সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকাণ্ড ঘটে কোথায়?
A. ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে
B. জাফরাগঞ্জের কয়েদখানায়
C. নিজ প্রাসাদে
D. নবাবের দরবারে
সঠিক উত্তরঃ
B.
জাফরাগঞ্জের কয়েদখানায়
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- উমিচাঁদ কোথাকার অধিবাসী ছিলেন?
- 'ইউ ক্যান ফিল রিয়েলি সেফ নাও।' ক্লাইভ যাকে এ কথা বলেছেন
- মিরজাফর কোন দেশ হতে ভারতে আসেন?
- যিশুর খুবই কাছের সহচর ছিল জুডাস। একদিন জুডাস মাত্র ৩০. রৌপ্য মুদ্রার বিনিময়ে যিশুকে রোমান সৈন্যদের হাতে ধরিয়ে দিতে সহায়তা করে। উত্ত চরিত্রের কর্মফল ঘটে- দেশপ্রেমিকের মৃত্যু ইংরেজদের উথানগণবিক্ষোভ হয় নিচের কোনটি সঠিক?
- 'কত বড়ো শক্তি, তবু কত তুচ্ছ।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের তৃতীয় অঙ্কে দৃশ্য সংখ্যা কত?
- 'শুধুই অপমান নেই আমার'- এ উক্তির মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে সিরাজউদ্দৌলার-
- সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছিনা তো?— উক্তিটি কার?
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান'। পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা, সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট সাজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটির শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট সাজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'সাজাহান'।
- সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কে কৃতঘ্ন?
- "ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।" ব্যাখ্যা করো।
- "শুধু ওই একটি পথেই আবার আমরা উভয়ে উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।"- ব্যাখ্যা কর।
- ‘উই হ্যাভ কাম টু আর্ন মানি অ্যান্ড নট টু গেট ইন টু পলিটিক্স ।’ সিরাজউদ্দৌলা নাটকের এই সংলাপ উচ্চারণ করেছে-
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- ‘ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড়লজ্জার কথা।'— উমিচাঁদের উক্তিটিতে প্ৰকাশপেয়েছে—
- 'দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদা মশায়ের চেয়েও বড়ো।'- ব্যাখ্যা করো।
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মঞ্জু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বেদনাবহ পরিণতির খন্ড চিত্র।"- আলোচনা কর।
- কোনটি সঠিক?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমান ধানমন্ডির বাসায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিকষড়যন্ত্রে সপরিবার শাহাদাত বরণ করেন। কিছু বিপথগামীসেনা সদস্য এ কাজে নিয়োজিত ছিল এবং তারাই হাজারবছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মেরে ফেলল। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাসকরতে পারেননি যে, তাঁকে কেউ মারতে পারে।উদ্দীপকের বিপথগামী সেনা সদস্যদের সঙ্গে‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়াযায়?
- সম্রাট আকবরের সভাসদ ছিলেন আবুল ফজল। সম্রাট সাম্রাজ্য পরিচালনার সব বিষয়েই তার সভাসদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। একবার পারস্য সম্রাট আবুল ফজলকে প্রস্তাব দেন যে, 'সে'যদি ভারতবর্ষের নানা গোপনীয় তথ্য পারস্যে পাচার করে, তাহলে তাকে অনেক ধনসম্পদ দেওয়া হবে। আবুল ফজল ঘৃণাভরে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, আমি আমৃত্যু ভারত সম্রাটের হয়ে কাজ করব।"উদ্দীপকের আবুল ফজলের মতো বিশস্ত মানুষ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেও ছিল।"- নাটকের প্রাসঙ্গিক চরিত্র বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত উপস্থাপন করো।
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ‘ইনি কি নবাব না ফকির’ কে, কাকে উদ্দেশ্য করে বলেছে?
- মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতীয় স্বার্থের বদলে নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অনেকেই পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা দেয়। এদের স্বাধীনতাকামী মানুষ ঘৃণা করে। এরা গাদ্দার বলে বিবেচিত হয়।উদ্দীকের গাদ্দার 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের-
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্তকরেছিলেন?
- নারান সিং-এর পরিচয় কি ?
- রবার্ট ক্লাইভ কাকে সেরা বিশ্বাসঘাতক বলেছেন?
- "ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবীকে রেখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত, এ বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।""উদ্দীপকের শেষ দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক"- উক্তিটির যথার্থতা প্রতিপন্ন করো।
- 'নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?'উদ্দীপকের তাত চরিত্রের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে?
- আবেদ আলী এতিম জালালকে আদর, ভালোবাসা আর বিশ্বাস-ভরসা দিয়ে বড় করে তোলেন। তাকে বিশ্বাস করে হাটে বাজারে পাঠান বিকিকিনি করতে। প্রতিবেশীরা সাবধান করলেও আবেদ আলী তা কানে তোলেননি। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে আবেদ আলী বাড়ির ভিতরে থেকে জালালকে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যেতে বলেন। কিন্তু জালাল প্রতিশ্রুতি দিয়েও লোভে পড়ে আবেদ আলীকে ধরিয়ে দেয় রাজাকার আর পাক হানাদারদের হাতে।"উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পুরো ভাব প্রকাশিত না হলেও একটি দিক মাত্র প্রকাশিত হয়েছে"- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- একরাতে একদল অচেনা লোক রাহাত সাহেবের বাড়িতে'আশ্রয় চায়। রাহাত সাহেব দয়াপরবশ হয়ে তাদের থাকা ওখাওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু মধ্যরাতে সেই অচেনালোকেরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে টাকা-পয়সা ও মূল্যবানজিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায় ।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে এরূপ সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়-বাণিজ্য করতে এসে ক্ষমতা দখলের চেষ্টানবাবের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ামিরজাফরদের সাথে গোপনে সন্ধি করানিচের কোনটি সঠিক?
- 'ভিক্টরি, অর ডেথ, ভিক্টরি অর ডেথ'- উক্তিটি কাদের প্রতি করা হয়েছিল?
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'---কোন ধরনের গ্রন্থ?
- সিরাজউদ্দৌলার পতন হলে কে কত টাকা পাবে বলে দলিল সই হয়?
- সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যস্থান কোনটি?
- "এতক্ষণে"-অরিন্দম কহিলা বিষাদেজানিনু কেমনে আমি লক্ষণ পশিলরক্ষঃপুরে হায়, তাত উচিত কি তবএ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভনিতকুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসবাবিজয়ী।নিজগৃহপত্র, আত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আমি রাজার আলয়ে?উদ্দীপকের 'তাত' চরিত্রের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সমগোত্রীয় চরিত্রের সাদৃশ্য বিচার করো।
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকের 'এক জীবন্ত মুসলিম চরিত্র তোরাপ। এই তোরাপ সোচ্চার হয়েছে সামাজিক নানা অসংগতির বিরুদ্ধে, সমাজপতিদের অন্যায় ও অত্যাচারের বিপক্ষে। একজন গরিব কৃষক হয়েও সে সত্যবাদী, সাহসী ও পরোকারী মানুষ। নবীন মাধবের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে সে প্রস্তুত। তাই নবীন মাধবের সব ধরনের সাহসী কাজে সে তার সঙ্গী হয়। ধর্ম- বর্ণের ভেদাভেদ তার দৃষ্টিতে ছিল না বলেই তোরাপ শেষ পর্যন্ত নবীন মাধবের সাথে ছিল। এমনকি নিরীহ কৃষকদের পাশে থেকে অত্যাচারী শোষক ইংরেজ নীলকরদেরও মোকাবিলা করে গেছে সে।'উদ্দীপক ও সিরাজউদ্দৌলা নাটক উভয় ক্ষেত্রেই অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে বিশ্বস্ত ও দুঃসাহসী যোদ্ধার প্রতিবাদী সংগ্রাম উজ্জ্বল হয়ে ফুটে উঠেছে।'- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- কেউ তো জানে না প্রাণের আকৃতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের কারণে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।"উদ্দীপকের তৃতীয় চরণ যেন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত দিকের উন্মোচক।”- মূল্যায়ন করো।
- সুজন মিয়া এতিম আলীকে আদর, ভালোবাসা দিয়ে বড়ো করে তোলেন। তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করে হাটবাজারে পাঠান বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করার জন্য। প্রতিবেশীরা সুজন মিয়াকে প্রায়ই বলেন, আলীকে এত বিশ্বাস না করতে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে সুজন মিয়া মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করলে আলী গোপনে তার সব খবর। পাকিস্তানি সেনাদের কাছে পৌঁছে দেয়।, পরবর্তীকালে রাজাকার আর পাকিস্তানি সেনাদের কাছে সুজন মিয়াকে ধরিয়ে দেয়।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- 'তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে, সিরাজ।'-কে, কাকে এবং কেন এ উক্তিটি করেছিল?
- 'এ. আর.' একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পদ প্রাপ্তির লোভ করা মানুষের সংখ্যা কম না। ফেরদৌস মিঞা নামে এক ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের সাথে গোপনে হাত মিলিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে 'এ. আর' প্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদ লাভ করেন। কিন্তু একান্তে যখন থাকেন, তখন নিজের মনকে নিজেই প্রশ্নবিদ্ধ করে বসেন 'আমি কি এ পদের জন্য যোগ্য।'"উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিষয়বস্তু আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"-তোমার মতামত ব্যক্ত করো'।