ম্যালেরিয়ার পরজীবীর কোন প্রজাতির সুপ্তাবস্তা সবচেয়ে কম?
A. প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম
B. প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরি
C. প্লাজমোডিয়াম ভাইবেক্স
D. প্লাজমোডিয়াম ওভেলি
NITORজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)NITOR - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম
Another Explanation (5): ম্যালেরিয়ার পরজীবী হিসেবে বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে *প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম* এর সুপ্তাবস্থা (চলন্ত বা নিদ্রামুক্ত অবস্থায় না থাকা অবস্থায়) সবচেয়ে কম। এর কারণ হলো:
1. **সুপ্তাবস্থার পরিমাণ**:
*প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম* এর জন্য অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় সুপ্তাবস্থা কম, কারণ এই প্রজাতির পরজীবী দ্রুত সক্রিয় হয়ে রোগ সৃষ্টি করে এবং কম সময়ের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে দিতে সক্ষম।
2. **জীবনচক্রের গতি**:
এই প্রজাতির জীবনচক্র দ্রুত সম্পন্ন হয়, ফলে তার সুপ্তাবস্থা বা স্পোরের অবস্থান খুবই সংক্ষিপ্ত। অন্য প্রজাতির তুলনায় এর সুপ্তাবস্থা দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ী হয় না।
3. **সংক্রমণের দ্রুততা**:
*প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম* সংক্রমণ দ্রুত শুরু হয় এবং দ্রুত রোগের লক্ষণ দেখা দেয়, যা এর সুপ্তাবস্থার সময়কে সীমিত করে।
অতএব, উপরের কারণগুলো বিবেচনা করে বলা যায় যে, *প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম* এর সুপ্তাবস্থা সবচেয়ে কম।
Related Questions (Any University/Year)
- লাইটিক ও লাইসোজেনিক চক্রের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
- Plasmodium vivax এর জীবনচক্রে schizont থেকে কি দশা হয়?
- মিতু ও সেতু দুটি ভিন্ন জীবাণু দ্বারা জ্বরে আক্রান্ত । মিতুর জীবাণু অকোষীয় কিন্তু সেতুর জীবাণু কোষীয় এবং যকৃত ও লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস করে। উভয়ের জীবাণু ধ্বংসে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উওম বিশ্লেষণ করো।
- নিচের কোনটি মশকীর লালা গ্রন্থি থেকে মানবদেহে প্রবেশ করে?
- কোনটি সত্য নয়?
- ম্যালেরিয়া ঝুঁকিবিহীন দেশ কোনটি?
- মেরোজয়েট কাকে বলে?
- Plasmodium vivax দ্বারা সৃষ্ট রোগের নাম-
- ম্যালিরিয়া পরজীবি কতৃক লোহিত রক্তকনিকার ভিতরে তৈরিকৃত রঞ্জক-
- কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া রোগের সুপ্তাবস্থা কাল-
- নিম্নের কোন অণুজীব 'জীবাণু অস্ত্র' হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
- Plasmodium malariae সৃষ্ট রোগের নাম কী?
- মশাবাহিত দুটি রোগের মধ্যে একটাতে রক্তের প্লেটলেট নষ্ট হয়ে যায় এবং অপরটিতে দেহের রক্ত শূন্যতা দেখা যায়। দ্বিতীয় রোগটির ক্ষেত্রে আরো যে লক্ষণ দেখা যায় যকৃত ফুলে উঠেকাঁপুনি সহ তীব্র জ্বর ক্ষুধামান্দ্য ও বমিভাবনিচের কোনটি সঠিক?
- যৌন এবং অযৌন জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্য ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুইটি পোষক প্রয়োজন, এদের মধ্যে একটি মেরুদন্ডী অপরটি অমেরুদন্ডী । উদ্দীপকে উল্লেখিত চক্র দুটির মধ্য পার্থক্য চিহ্নিত কর।
- নির্দিষ্ট পরজীবীর সংক্রমণে মানুষের রক্ত স্বল্পতা এবং কাঁপুনিসহ জ্বর আসে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াও বিভিন্নভাবে পরজীবীর ক্ষতি থেকে মানুষ রক্ষা পেতে পারে।উদ্দীপকে উল্লিখিত রক্ত স্বল্পতার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- সাইজন্ট কি? সাইজোগনি ও স্পোরোগনির মধ্যে ৪টি পার্থক্য লিখ
- মানবদেহে ম্যালেরিয়ার জীবাণু প্রবেশের কয়দিন পর জ্বর আসে?
- Plasmodium vivax এর সুপ্তাবস্থা কতদিন?
- মানুষের মধ্যে সেরেব্রাল ম্যালেরিয়া Plasmodium -এর কোন প্রজাতির ?
- ম্যালেরিয়া জীবাণুর যৌন জননে সচল ও লম্বাকৃতির জাইগোটের নাম কী?
- কোনটি ম্যালেরিয়ার ওষুধ?
- জনুক্রম কি?
- A কোষটি যে চক্রের মাধ্যমে তৈরি হয় তার চিহ্নিত চিত্র আঁক।
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর কোন অবস্থা মানবদেহে সংক্রমিত হয়?
- Plasmodium জীবনচক্রের বিষাক্ত অবস্থা কোনটি?
- Plasmodium vivax - এর সুপ্তকাল কোনটি?
- কোন গাছের বাকল হতে ম্যালেরিয়ার ওষুধ তৈরি করা হয়?
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর কোন দশাটি লোহিত রক্ত কণিকায় অনুপস্থিত?
- ডেঙ্গ রোগের লক্ষ্মণ হলl.চোখের সাদা অংশ হলুদ হওয়া চামড়ায় ছোট ছোট লাল ফুসকুড়ি সমগ্র শরীরে ব্যথা অনুভবনিচের কোনটি সঠিক?
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রের স্পোরোগনি পর্যায় কোথায় সম্পন্ন হয়?
- ম্যালেরিয়া জীবাণুর দুটি পোষকের প্রয়োজন কেন?
- ট্রফোজয়েট থেকে ভিলাই বেরোতে থাকে -
- ম্যালেরিয়া জীবাণুর কোন দশায় মানবদেহে প্রবেশ করে?
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর মানবদেহে সংঘটিত জীবনচক্র কী নামে পরিচিত?
- X' ও 'Y' উভয়ই জ্বরে আক্রান্ত হলেও প্রকাশিত লক্ষণ ভিন্ন। 'X' এর প্রচণ্ড মাথা ব্যথাসহ অস্থি সন্ধিতে ব্যথা এবং চামড়ায় লাল র্যাশ দেখা যাচ্ছে। 'Y' এর কাঁপুনিসহ জ্বর, বমি বমি ভাব ও রক্তস্বল্পতা দেখা দিয়েছে।'Y' যে জ্বরে আক্রান্ত সেই জীবাণুটি মশকীর রূপের ভিতর জীবনচক্রের যে অংশ সম্পন্ন করে তার চিহ্নিত চিত্র দাও।
- নিচের কোনটি বিনাইন টার্সিয়ান ম্যালেরিয়ার পরজীবী?
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর কোন প্রজাতির সুপ্তাবস্থা সবচেয়ে কম?
- RBC-তে Plasmodium vivax সংক্রমণ পর্যায় কোনটি?
- সুপ্তাবস্থা বলতে কি বোঝায়?
- ঢাকা শহরে একটি জ্বরের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ জ্বর হলে সমস্ত শরীরে বিশেষ করে মেরুদণ্ডে এবং কোমরে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। রক্তে অণুচক্রিকা কমে যায়। আবার পাহাড়ি অঞ্চলে আরেকটি জ্বরের প্রকোপ বেশি। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় পর পর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।উদ্দীপকে নির্দেশিত প্রথম ধরনের জ্বরের জন্য দায়ী অণুজীবগোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য লেখ।