নীচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম এর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ?
A. প্রলয় শিখা
B. রুদ্রমঙ্গল
C. মৃত্যু-ক্ষুদা
D. ছায়ানট
সঠিক উত্তরঃ
B.
রুদ্রমঙ্গল
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: কাজী নজরুল ইসলাম এর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. প্রলয় শিখা: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. রুদ্রমঙ্গল: সঠিক, এটি কাজী নজরুল ইসলাম এর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ। C. মৃত্যু-ক্ষুদা: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. ছায়ানট: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: কাজী নজরুল ইসলাম এর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ 'রুদ্রমঙ্গল' সঠিক উত্তর।
Related Questions (Any University/Year)
- 'যৌবনের গান ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম 'তরুণের সাধনা' বলতে বুঝিয়েছেন -
- নজরুলের মতে, ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে_____পাওয়া যায়।
- যে চাঁদ সাগরে জোয়ার জায়গায়, সে হয়ত তাহার শক্তি সম্বন্ধে আজও না ওয়াফিক । এ বাক্যটি কোন রচনার?
- ‘অন্তরে যাদের এত গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে?’ - কার রচনার অংশ?
- “ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।- কীভাবে?
- অনেক সময় খুব বেশি বিনয়ী দেখাতে গিয়ে নিজের ......... অস্বীকার করে ফেলা হয়।' শূণ্যস্থানের যথার্থ শব্দ কোনটি?
- "আমার পথ' প্রবন্ধে কোনটিকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয়েছে?
- আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। কার উক্তি?
- \______ মিথ্যা বিনয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো\- বাক্যটি কোন গদ্যে বলা হয়েছে?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।লোকায়ত জ??বন সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা আছে কাদের?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে পথপ্রদর্শক কে
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, কী আমাদের নিষ্ক্রিয় করে তোলে?
- 'যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।'-কোন প্রবন্ধের চরণ?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোনটিকে নমস্কার জানিয়েছেন?
- যৌবনর গান কী ধরনের সাহিত্য কর্ম ?
- আমি কবি-বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গান করার।'- বাক্যটি কোন রচনার অন্তর্ভুক্ত?
- 'মানুষ ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম'- কার বক্তব্য?
- 'আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে'-উক্তিটিতে 'দৃষ্টিভঙ্গি' শব্দটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধে কোনটি যৌবনের মাতৃরূপ ?
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- 'ভুলের মধ্য দিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।' আমার পথ গল্পে উল্লিখিত উক্তিটি দ্বারা লেখক কি বুঝাতে চেয়েছেন?
- ‘ ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়ে তবেই সত্যকে পাওয়া যায় । ‘ কোন রচনার পাঠ্যাংশ?
- আমার পথ প্রবন্ধে পথ প্রদর্শক কে?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামে??কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- মৃত্যু-ক্ষুধা' উপন্যাসটি কার লেখা?
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে'- কথাটি কে বলেছেন?
- 'যার ভিতরে _______, সেই বাইরে ভয় পায়।' শূন্যস্থানে বসবে -
- 'বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে ,মৃত্যুকে আকড়াইয়া পড়িয়া থাকে' - উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন রচনার অংশবিশেষ?
- নিজেকে চিনলে মানুষের মনে আপনা-আপনি এত বড় একটা জোর আসে যে, সে আপন … আর কাউকে কুর্নিশ করে না।' শূন্যস্থানের যথার্থ শব্দ কোনটি?
- 'যে রাষ্ট্র হাতপাতা আর চাটুকারিতাকে দেয় প্রশ্রয়, সে রাষ্ট্র কিছুতেই আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে না।' উক্তিটি কে করেছেন?
- "আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে" - উক্তিটি কার?
- আপনার সত্যকে পথপ্রদর্শক কাণ্ডারি বলে জানা–
- আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক নিজেকে কী হিসেবে অভিহিত করেছে?
- বার্ধক্য তাহাই- যাহা পুরাতনকে , মিথ্যাকে , মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে উক্তিটি যে প্রবন্ধের অংশ তার লেখক -
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।এই অনুচ্ছেদে কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
- সবগুলো গ্রন্থই কাজী নজরুল ইসলামের- এমন গুচ্ছ নয় কোনটি?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটিতে কাজী নজরুল ইসলাম কোন সম্ভে দাম্ভিক হওয়ার কথা বলেছেন?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত জীবনীকাব্য?
- নজরুলের মতে আমরা কার মুরিদ ?