‘রেইনকোট' গল্পের রেইনকোটটি কার?
A. মিন্টুর
B. আব্দুস সত্তারের
C. নুরুল হুদার
D. আকবর সাজিদের
সঠিক উত্তরঃ
A.
মিন্টুর
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- " আমার নাম? সত্যি বলেছে? আমার নাম বলেছে? "রেইনকোট গল্পে উক্তিটি কার?
- 'রাশিয়ায় ছিল' জেনারেল উইন্টার, আমাদের জেনারেল মনসুন'-বাক্যটির তাৎপর্য বুঝিয়ে লেখো।
- 'বর্ষাকালেই তো জুৎ'- কথাটি তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি কার লেখা?
- প্রিনসিপ্যাল কাকে তোয়াজ করতেন?
- 'মিলিটারি যাদের ধরে, মিছিমিছি ধরে না।' উক্তিটি করেছিল
- 'রেইনকোট' গল্পটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- রেইনকোট গল্পে নিচের প্লাটে থাকে কে?
- ‘রেইনকোট' গল্পে কোন অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের কথা বলা হয়েছে?
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের রেইনকোটটি গল্পে রেইনকোটটি কার ?
- কোনটি " সচেষ্ট" - এর বিপরীত শব্দ -
- 'ক্লাক-ডাউনের রাত' বলতে কী বোঝায়?
- 'রেইনকোট' গল্পে কে এপ্রিলের শুরু থেকে বাংলা বলাছেড়েছে?
- 'Dialect' এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
- 'রেইনকোট' গল্পে কোন বিষয়টি অধিক ব্যঞ্জনাময়হয়ে উঠেছে?
- ‘Hand out’ এর বাংলা পরিভাষা হচ্ছে
- 'Bad workman quarrels with his tools' এর অর্থ হল ---
- ’বলেশ্বর নদী’ বা ‘রূপসা নদী’ এ প্রয়োগ শুদ্ধ, কারণ-
- রেইনকোট' গল্পে উল্লিখিত প্রিনসিপ্যাল-সুযোগ সন্ধানী দেশবিরোধীতোষামুদেনিচের কোনটি সঠিক?
- সাদবীন একটি স্কুলে মালীর কাজ করে। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজমান। হঠাৎ রাতে তার বাড়িতে আশ্রয় নেয় দূরসম্পর্কের এক আত্মীয়। পরে জানতে পারে সে ছিল একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা। ভুলক্রমে তার একটি অস্ত্র ফেলে ভোররাতে সে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রটি হাতে নিলে সাদবীনের ভিতরে দ্রোহের ভাব লক্ষ করে। কাউকে কিছু না জানিয়ে সে যুদ্ধে চলে যায় দেশ স্বাধীন করার জন্য।'সাদবীনদের 'দ্রোহ চেতনা স্বাধীনতা অর্জনের অন্যতম কারণ।'- উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- ‘রেইনকোট’ গল্পে ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদা মুক্তিযোদ্ধাশ্যালকের রেইনকোট গায়ে দিলে তার মধ্যে সঞ্চারিতহয়— উষ্ণতাসাহসদেশপ্রেমনিচের কোনটি সঠিক?
- দুবার জন্ম যার-
- ‘হরিৎ’ শব্দের অর্থ-
- 'এসব হলো ইনটার্নাল অ্যাফেয়ার'- 'রেইনকোট গল্পে এসব দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?মানুষ মেরে সাফ করাবাড়িঘর পোড়ানোশহিদ মিনার ভেঙে ফেলানিচের কোনটি সঠিক?
- হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে ক্যাম্পাসে বাজারেবিষাক্ত গ্যাসের মতো বীভৎস গন্ধ দিয়েছে ছড়িয়েআমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না কামনা।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূণ ব্যাখ্যা করো।
- 'ভোর রাত থেকে বৃষ্টি'-এই 'বৃষ্টি' সম্পর্কে নূরুল হুদার অভিব্যক্তি বর্ণনা করো।
- 'আব্বু ছোট মামা হয়েছে'- ছোট্ট মেয়ের এ উক্তিতে প্রফেসর কেন চমকে উঠেন?
- 'রেইনকোট' গল্পে পিয়নের নাম কী?
- ১৯ শে অক্টোবর ১৯৭১ সালে ঢাকার মতিঝিল এলাকায় একটি ব্যাংকের সম্মুখে পাকিস্তানি জঙ্গী সরকারের তাঁবেদারদের একটি মোটরগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। আমাদের দুঃসাহসিক বীর তরুণরা প্রকাশ্যে টহলরত হানাদার সৈন্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে উক্ত গাড়ির আসনের নিচে একটা 'টাইম বোমা' বসিয়ে দেয়। এরপর তাঁবেদাররা ব্যাংক লুট করে মোটরে আসনে গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র এলাকা প্রকম্পিত করে বোমাটি বিস্ফোরিত হলে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য গাড়িও একসঙ্গে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ফলে ঘটনাস্থলে ৫ জন তাঁবেদার খতম এবং কয়েকজন মারাত্মক আহত হয়। গেরিলা যোদ্ধাদের এরকম কর্মকাণ্ড অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তোলে এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রেরণা জোগায়।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- ১৯৭১ সালে সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে নান্দিনা গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সদস্যরা আশ্রয় নেয়। তাদের নানাভাবে সাহায্য করতে থাকে ঐ গ্রামের আবুল মন্ডল। একদিন তার দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে পাকিস্তানি হাদানার বাহিনীর সদস্যরা অধ্যাপক সাজেদুল ইসলামকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। তাঁর কাছ থেকে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে জানতে চাইলেও তিনি তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান।উদ্দীপকের অধ্যাপক সাজেদুল ইসলাম যেন 'রেইনকোট' চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করেছে। তোমার মতামত ব্যক্ত কর।
- ১৯ শে অক্টোবর ১৯৭১ সালে ঢাকার মতিঝিল এলাকায় একটি ব্যাংকের সম্মুখে পাকিস্তানি জঙ্গী সরকারের তাঁবেদারদের একটি মোটরগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। আমাদের দুঃসাহসিক বীর তরুণরা প্রকাশ্যে টহলরত হানাদার সৈন্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে উক্ত গাড়ির আসনের নিচে একটা 'টাইম বোমা' বসিয়ে দেয়। এরপর তাঁবেদাররা ব্যাংক লুট করে মোটরে আসনে গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র এলাকা প্রকম্পিত করে বোমাটি বিস্ফোরিত হলে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য গাড়িও একসঙ্গে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ফলে ঘটনাস্থলে ৫ জন তাঁবেদার খতম এবং কয়েকজন মারাত্মক আহত হয়। গেরিলা যোদ্ধাদের এরকম কর্মকাণ্ড অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তোলে এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রেরণা জোগায়।'মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা আক্রমণের সফলতা আমাদের অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তুলেছিল।"- উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে তোমার যুক্তি উপস্থাপন করো।
- ‘শ্বাপদ’ শব্দের অর্থ-
- খোয়াবনামা' উপন্যাসটির লেখক কে?
- বাতাস আর বৃষ্টির ঝাপটার সঙ্গে কে ঘরে ঢোকে?
- কীসে কী হইল, পশ্চিম হতে নরঘাতকেরা আসি সারা গাঁও ভরি আগুন জ্বালায়ে হাসিল অট্টহাসি। মার কোল হতে শিশুরে কাড়িয়া কাটিল সে খান খান, পিতার সামনে মেয়েরে কাটিয়া করিল রক্ত-যান।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রতনপুর গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে পরিণত হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতেম আলী হয়ে ওঠেন হানাদার বাহিনীর আশ্রয়দাঁতা ও সাহায্যকারী। তিনি এ কাজে সহকর্মীদেরও বাধ্য করেন এবং কেউ সম্মত না হলে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। অধিকাংশ শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের কাজকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পান না। সহকারী প্রধান শিক্ষক বাছেদ মিয়া ভীরু প্রকৃতির মানুষ হলেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। তাঁর পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে হাতেম আলীকে ধরে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করেন।উদ্দীপকের হাতেম আলী 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং কেন?
- সাদবীন একটি স্কুলে মালীর কাজ করে। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজমান। হঠাৎ রাতে তার বাড়িতে আশ্রয় নেয় দূরসম্পর্কের এক আত্মীয়। পরে জানতে পারে সে ছিল একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা। ভুলক্রমে তার একটি অস্ত্র ফেলে ভোররাতে সে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রটি হাতে নিলে সাদবীনের ভিতরে দ্রোহের ভাব লক্ষ করে। কাউকে কিছু না জানিয়ে সে যুদ্ধে চলে যায় দেশ স্বাধীন করার জন্য।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'রেইনকোট' গল্পে উল্লিখিত ঢাকা কলেজের প্রিন্সিপালের নাম কী?
- 'সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- কুয়াশা শব্দের প্রতিশব্দ হলো-