‘রেইনকোট’ গল্পে নুরুল হুদা বাড়ি বদল করেছেন কতবার?
A. দুইবার
B. তিনবার
C. চারবার
D. পাঁচবার
সঠিক উত্তরঃ
C.
চারবার
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ১০ মার্চ, ১৯৭১। রাস্তায় রাস্তায় পাকিস্তানি মিলিটারি। গুয়াতলী গ্রামের হিন্দু জনগোষ্ঠী ভয়ে ভারতে পাড়ি জমায়। শুধু ভিটে আঁকড়ে পড়ে থাকে কেষ্টবাবু। পাশের গ্রামে, ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প। স্থানীয় রাজাকার কাশেম মোড়ল কেষ্টবাবুকে সন্দেহের চোখে দেখে। সে মনে করে কেষ্টবাবু মুক্তি বাহিনীর লোক। এক বৃষ্টিমুখর দিনে গুয়াতলী গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করে এবং কাশেম মোড়লের ইশারায় হানাদার বাহিনী তাকে ধরে নিয়ে পার্শ্ববর্তী রাস্তার পাশে জীবন্ত পুঁতে রেখে চলে যায়।"উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের একটি খণ্ডচিত্র মাত্র।"-উক্তিটির সত্যতা যাচাই করো।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একটি ছাত্রাবাস থেকে মিলিটারিরা সাজ্জাদকে তুলে নিয়ে যায়। অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তারা তার পিতার সন্ধান চায়। ক্ষত-বিক্ষত হয়েও সাজ্জাদ নীরর থাকে। মনে পড়ে বাবার শেষ উপদেশ, 'জীবনের চেয়ে দেশ অনেক বড়ো।' নিজেকে একজন দেশপ্রেমী মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মনে করায় তার বুক ফুলে ওঠে।সাজ্জাদের চেতনা 'রেইনকোট' গল্পের মূলভাবকে কতখানি ধারণ করে বলে তুমি মনে করো? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।
- 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদা কোন বিষয়ের শিক্ষক?
- "রাশিয়ার ছিল জেনারেল উইনটার, আর আমাদের জেনারেল..."
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাহাত ভাবল, দেশের এই সংকটময়মুহূর্তে আমি নিশ্চিন্তে ঘরে বসে থাকতে পারি না। তাইএলাকার ১০ জন যুবকের সঙ্গে পরামর্শ করে পাড়িজমায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ।অনুচ্ছেদের রাহাত চরিত্রের ভাবনা 'রেইনকোট' গল্পেকার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়?
- ‘রেইনকোট’ গল্পের বিষয় বস্তু কী?
- ‘Hand out’ এর বাংলা পরিভাষা হচ্ছে
- রেইনকোট গল্পের নুরুল হুদা কোন বিষয়ের লেকচারার ছিলেন?
- ‘রেইনকোট’ গল্পের প্রধান চরিত্রটির নাম কী ?
- কীসে কী হইল, পশ্চিম হতে নরঘাতকেরা আসি সারা গাঁও ভরি আগুন জ্বালায়ে হাসিল অট্টহাসি। মার কোল হতে শিশুরে কাড়িয়া কাটিল সে খান খান, পিতার সামনে মেয়েরে কাটিয়া করিল রক্ত-যান।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
- হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে ক্যাম্পাসে বাজারেবিষাক্ত গ্যাসের মতো বীভৎস গন্ধ দিয়েছে ছড়িয়েআমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না কামনা।"উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের একটি বিশেষ দিক প্রকাশিত হয়েছে।"- মূল্যায়ন করো।
- যে কর্ষণ করে তাকে কি বলে?
- 'রেইনকোট' গল্পে ইসহাক ট্যাক্সি ক্যাবে কার বাড়ির দিকে রওনা হয়?
- ‘রেইনকোট' গল্পে নুরুল হুদার কাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে ইচ্ছা করল?
- তালেব মাস্টার অত্যন্ত ভীতু প্রকৃতির একজন মানুষ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের জন্য তার দাদার ফাঁসি হয়। সেই দাদার একজোড়া বুট এখনো তাদের আলমারিতে রক্ষিত আছে। মাঝে মাঝে সে বুটজোড়া পায়ে দেন মাস্টার। শরীরে সাহস সঞ্চার হয়, শরীরে আলাদা একটা উত্তেজনা অনুভব করেন। মুক্তিযোদ্ধারা ব্রিজ-কালভার্ট উড়িয়ে দিয়েছে, মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগসাজশ আছে ভেবে পাকিস্তানিরা তাকে গ্রেফতার করে। তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চলে। কিন্তু পায়ে থাকা দাদার বুটজোড়া তাকে সাহসী করে তোলে। দেশপ্রেম তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। তাঁর মুখ থেকে একটি শব্দও বের করতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তানি সেনারা।উদ্দীপকের তালেব মাস্টারের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
- মমতাজ উদ্দীন আহমদ রচিত নাটক 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা'। এ নাটকের উজ্জ্বল চরিত্র। দারোগা নুর মোহাম্মদ। অর্থ পুরস্কারের লোভে তিনি আকৃষ্টি হননি। তাইতো ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক পুরস্কার ঘোষিত আসামি স্বদেশি আন্দোলনের নেতাকে হাতের নাগালে পেয়েও ছেড়ে দিয়েছেন। এভাবেই দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করে যাওয়া বিপ্লবী চেতনার সাথে একাত্ম হয়ে গেছেন তিনি।উদ্দীপকের দারোগা নূর মোহাম্মদের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদা চরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে? বুঝিয়ে দাও।
- মিন্টু কত তারিখে মগবাজারের বাসা থেকে চলে গেল?
- 'রেইনকোট' গল্পটির বিষয়বস্তু কী?
- 'রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন।'- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- জেলে বন্দি থাকাকালে ভগৎ সিং ভারতীয় বন্দিদের সমানাধিকারের দাবিতে ৬৩ দিন অনশন করেন। ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত দুজনই ছিলেন অনশন ধর্মঘটে। তাদের স্ট্রেচারে করে যখন আদালতে আনা হয়, অন্য কারাবন্দিরা অনশনের কথা জানতে পেরে যোগ দেন। ৬৩ দিন অনশনের পর ব্রিটিশশক্তি নতি স্বীকার করে। নিজের দেশকে মুক্ত করার জন্য জীবন বাজি রেখে ভগৎ সিং নানা সংগ্রামে অংশ নেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। পরে হাসিমুখে ব্রিটিশদের দেওয়া ফাঁসির দড়ি তিনি বরণ করে নেন।"উদ্দীপকে বর্ণিত অনশন ধর্মঘটের সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় প্রতিফলিত অনশন ধর্মঘটের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
- তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাসাকিনা বিবির কপাল ভাঙলো;সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলো।দানবের মতো চিৎকার করতে করতেতুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হলো। রিকয়েললেস রাইফেলআর মেশিনগান খই ফোটালো যত্রতত্র।'রেইনকোট' গল্পে শিক্ষক নুরুল হুদার শারীরিক ও মানসিক পরিণতির যে চিত্র বর্ণিত হয়েছে তার প্রতীকী ব্যঞ্জনা উদ্দীপকে নেই। মন্তব্যটি তোমার যুক্তিসহ বিশ্লেষণ কর।
- 'বহু দেখেছে যে' - এক কথায় হবে-
- সঠিক বানান-
- কোন শব্দে ভুল বানান রয়েছে ?
- “অলভ্য জয়ের লোভে, জ্বালায় শহর, গ্রামে গ্রামেপ্রাচীন সংহতি ভেঙে ভগ্নস্তূপে দূরের উল্লুক'উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টি সাদৃশ্যমান?
- অযুত প্রাণের অগ্নিশিখায় সূর্য-কুঁড়িফৌজের হাঁকে কাঁপে থরথর দস্যুপুরী,নিমেষে ছড়ায়-তারই আওয়াজ দিগন্তরেমনে কি পড়ে?অযুত প্রাণের অগ্নিশিখার সূর্য-কুঁড়ি বলতে কী বোঝানো হয়েছে? 'রেইনকোট' গল্পের আঙ্গিকে আলোচনা করো।
- 'কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতি-আক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায়, খান সেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না। কখনো কখনো খতরনাক অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। হাট-বাজারের লোকজন, মিল-ফ্যাক্টরির শ্রমিক, দোকানদার, স্কুল মাস্টার, ছাত্র সকলকে কাতারবন্দি করে কন্দুকের নল উচিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে, 'মুক্তি কিধার হায় বোলো।' এক উত্তর, ওরা জানে না।উদ্দীপকের ঘটনা 'রেইনকোট' গল্পের সাথে কি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'রেইনকোট' গল্পটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ‘জঙ্গম’ শব্দটি দিয়ে বোঝায়-
- দেশমাতৃকার মুক্তির শপথ নিয়ে মুক্তি বাহিনীতে যোগ দেয় হুমায়ূন সাহেবের পাঁচ ছেলে। রাজাকারের মাধ্যমে এই খবর জানতে পেরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী হুমায়ুন সাহেবের ঘর- বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। অবশেষে ক্যাম্পে ধরেও নিয়ে যায় তাকে, বারবার জানতে চায় তাঁর -ছেলেদের ঠিকানা। হুমায়ুন সাহেব চুপ করে করে থাকলে তাঁর পিঠের ওপর প্রচন্ড জোরে চাবুকের আঘাত করে। যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়েন তিনি। রক্তাক্ত ও ক্ষত-বিক্ষত হয় তাঁর শরীর। তবু তিনি মুক্তিবাহিনীর কোনো খবর দেননা হানাদার বাহিনীকে।"দেশকে মুক্ত করার জন্য বাঙালি জনসাধারণের আত্মত্যাগই উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের মূল প্রতিপাদ্য।"-মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'রেইনকোট' গল্পের কথকের নাম কী?
- কোন গল্পগ্রন্থ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা?
- রেইনকোট' গল্পের মূল প্রতিপাদ্য কী?
- হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে ক্যাম্পাসে বাজারেবিষাক্ত গ্যাসের মতো বীভৎস গন্ধ দিয়েছে ছড়িয়েআমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না কামনা।'উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের একটি বিশেষ দিক প্রকাশিত হয়েছে।"- মূল্যায়ন করো।
- 'রেইনকোট' গল্পে নুরুল হুদা কোন বিষয়ের লেকচারার?
- নুরুল হুদার সমস্ত ভালো লাগাটা চিড় খায় কখন?
- রুমী চাপা আনন্দ আর উত্তেজনায় ফিসফিস করে বলল, "আম্মা আমরা একটা অ্যাকশন করে এলাম, এই মাত্র সাত আটটা খান সেনা মেরে এসেছি।" আম্মার মুখ হাঁ হয়ে গেল, বলিস কী রে? আনন্দ ডগমগ গলায় কাজী বলল, হা চাচি ১৮ নম্বর রোডে......... মিলিটারির জিপ পিছু নিয়েছিল, তাই দেখে রুমী গাড়ির পেছনের কাছ থেকে গুলি চালায়...... জিপ উল্টে সবগুলো মরেছে।"উদ্দীপকটি 'রেইনকোট গল্পের কাহিনির একটি বিশেষ দিকের প্রতিকায় মাত্র-প্রকৃতপক্ষে 'রেইনকোট' গল্পের প্রেক্ষাপট আরও বিস্তৃত।"- মূল্যায়ন কর।
- কোনটি শুদ্ধ শব্দ?
- ঠান্ডা হাওয়ার ধাক্কা রেইনকোটের তাপে গরম হয়ে ওঠার কারণ কী?
- মেডিকেলের সামনে দিয়ে প্রতিদিনের মতো কর্মস্থলেযাচ্ছিল সদাগরি অফিসের কনিষ্ঠ কেরানি মঞ্জু; হঠাৎ মিছিলআর গুলির শব্দ। ভাষা আন্দোলনকারীদের সাথে মঞ্জুরওপরও বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পুলিশ বাহিনী। তারপরথেকে মঞ্জুও হয়ে ওঠে ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী |উদ্দীপকের মঞ্জু ও 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদার চারিত্রিক ঐক্য—