'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি কার লেখা?
A. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
B. আখতারুজামান ইলিয়াস
C. শওকত আলী
D. মানিক বন্দোপাধ্যায়
সঠিক উত্তরঃ
B.
আখতারুজামান ইলিয়াস
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘রেইনকোট' মুক্তিযুদ্ধের কোন পর্যায়ের গল্প ?
- 'রেইনকোট' গল্পটি কোন গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
- 'রেইনকোট' গল্পে রেইনকোটটি কীসের প্রতীক?
- ‘রেইনকোট’ গল্পে রেইনকোটটি কার?
- ‘রেইনকোট' গল্পে নুরুল হুদার কাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে ইচ্ছা করল?
- 'শৃঙ্খলা' শব্দের বানানে 'ঙ' স্থানে ' ং' হবে না; কারণ, শব্দটি-
- কোনটিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ রয়েছে?
- ‘রেইনকোট' গল্পের রেইনকোটটি কার?
- ‘রেইনকোট’ গল্পের বিষয় বস্তু কী?
- 'রাশিয়ায় ছিল' জেনারেল উইন্টার, আমাদের জেনারেল মনসুন'-বাক্যটির তাৎপর্য বুঝিয়ে লেখো।
- 'রেইনকোট' গল্পে পিয়নের নাম কী?
- ইয়েস-নো-ভেরি গুড টাইপ ইংরেজি শিখে বাঙালি রামকানাই ইংরেজনীলকরদের কাছে নিজেকে বিশ্বস্ত প্রমাণ করার জন্যনীলচাষীদের উপর অমানবিক নির্যাতনের উপায় বাতলে দেয়।নির্যাতন অসহনীয় হয়ে উঠলে প্রতিরোধ ছাড়া উপায় থাকে নাবাঙালি চাষীদের।উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পে যুগপৎ প্রকাশিত হয়েছে____
- বাসস্ট্যান্ডে নুরুল হুদাকে দাঁড়াতে দেখলে দোকানদার ছেলেটা যেসব খবর দেয়-মুক্তিযোদ্ধা কর্তৃক খান সেনাদের খতম করার খবরমিলিটারি জিপ উল্টে দেওয়ার খবররংপুর-দিনাজপুরে বেশিরভাগ জায়গা স্বাধীন হওয়ার খবরনিচের কোনটি সঠিক?
- জেলে বন্দি থাকাকালে ভগৎ সিং ভারতীয় বন্দিদের সমানাধিকারের দাবিতে ৬৩ দিন অনশন করেন। ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত দুজনই ছিলেন অনশন ধর্মঘটে। তাদের স্ট্রেচারে করে যখন আদালতে আনা হয়, অন্য কারাবন্দিরা অনশনের কথা জানতে পেরে যোগ দেন। ৬৩ দিন অনশনের পর ব্রিটিশশক্তি নতি স্বীকার করে। নিজের দেশকে মুক্ত করার জন্য জীবন বাজি রেখে ভগৎ সিং নানা সংগ্রামে অংশ নেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। পরে হাসিমুখে ব্রিটিশদের দেওয়া ফাঁসির দড়ি তিনি বরণ করে নেন।"উদ্দীপকে বর্ণিত অনশন ধর্মঘটের সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় প্রতিফলিত অনশন ধর্মঘটের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
- মিসক্রিয়েন্টরা সব খতম।'— এখানে 'মিসক্রিয়েন্টবলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
- কোনটি শুদ্ধ শব্দ?
- "বাজারে মিলিটারি ঢোকার পর থেকেই কলিমদ্দি দফাদারের ওপর বোর্ড অফিস খোলার ভার পড়েছে। অপেক্ষাকৃত কমবয়স্ক চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান মিলিটারির ভয়ে পারতপক্ষে এদিকে আসেন না। মেম্বারগণও আত্মগোপন করেছেন। কিন্তু বোর্ড অফিস নিয়মিত খোলা রাখার হুকুম জারি আছে। কলিমদ্দি এ কাজ করার জন্য বাজারে আসে। খান সেনারা ওকেই ওদের অভিযানে সঙ্গী করে নেয়। সে সরকারি লোক, নিয়মিত নামাজ পড়ে এবং যা হুকুম তা পালন করে। সুতরাং সন্দেহের কারণ নেই।" তাই এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পাক-ক্যাম্পের খবর মুক্তি বাহিনীর নিকট সরবরাহ করাসহ পাকিস্তানি হানাদারদের বিপথে চালিত করতে পারে কলিমদ্দি। 'রেইনকোট' গল্পে বর্ণিত কলেজের পরিস্থিতির সাথে উদ্দীপকের বোর্ড অফিসের পরিস্থিতির তুলনা করো।
- সঠিক বানান কোনটি?
- 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ ঢাকার চিত্র ফুটে উঠেছে। ওই সময়ে পাকিস্তানি মিলিটারি ঢাকা শহরকে পুরো নিয়ন্ত্রনে রেখেছিল। সময়ে- অসময়ে কারফিউ জারি করে মানুষকে ঘরে থাকতে বাধ্য করত। কখনো মানুষকে ধরে কিংবা বাস থেকে নামিয়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে মেরে ফেলত। সেই পরিস্থিতিতেই বদিউল আলম তাঁর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা দল নিয়ে ঢাকায় ঢুকে বিভিন্ন অপারেশন চালাত। এভাবেই একদিন গুলিবিদ্ধ হন এবং মারা যান।উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্রটি 'রেইনকোট' গল্পের আরেক রূপ-ব্যাখ্যা কর।
- 'রেইনকোট' গল্পের কলেজের পিওনের নাম কী?
- কলিমদ্দি দফাদার ষাটোর্ধ্ব। তিনি সরকারি চাকরি করেন; পাকিস্তানি সেনাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া তাঁর ডিউটি। তাই মানুষ তাঁকে রাজাকার ভাবে। মুক্তিসংগ্রামে যেতে না পারায় তাঁর মনে দুঃখ। কিন্তু সুযোগ পেয়ে একবার একদল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ভুল। পথ দেখিয়ে বিপদে ফেলেছিলেন। এটাও তাঁর মুক্তিসংগ্রামে অংশগ্রহণ, কলিমদ্দি স্বস্তি পায় দেশের পক্ষে কাজ করতে পেরে।কলিমদ্দি দফাদারের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের নূরুল হুদার বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
- "রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন"- ব্যাখ্যা করো।
- ‘ঐহিক’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো-
- ‘রেইনকোট’ গল্পের সঙ্গে কোনটি সবচেয়ে সংগতিপূর্ণ?
- 'রেইনকোট' গল্পটি কোন গ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে?
- ‘সাক্ষী গোলাপ’ হলো-
- মিলিটারি পান্ডা কোথায় বসেছিল?
- কোনটি শুদ্ধ শব্দগুচ্ছ?
- কোন শব্দযুগল ভিন্নার্থক নয়?
- মাস তিনেক পর শহরে গেরিলা অপারেশন করতে এসে রাজাকারের হাতে ধরা পড়ে মিনহাজউদ্দিন। ওকে ক্যাম্পে এনে বকুল গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। উলঙ্গা শাস্তি সকালে দশ বেত। বিকেলে দশ বেতা। এমন দৃশ্য রহমত আলীর জীবনের শ্রেষ্ঠ আনন্দ। শুধু জানালায় বসে থাকলে এ দৃশ্য পুরোপুরি উপভোগ করা যায় না। বেত মারার আগেই বকুলতলায় এসে দাঁড়ায়। দু'কান ভরে মিনহাজউদ্দিনের গোঙ্গানি শোনে। বেইমানের এমন চরম শাস্তিই তো পাওয়া উচিত। যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করার জন্য ভীতু লোকটা সাহসী হয়ে গিয়েছিল। পালিয়েছিল বাড়ি থেকে।"উদ্দীপক বর্ণিত ন??র্যাতন চিত্র 'রেইনকোট' গল্পের মিলিটারির বর্বরোচিত আচরণের সাথে - সাদৃশ্যযুক্ত।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- চারদিন ধরে বৃষ্টি। শনিবার রাতে কি মুষলধারেই যে হলো, রোববার তো দিনভর একটানা। গতকাল সকালের পর বৃষ্টি থামলেও সারাদিন আকাশ মেঘলা ছিল। মাঝে মাঝে এক পশলা বৃষ্টি এখন সন্ধ্যার পর বৃষ্টি নেই। ঘন ঘন মেঘ ডাকছে আর বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। বসার ঘরের জানালা দিয়ে তাকিয়ে ভাবছিলাম, আমার জীবনেও এতদিনে সত্যি সত্যি দুর্যোগের মেঘ ঘন হয়ে আসছে। এ 'রকম সময় করিম এসে ঢুকল ঘরে। সামনে সোফায় বসে বলল, ফুফুজান এ পাড়ার অনেকেই চলে যাচ্ছে বাড়ি ছেড়ে। আপনারা কোথাও যাবেন না? আরও একটা কথা শুনেছেন ফুফুজান? নদীতে নাকি প্রচুর লাশ ভেসে যাচ্ছে। পেছনে হাত বাঁধা, গুলিতে মরা লাশ।উদ্দীপকের প্রথমাংশের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- 'এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- 'বিহান' - এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
- 'রেইনকোট' গল্পের প্রধান চরিত্রটির নাম কী?
- লেফাফা দুরস্ত' বাগধারাটির অর্থ কী ?
- ১০ মার্চ, ১৯৭১। রাস্তায় রাস্তায় পাকিস্তানি মিলিটারি। গুয়াতলী গ্রামের হিন্দু জনগোষ্ঠী ভয়ে ভারতে পাড়ি জমায়। শুধু ভিটে আঁকড়ে পড়ে থাকে কেষ্টবাবু। পাশের গ্রামে, ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প। স্থানীয় রাজাকার কাশেম মোড়ল কেষ্টবাবুকে সন্দেহের চোখে দেখে। সে মনে করে কেষ্টবাবু মুক্তি বাহিনীর লোক। এক বৃষ্টিমুখর দিনে গুয়াতলী গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করে এবং কাশেম মোড়লের ইশারায় হানাদার বাহিনী তাকে ধরে নিয়ে পার্শ্ববর্তী রাস্তার পাশে জীবন্ত পুঁতে রেখে চলে যায়।"উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের একটি খণ্ডচিত্র মাত্র।"-উক্তিটির সত্যতা যাচাই করো।
- 'রেইনকোট' গল্পে ইসহাক ট্যাক্সি ক্যাবে কার বাড়ির দিকে রওনা হয়?
- ‘সৃষ্টি’-র বিপরীত শব্দ-
- 'ক্লাক-ডাউনের রাত' বলতে কী বোঝায়?
- 'যেন বৃষ্টি পড়ছে মিন্টুর রেইনকোটের ওপর।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।