঠারো বছর বয়স" কবিতাটি কোন ছন্দে লিখিত?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে' --- এ লাইনে "আঠারো" শব্দটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের আর নিছক কৌতূহলের বশে 'ব্লু হোয়েল' নামক অনলাইন গেমের মরণজালে জড়িয়ে সোনালি তার জীবন বিপন্ন করে তোলে। অথচ শমী হাসান মায়ের মৃত্যুর পর শোককে শক্তিতে পরিণত করে দরিদ্র হরিজন পল্লিতে সেবামূলক কাজ শুরু করে। পানিবাহিত রোগের কারণে যেন কারো মৃত্যু না ঘটে সেই বিষয়ে কাজ করে শমী আন্তর্জাতিক সেবা সংস্থা গ্লোবাল সিটিজেনের নিরাপদ পানি, সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক তরুণ মুখপাত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।উদ্দীপকের সোনালি চরিত্রের মধ্য দিয়ে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।'উদ্দীপকটির বক্তব্য 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বক্তব্যের সাথে কি সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- আমরা চলি সম্মুখপানেকে আমাদের বাঁধবে?রইল যারা পিছুর টানেকাঁদবে তারা কাঁদবে।ছিঁড়ব বাধা রক্ত পায়ে,চলব ছুটে রৌদ্রে ছায়েজড়িয়ে ওরা আপন গায়েকেবলই ফাঁদ ফাঁদবে।উদ্দীপকের বক্তব্য ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার যে ভাবগত মিল রয়েছে, তা কোন অর্থে ইতিবাচক?
- যেন গতিহীন, প্রাণহীন, সৃজনবিরাগী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রতিটি প্রাত্যহিক আজ। এ দেশের তরুপসমাজ এক অনিবার্য স্থবিরতায় ক্রমে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। মোবাইল ও মাদক তাদের এই অধঃপাতের প্রধান দুটি কারণ বলে মনে হয়। মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য যে আত্মমর্যাদা, ব্যক্তিত্ব, স্বনির্ভরতা, দুরন্ত গতিবেগ, সৃজন, নির্ভীকতা, পরোপকার, অসাম্প্রদায়িকতা, সংস্কৃতিবোধ ও স্বদেশপ্রেম তা থেকে এ দেশের যুবসমাজ নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। পক্ষান্তরে গেমিং, টিকটক করা বা দেখা, অনলাইন আসক্তি এবং নানা রকম নেশা গ্রহণে তারা এখন ডুবে আছে। আসুন এর থেকে মুক্তির পথ খুঁজি।উদ্দীপকের বর্তমান যুবসমাজ এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক দিক প্রতিফলিত হয়েছে নিচের কোন চরণে?
- তোমরা এসেছ, ভেঙেছ অন্ধকার- তোমরা এসেছ ভয় করি নাকো আর পায়ের স্পর্শে মেঘ কেটে যাবে, উজ্জ্বল রোদ্দুরছড়িয়ে পড়বে বহুদূর বহুদূর।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? বর্ণনা কর।
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই-যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যরে মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে। তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদায়ী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অন্ত। যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থ পরিপূর্ণভাবে ফুটে উঠেছে কি না, তা বিশ্লেষণ করো।
- ‘এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'— 'আঠারোবছর বয়স' কবিতার চরণটিতে কবির কোনমানসিকতা প্রকাশিত?প্রথাবদ্ধ জীবনেরউদ্দীপনা ও সাহসিকতার চলার দুর্বার গতিরনিচের কোনটি সঠিক?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- চরণটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি'- সপ্রসঙ্গ পঙ্ক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর? প্রলয় নতুন সৃজন বেদন।আসছে নবীন জীবন হারা অসুন্দরে করতে ছেদন।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত আঠারো বছরবয়সের কোন বৈশিষ্ট্যটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে?
- গ্রামের রাস্তা হচ্ছে। কিন্তু মতিব্বর শ্রেণি ঠিকাদারদের সাথে আঁতাত করে নিম্নমানের রাস্তা করছে। গ্রামের যুবকেরা এটি বুঝতে পেরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ল। তারা একত্রিত হয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলো। শেষ পর্যন্ত ঠিকাদারেরা ঠিকমতো কাজ করতে বাধ্য হলো।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় যুবকদের সাথে উদ্দীপকের যুবকদের তুলনা করো।
- আঠারো বছর বয়সের নেতিবাচক দিক হচ্ছে,এ বয়স-
- কলেজে ওঠার পর রাতুল ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে ওঠে, রাত জেগে স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে। বাবা-মায়ের সঙ্গেও বাজে আচরণ করে। অবশেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় রাতুল কিছু বাজে বন্ধুর পাল্লায় পড়েছে। রাতুল বুঝতে পারছে সে যা করছে ভুল করছে, কিন্তু এসব থেকে বেরিয়েও আসতে পারছে না।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন প্রসঙ্গটি উঠে এসেছে? আলোচনা করো।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?-
- 'বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী'- ব্যাখ্যা করো।
- 'দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- রাশেদ গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিতোলায় শ্রমিকনেতা জামালকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করাহয়। দারুণ অর্থকষ্টে পতিত হলেও জামাল হাল ছাড়ে না।দৃঢ় আত্মপ্রত্যায়ের সাথে শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে দুর্বারআন্দোলন গড়ে তোলে ।উদ্দীপকের শেষ লাইনের সঙ্গে নিচের কোন লাইনটিরভাবগত সাদৃশ্য রয়েছে?
- 'এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে।'- ব্যাখ্যা করো।
- তোমরা এসেছ, ভেঙেছ অন্ধকার- তোমরা এসেছ ভয় করি নাকো আর পায়ের স্পর্শে মেঘ কেটে যাবে, উজ্জ্বল রোদ্দুরছড়িয়ে পড়বে বহুদূর বহুদূর।উদ্দীপকের চেয়ে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থ আরো গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ- মন্তব্যটির সার্থকতা নির্ণয় কর।
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি।'- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
- আঠারো বছর বয়স কী জানে?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য আমৃত্যু কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- বহুতল ভবন দয়াল টাওয়ারে আগুন লাগার পর কালো ধোঁয়ায় চারদিকে ছেয়ে যায়। উৎসুক মানুষের ভিড়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সগুলো ঠিকমতো চলাচল করতে পারছিল না। ঠিক তখনই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। হাতে হাত ধরে যান চলাচল ও অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছিল তারা।উদ্দীপকে বর্ণিত শিক্ষার্থীদের চরিত্রে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত কোন বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মারা যান?
- বাংলাদেশের সড়ক পথে হতাহতের ঘটনা কেন্দ্র করে ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল নয় দিনের একটি আন্দোলন 'নিরাপদ সড়ক চাই।' এ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী। আন্দোলনের রেশ ছড়িয়ে পড়েছিল সারা দেশে।"উদ্দীপক এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব একই সূত্রে গ্রোথিত'- বিশ্লেষণ করো।"
- আঠার বছর বয়স বাঁচে-
- মচমইল বাজারে প্রকাশ্যে তিনজন সন্ত্রাসী আক্রমণ করে তালেব মাস্টারকে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মোটরসাইকেলযোগে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এমন সময় ঘটনাস্থলে এসে পড়ে সাহসী এক তরুণ ফিরোজ। সে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে এবং একজনকে ধরে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়। ফিরে এসে দেখে মাস্টার তখনও মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন। কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসছে না, পুলিশি ঝামেলার ভয়ে। ফিরোজ কোনো কিছু না ভেবেই মাস্টার মশাইকে নিয়ে যায় মেডিকেলে।উদ্দীপকের মূলভাব 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাবের দ্যোতক- আলোচনা করো।
- 'আমি দলে যাই যত বন্ধন, যত নিয়মকানুন শৃঙ্খল' -এই পঙক্তির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে—
- বহুতল ভবন দয়াল টাওয়ারে আগুন লাগার পর কালো ধোঁয়ায় চারদিকে ছেয়ে যায়। উৎসুক মানুষের ভিড়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সগুলো ঠিকমতো চলাচল করতে পারছিল না। ঠিক তখনই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। হাতে হাত ধরে যান চলাচল ও অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছিল তারা।'আত্মত্যাগ ও মানবতা তারুণ্যের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।' উদ্দীপকে ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি পর্যালোচনা করো।
- আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?
- এক সময়ে শহরের পাড়ায় পাড়ায় ছিল মাঠ। খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে কেটে যেত পলাশ ও কাজলের শৈশব কৈশোরের দূরন্ত দিনগুলো। লেখাপড়ার পাশাপাশি সুস্থ বিনোদনের সুযোগ ছিল বরে তারা অসৎ সঙ্গে পড়ে বিপথে, যাননি। আজ বৃদ্ধ বয়সেও তাদের বন্ধুত্ব অটুট। একসঙ্গে প্রাতভ্রমণের সময়ে বিশ্রাম নেওয়া এবং খবরের কাগজ পড়া তাদের নিত্যদিনের অভ্যাস। একদিন 'খবরের একটি শিরোনামে দুজনারই চোখ আটকে যায়- 'কিশোর গ্যাঙের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ নগরবাসী।'"উদ্দীপকটি কি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের প্রতিচ্ছবি?"- তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য ফ্যাসিবিরোধী লেখক শিল্পী সংঘেরপক্ষে কী কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন রবিন স্বৈরাচারী শাসকের নিপীড়ন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে জীবন যেতে পারে জেনেও সুন্দর আগামীর ভবিষ্যতে এগিয়ে যায়.।উদ্দীপকের রবিনের মনোভাবটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন চরণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'- ব্যাখ্যা করো।