মোতাহের হোসেন চৌধুরী মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন?
A. নদীকে
B. বৃক্ষকে
C. ধর্মকে
D. আত্নাকে
সঠিক উত্তরঃ
B.
বৃক্ষকে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বাংলা সাহিত্যে সর্বপ্রথম প্রচুর পরিমাণ আরবি ও ফারসি শব্দ ব্যবহার করেন-
- চার্বাক ছিলেন একজন—
- সাগর সাহেবের বাসায় কাজ করে আয়না বিবি। মাস শেষে বেতন পেলেও ঠিকমতো খাবার পায় না সে। ক্ষুধার যন্ত্রণায় মাঝে মাঝে চুরি করে খাবার খায় আয়না। একদিন খাবার চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লে শাস্তি হিসেবে প্রহার করে তাকে তাড়িয়ে দেয়। আয়না বলে, "পেটে ক্ষুধা থাকলে চুরি না করে উপায় কী?"উদ্দীপকের খাবার চুরি 'বিড়াল' রচনার কোন প্রসজোর, সাথে কেন সাদৃশ্যপূর্ণ?
- লক্ষ্মীপেঁচা যার মতো করুন-
- "এবং জ্যাত্যভিমানকে করে বারবার পরাজিত।"- এখানে 'জাত্যভিমান' শব্দটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- আল মাহমুদের কাব্যগন্থ নয় কোনটি?
- 'ঐকতান' শব্দের অর্থ কী?
- তুলসী গাছটি প্রথমে কার চোখে পড়েছিল?
- নিচের কোনটি মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম-মৃত্যু সাল?
- চিরকাল গলার স্বর আমার কাছে বড়ো সত্য। রূপ জিনিসটি বড়ো কম নয়, কিন্তু মানুষের মধ্যে যাহা অন্তরতম এবং অনির্বচনীয়, আমার মনে হয় কণ্ঠস্বর যেন তারই চেহারা। আমি তাড়াতাড়ি গাড়িতে জানালা খুলিয়া বাহিরে মুখ বাড়াইয়া দিলাম, কিছুই দেখিলাম না। প্লাটফর্মের অন্ধকারে দাঁড়াইয়া গার্ড তাহার একচক্ষু লণ্ঠন নাড়িয়া দিল, গাড়ি চলিল: আমি জানালার কাছে বসিয়া রহিলাম। আমার চোখের সামনে কোন মূর্তি ছিল না, কিন্তু হৃদয়ের মধ্যে আমি একটি হৃদয়ের রূপ দেখিতে লাগিলাম। সে যেন এই তারাময়ী রাত্রির মতো, আবৃত করিয়া ধরে কিন্তু তাহাকে ধরিতে পারা যায় না। গুগো সুর, অচেনা কন্ঠের সুর, এক নিমেষে তুমি যে আমার চিরপরিচয়ের আসনটির উপরে আসিয়া বসিয়াছ। কী আশ্চর্য পরিপূর্ণ তুমি- চঞ্চল কালোর ক্ষুদ্র হৃদয়ের উপরে ফুলটির মতো ফুটিয়াছ, অথচ তার ঢেউ লাগিয়া একটি পাপড়িও টলে নাই, অপরিমেয় কোমলতায় এতটুকু দাগ পড়ে নাই ।খ) 'একচক্ষু নন্ঠন' বলতে কী বোখানো হয়েছে? ঘ) কখন কাকে 'তুমি' সম্বোধন করেছে?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে মহাজাগতিক কিউরেটরকোন প্রাণীর বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে নিশ্চিত নয়?
- 'বিড়াল' প্রবন্ধে পতিত আত্মা কে ?
- ধন ধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরাতাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরাও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরাএমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমিসকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি।উদ্দীপকের প্রথম চরণের সাথে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে'-কবিতার সাদৃশ্য নিরূপণ কর।
- ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত জাদুঘরেনানা ধরনের মূল্যবান ভাস্কর্য ও শিলালিপি দেখে সিমি খুববিস্মিত হলো। রাতে সে বাংলার প্রাচীন ও মধ্যযুগেরস্থাপত্য শিল্পের ওপর একটি নিবন্ধ লিখে ফেলল ।সিমি আসলে কোন জাদুঘর দর্শনে গিয়েছিল?
- কাজী আবদুল ওদুদ রচিত অভিধান কোনটি?
- 'যে চাঁদ সাগরে জোয়ার জাগায়, সে হয়ত তাহার শক্তি সম্বন্ধে আজও না ওয়াকিফ।' -এ বাক্যটি কোন রচনার?
- ঐকতান কবিতাটি কোন কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে?
- "জীবন-বন্দনা" কবিতায় শেষ বন্দিত মানুষ-
- "যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান।"- ব্যাখ্যা করো।
- যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়কোন শতকে?
- বৃক্ষ বৃদ্ধি ছাড়াও আর কীসের ইঙ্গিত বহন করে?
- 'সাম্যবাদী' কবিতায় 'দেউল' শব্দটির অর্থ কী?
- 'জান্তা' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে কোন রচনায়?
- এই পদ্মা এই মেঘনা, এই হাজার নদীর অববাহিকায়এখানে রমণীগুলো নদীর মতো, নদী ও নারীর মতো কথা কয়।এই অবারিত সবুজের প্রান্ত ছুঁয়েনির্ভয়ে নীলাকাশ রয়েছে নুয়ে।যেন হৃদয়ের ভালোবাসা হৃদয়ে ফোটেআনন্দ বেদনায় মিলন বিরহ সংকটে।"উদ্দীপকে 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে?" ব্যাখ্যা করো।
- নিদাঘ শব্দের অর্থ কী?
- ‘ঐকতান' রবীন্দ্রনাথের ‘জন্মদিনে’ কাব্যগ্রন্থের কত সংখ্যক কবিতা ?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কবি কোননদীর প্রেম চেয়েছেন ?
- রাজা যায় রাজা আসে’ কাব্যগ্রন্থটি কার রচনা?
- "কৃষ্ণ বিবর" -বইটির লেখক কে?
- 'জীবন-বন্দনা' কবিতায় কোনটি ফলদায়ক কাজ নয়?
- ‘চাষার দুক্ষু’ রচনায় উল্লেখিত দেশবন্ধু উপাধিটি কোন রাজনৈতিক নেতার?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।'বৃক্ষের মতো জাদুঘরও আমাদেরকে সার্থকতার গান শোনায়।'- তোমার মতামত ব্যাখ্যা কর।
- ‘মসনদের মোহ’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- ব্রিটিশ শাসনামলে নীলকর সাহেবরা কৃষকদের অগ্রিম টাকা (দাদন) প্রদান করে নীল চাষ করতে বাধ্য করত। নগদ টাকা পেয়ে কৃষকরা কিছুদিন আরাম আয়েশে কাটাত। উৎপাদিত নীল যখন ইংরেজরা অতি স্বল্প মূল্যে নিয়ে যেতো তখন খাদ্যাভাব প্রকট হয়ে উঠত। ক্ষুধায় কাতর মানুষগুলো আর দাদন নেবে না বলে প্রতিজ্ঞা করলেও নগদ টাকার লোভ সামলাতে পারত না। বাধ্য হয়ে তারা অল্প অল্প জমি বিক্রি করত। ক্রমশ জমি কমতে থাকায় অভাব আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠত। এভাবেই তারা অভাব-চক্রের মাঝে আবর্তিত হত।"উদ্দীপক ও 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উভয়ক্ষেত্রে অভাব চিরায়ত"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- 'বৃক্ষ যে কেবল বৃদ্ধির ইশারা তা নয়', এটি -
- ' তরুছায়ামসী - মাখা ' - কোন রঙ এর প্রসঙ্গ?
- ‘জাদুঘরে কেন যাব’ রচনায় লেখক কুয়েতের জাদুঘরে কী দেখে চমৎকৃত হয়েছেন?
- সাধনার ব্যাপারে বড় জিনিস কী?
- কোন গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলী?
- 'নকশি কাঁথার মাঠ', 'সোজন বাদিয়ার ঘাট', 'রঙিলা নায়ের মাঝি',‘রাখালি', 'বালুচর' ইত্যাদি জনপ্রিয় কাব্যের রচয়িতা কবিজসীমউদ্দীন কবিতায় নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করেছেন গ্রামেরঅবহেলিত মানুষের প্রাত্যহিক জীবন ।উদ্দীপকে প্রকাশিত 'ঐকতান' কবিতার প্রত্যাশিত বৈশিষ্ট্যহলো-মৃত্তিকা সংলগ্নতাসর্বত্রগামী বৈচিত্র্যসাধারণের মনোযাতনা প্রকাশনিচের কোনটি সঠিক?