"ধান কাটা হল সারা ভরা নদী .......... " শূন্যস্থানে কোনটি হবে?
A. গতিধারা
B. স্রোতধারা
C. জলধারা
D. ক্ষুরধারা
সঠিক উত্তরঃ
D.
ক্ষুরধারা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- আমায় নহে গো ভালোবাসো, শুধু ভালোবাসো মোর গান।বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান।চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে।'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সঙ্গে উদ্দীপকের বনের পাখির তুলনামূলক আলোচনা করো।
- "সোনার তরী" কবিতাভুক্ত 'ভরা পালে চলে যায়’ - এই চরণের পরের চরণ কোনটি?
- রবীন্দ্রনাথের লেখা গ্রন্থ কোনটি?
- কখন হাল ঠিকমতো রাখা ভার?
- 'বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।' চরণটিতে কৃষকের কীরূপ আবেদন প্রকাশিত হয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা?
- 'একখানি' ছোট খেত, আমি একেলা।' উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- সেইদিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি-এই নদী নক্ষত্রের তলে।সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন-সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!আমি চলে যাব বলেচালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলেনরম গন্ধের ঢেউয়ে?লক্ষ্মীপেঁচা গান গাবে নাকি তার লক্ষ্মীটির তরে?সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!উদ্দীপকে 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- "যত চাও তত লও তরণী পরে"- 'সোনার তরী' কবিতায় পরের পঙক্তি?
- 'চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা'- ব্যাখ্যা করো।
- শিকক্ষ: বাংলাদেশের একটি নান্দনিক স্থাপত্যকর্মেরনাম বলো ।শিক্ষার্থীগণ; বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ।শিক্ষক: সংসদ ভবনের স্থপতি কে?শিক্ষার্থীগণ: জানি না স্যার।শিক্ষক: লুই আই কান। দেখো, তোমরা সৃষ্টিকে চেনো,স্রষ্টাকে নয় ।উদ্দীপকের মর্মার্থ নিচের কোন চরণে প্রকাশ পেয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতায় একই সঙ্গে অন্তলীন হয়ে আছে-একটি জীবনদর্শনমহাকাশের চিরন্তন স্রোতে মানুষের অনিবার্য পরিণতিশূন্যতার অনুপম আনন্দনিচের কোনটি সঠিক?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজী শিরােনাম কী?
- “সকলি দিলাম তুলে ......... ।” এ কবিতাংশের শূন্যস্থান পূরনে কী বসবে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কি?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ?
- 'বাঁকা জল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ওগো তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে? এখানে 'বিদেশ' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- রবীন্দ্রনাথ এর গীতাঞ্জলী কবে প্রকাশিত হয়?
- 'সোনার তরী' কবিতায় কোন সময়ের কথা আছে?
- শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি।' কোন কবিতার চরণ?
- মহাকালের প্রতীক তরণিতে ঠাঁই পায় কেবল-
- এ কথা জানিতে তুমি ভারত-ঈশ্বর শা-জাহানকালস্রোতে ভেসে যায় জীবন যৌবন ধনমানশুধু তব অন্তরবেদনাচিরন্তন হয়ে থাক, সম্রাটের ছিল এ-সাধনা।হীরামুক্ত মাণিক্যের ঘটাযেন শূন্য দিগন্তের ইন্দ্রজাল ইন্দ্রধনুচ্ছটাযায় যদি লুপ্ত হয়ে যাক,শুধু থাকএক বিন্দু নয়নের জলকালের কপোলতলে শ্রভ্র সমুজ্জল এ তাজমহল।'উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাব ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে।'- মন্তব্যটির আলোকে যাচাই করো।
- 'সোনার তরী' কবিতার বর্ণনামতে বর্ষা কখন এল?
- 'বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।'- চরণটিতে কৃষকের কীরূপ আবেদন প্রকাশিত হয়েছে?
- প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আরএমনই সহস্র এসে গেছে বারবার।শাজাহান আর তাঁর মহারাজ্য, পাটঅশোকের সাম্রাজ্যের ঠাটবাটকিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসেনিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতেসময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতেমানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছেনাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্মকর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।উদ্দীপকের মূলসুর 'সোনার তরী' কবিতারই প্রতিধ্বনি।”- মন্তব্যটি যথার্থতা নিরূপণ করো।
- ঠাই নাই, ঠাই নাই- ছোট সে তরী, আমরি সোনার ধানে গিয়াছে ভরি” . পরের লাইন
- "গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারেদেখে যেনো মনে হয় চিনি উপারে"-কোন কবিতার অংশ?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।"কাজী নজরুল ইসলামের পরিণতিই 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা’ রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য প্রকাশিত হয় কত সনে?
- এক সময়ের ডাকসাইটে জমিদার নারায়ণ চৌধুরী প্রজ্ঞা ও প্রতিভায় ছিলেন সবার শীর্ষে। তাঁর জীবনের অর্জিত সম্পদের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে সন্তানদের মানুষ করেছেন তিনি। ছেলে-মেয়েরা ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশে ভালো অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু বৃদ্ধ বাবার খোঁজখবর নেওয়ার সময় নেই তাদের কারও। বার্ধক্যের এই সংকটাপন্ন অবস্থায় তিনি বৃদ্ধাশ্রমেও যাননি সন্তানদের সম্মানের কথা ভেবে। এখন তাঁর সময় কাটে নিজের বাড়িতে একেবারে একা একা।'সৃষ্টিকর্ম সর্বদা মূল্যবান, সৃষ্টিকর্তা নয়'-উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "ভরা নদী ক্ষুরধারা' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- সোনার তরী' কবিতায় কোন ঋতুর কথা আছে ?
- মানুষের বেঁচে ছিলেন মাত্র একুশ বছর। তাঁর অসাধারণ সৃষ্টিশীলতার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি শুকতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে আছেন।উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার কবিচেতনার আংশিক প্রতিফলন মাত্র- বিশ্লেষণ কর।
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- উদ্দীপকের শেষ চরণের সঙ্গে নিচের কোনচরণটি সমার্থবোধক?
- মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য ছিলেন বাঙালি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব। নিজের ঐকান্তিক চেষ্টায় বিপুল ধনসম্পদের অধিকারী হন। কিন্তু নিজে কৃচ্ছ সাধন করে জনহিতকর কাজে লিপ্ত হন। তিনি শিক্ষা বিস্তারের জন্য টোল, পাঠশালা, গ্রন্থাগার, হোস্টেল, নারীশিক্ষার জন্য বিদ্যানিকেতন, ছাত্রীনিবাস এবং দরিদ্রের জন্য আশ্রম, ধর্মশালা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আজও সকলের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন।উদ্দীপকের মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্যের ব্যক্তি জীবনের মধ্য দিয়ে 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।