সুফিয়া কামালের পৈতৃক নিবাস কোথায় ?
A. ঢাকায়
B. বরিশালে
C. কুমিল্লায়
D. হুগলিতে
সঠিক উত্তরঃ
C.
কুমিল্লায়
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।"উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য থাকলেও বৈপরীত্য কম নয়।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- কোন কবিতায় নাট্যগুণ রয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির নীরবতার কারণ কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোথায় বসন্তের আবির্ভাব ঘটেছে?
- সালমা ও জামিল দাম্পত্য জীবনে সুখেই দিনাতিপাত করছিল। হঠাৎ এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল জামিল। ছন্দপতন ঘটল সালমার সুখময় জীবনে। যদিও পরবর্তীকালে শামীম নামের এক ভদ্রলোকের সাথে সালমার আবার বিয়ে হয়। কিন্তু প্রথম স্বামীর স্মৃতি সে এক দিনের জন্যেও ভুলতে পারেনি। কারণ, সে ছিল তার সকল কাজের প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে সালমা প্রথম স্বামীর কথা স্মরণ করে একদম উদাসীন হয়ে যায় এবং স্বামীর কবরের পাশে বসে নীরবে অশ্রুপাত করে। কেননা তার সেই ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালেই তাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে গেছে।"উদ্দীপকের সালমার মনের কষ্ট আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির হৃদয়ের রক্তক্ষরণ এক সূত্রে গাঁথা'- আলোচনা করো।
- ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতি এক নতুন সাজে সজ্জিত হয়। শীতের শুষ্কতা কাটিয়ে প্রকৃতি তখন নব যৌবন লাভ করে। গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়, ফুলে ফুলে ভরে যায় অবারিত মাঠ-ঘাট ও বাগান। আমের মুকুল মৌ মৌ গন্ধে তখন চারদিক মুখরিত মুখারিত হয়ে ওঠে। এই ঋতুতে বিরহীদের মন প্রিয়জনের সান্নিধ্য খোঁজে। তাদের কথা বেশি বেশি মনে পড়ে। কারণ, প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রভাব তখন মানব মনে পড়ে। কবি-সাহিত্যিকগণ তখন নতুন নতুন সাহিত্য চর্চায় আত্মনিয়োগ করার অনুপ্রেরণা লাভ করেন।বসন্তের সঙ্গে মানব মনের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে'- উদ্দীপকের উক্তিটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি?'— 'তাহারেই পড়েমনে' কবিতার এই চরণ দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে-
- 'তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় কবির অনুভূতির সাথে কোনটি তুলনীয়?
- কোনটি সুফিয়া কামাল এর কাব্য গ্রন্থ নয়?
- এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরার মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে...অতিথি বিদায় নিলে আবারো দাঁড়াই এসে ফটোগ্রাফটির মুখোমুখি প্রশ্নাকুলচোখে, ক্ষীয়মান শোকে।ফ্রেমের ভেতর থেকে আমার সন্তানচেয়ে থাকে নিষ্পলক, তার চোখে নেই রাগ কিংবা অভিমান।উদ্দীপকের বিষয়ভাবনা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার ভাববস্তুর সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
- 'অলখ' শব্দটি তাহারেই কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- সুফিয়া কামালের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
- (i) তোমাকে যে ভালোবাসি এ কথা বাতাসেও জেনেছেএই বার্তা মুখে করে প্রভাময়ী আলো নিয়ে যায়আমাদের প্রেমের রূপে নীলবর্ণ আকাশ টাঙ্গায়দিকে দিকে জাগে ভোর, বনভূমে পাখিরা সেজেছে।(ii) তুমি চলে গেছ কত যুগ কত বছর?এইমাত্র সমুখে ছিলে, পাত্রে জল কাঁপছে এখনোযেন কোনো এক স্বপ্নঘেরা বাগানে লুকানোতোমার প্রেমের রূপ, প্রতিশ্রুতি, মিথ্যের শব্দবহর।"উদ্দীপক দুটি যেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলকথা।"- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা অবলম্বনে বিচার করো।
- কোন কবিতায় বাতাবি লেবুর উল্লেখ আছে?
- 'বসন্ত বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি, এ মোর মিনতি।' কোন কবিতা থেকে নেয়া?
- বাঙালি নারীর আত্মজাগরণে যে নারীর অবদান বেশি, তিনি হলেন রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। বিবাহের পর উদার মানসিকতার অধিকারী স্বামী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের, পরম মমতায়। ও সহযোগিতায় এবং নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তিনি স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন। আত্মশুদ্ধি ও নিজের জানার জগৎকে পরিশুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে, তিনি সাহিত্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর সাহিত্য সাধনায় বাঙালি মুসলিম নারী সমাজই মুখ্য হয়ে ওঠেন। সাহিত্য সাধনায় যখন তিনি নিয়োজিত তখন হঠাৎ করে • তাঁর প্রাণপ্রিয় স্বামী পরপারে যাত্রা করেন। এতে তিনি মর্মাহত হন। বিষাদপূর্ণ অন্তরে আপন কর্ম সম্পাদনের জন্য কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গালর্স স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে আজ বাঙালি নারী সমাজ মুক্ত-স্বাধীনভাবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে সমাজে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করছেন।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তুর সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রকাশিত হয়—
- ‘কুহেলী উত্তরী তলে-সন্ন্যাসী’ উদ্ধৃতির শূন্যস্থানে বসবে-
- এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরার মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে...অতিথি বিদায় নিলে আবারো দাঁড়াই এসে ফটোগ্রাফটির মুখোমুখি প্রশ্নাকুলচোখে, ক্ষীয়মান শোকে।ফ্রেমের ভেতর থেকে আমার সন্তানচেয়ে থাকে নিষ্পলক, তার চোখে নেই রাগ কিংবা অভিমান।"উদ্দীপকের দুঃখবোধ আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার অনুভূতি একইসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটি যাচাই কর।
- কলেজ থেকে শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার গেল গালিবসহ তার বন্ধুরা। সাগরের পানিতে নেমেছে সবাই, খুবখুব হৈচৈ আর লাফালাফি করে গোসল করছে তারা। হিমছড়ি পাহাড়ে উঠে আনন্দে আত্মহারা সবাই। কিন্তু গালিব এক কোণে বসে আছে, তার মনে কোনো-আনন্দ নেই, কারণ পাঁচ বছর আগে সে তার বাবার সাথে এখানে এসেছিল, অনেক আনন্দ করেছিল সবাই মিলে। এখন তার বাবা নেই, কিন্তু বাবার রেখে যাওয়া সেই স্মৃতি তাকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে সমস্ত আনন্দই তার কাছে ম্লান হয়ে আসে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও গালিব ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি উভয়ের অন্তরে রয়েছে তীব্র বেদনা।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো
- মনে পড়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি,লাখো বাঙালির কাতর চিত্তে করুণ আহাজারি,একুশ তুমি বাংলার মানুষের হৃদয়ভরা আশা,তোমার কারণে পেয়েছি আজ কাঙ্ক্ষিত মাতৃভাষা,রক্ত ঝরাল, সালাম, বরকত, রফিক, শফিক জব্বার,বায়ান্নর সেই করুণ কাহিনি মনে পড়ে বরাবর,স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে সে বিষণ্ণ দিনের কথা,যত ভাবি ততই যেন মনে পাই বড়ো ব্যথা।উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার বৈসাদৃশ্য দেখাও।
- মুন্না বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। হঠাৎ তার শিশুপুত্র সড়ক দুর্ঘটনায়নিহত হয়। পুত্রশোকে সে ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে।এমনকি ঈদের নামা?? পড়তেও যেতে পারেনি।উদ্দীপকে ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়যুগপৎভাবে ফুটে উঠেছে—নির্লিপ্ততাস্মৃতিকাতরতাপ্রিয়জন হারানোর বেদনানিচের কোনটি সঠিক?
- সুফিয়া কামালের পৈত্রিক নিবাস কোথায় ছিল?
- সগির বৈরাগীর কন্ঠ আর তার হাতের দোতারা যেন অবিচ্ছেদ্য। প্রায় একযুগ ধরে ভাওয়াইয়া গান গেয়ে উত্তরবঙ্গের মানুষের মনে তার নাম গেঁথে গেছে। এবার তিস্তা চরে নদীভাঙা মানুষদের নবান্নের উৎসবে গান গাইছেন তিনি। হঠাৎ খবর পান তার গুরু জয়ন্ত বৈরাগী মরণাপন্ন। স্তব্ধ হয়ে গেলেন সগির বৈরাগী। তারপর কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে গুরুর নামে দ্বিগুণ আবেগে আবার গাইতে শুরু করেন- কেননা 'The show must go on.'উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য বিচার করো।
- 'রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া।'- উক্তিটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- মাঘের সন্ন্যাসী কোথায় চলে গিয়েছে?
- 'নানা কবি ঢালে গান নানা দিক থেকে' – কোন কবিতার চরণ?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ব্যবহৃত 'উত্??রী' শব্দের অর্থ কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন ফুলের কুঁড়ির কথা উল্লেখ আছে ?
- 'কুহেলী' শব্দের অর্থ কী?
- অলখ শব্দের অর্থ কি?
- গঠনরীতির দিক থেকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কী ধরনের রচনা?
- "শুনি-নাই, রাখিনি সন্ধান।" কবি কিসের সন্ধান রাখেন নি?
- 'যে করে সেই কর্তা/কর্তা যাহা করে _____ বলে জানি তাহা কারকের বিচারে’ শূন্যস্থানে কী বসবে?
- কলেজ থেকে শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার গেল গালিবসহ তার বন্ধুরা। সাগরের পানিতে নেমেছে সবাই, খুবখুব হৈচৈ আর লাফালাফি করে গোসল করছে তারা। হিমছড়ি পাহাড়ে উঠে আনন্দে আত্মহারা সবাই। কিন্তু গালিব এক কোণে বসে আছে, তার মনে কোনো-আনন্দ নেই, কারণ পাঁচ বছর আগে সে তার বাবার সাথে এখানে এসেছিল, অনেক আনন্দ করেছিল সবাই মিলে। এখন তার বাবা নেই, কিন্তু বাবার রেখে যাওয়া সেই স্মৃতি তাকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে সমস্ত আনন্দই তার কাছে ম্লান হয়ে আসে।উদ্দীপকের গালিব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন দিকটি ধারণ করেছে? আলোচনা করো।
- বর্ষায় বাংলার প্রকৃতি যেন ভিন্ন এক রূপের পসরা সাজায়। বিলের বুকে কলমিলতা, শাপলার অনাবিল সৌন্দর্য, পানকৌড়ির লুকোচুরি- কার না ভালো লাগে। কিন্তু শিল্পী নাজমা বিলের ধারে বেড়াতে এসেও যেন কেন আনমনা হয়ে আছেন। এমনি এক বর্ষায় নৌকাডুবিতে চিরতরে হারিয়ে যায় তার স্নেহের দুটি ভাই-বোন। শাপলা-শালুকভরা শাশ্বত বাংলার বর্ষা প্রকৃতি দেখেও আজ তাই কণ্ঠশিল্পী নাজমার কণ্ঠে ধ্বনিত হয় না কোনো গান। তার হৃদয় জুড়ে শুধুই বিষণ্ণতা।"তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে উদ্দীপকটির বিষয়গত প্রচুর বৈসাদৃশ্য রয়েছে"- বিশ্লেষণ কর।
- 'চলো, কোথাও একটু ঘুরে আসি' -বাক্যটিতে 'কোথাও' শব্দটির ব্যাকরণিক শব্দ কোনটি?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'পুষ্পারতি বলতে বোঝানো হয়েছে- ফুলের সৌরভ ফুলের নিবেদন ফুলের বন্দনানিচের কোনটি সঠিক?
- 'ফুটেছে কী আমের মুকুল'? উক্তিটি কার?
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।উদ্দীপকের রত্না আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কষ্ট একসূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।