সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাটক নয়?
A. ঈর্ষা
B. দুরত্ব
C. নুরুলদীনের সারাজীবন
D. গণনায়ক
সঠিক উত্তরঃ
B.
দুরত্ব
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সিলেটের একটি চা-বাগানের শ্রমিকরা নানাভাবে বঞ্চিতহলেও প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। একদিন ঘূর্ণিঝড়ওঠার আশঙ্কা জেনেও মালিক তাদের কাজ করতে বাধ্যকরে। ঝড়ের সাথে সংগ্রাম করে শ্রমিকরা প্রাণে বেঁচেযায়। এরপর তারা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। ঝড়ের কাছথেকে তারা প্রতিবাদের ভাষা শেখে।উদ্দীপকের ‘ঝড়’ 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যেঘটনার ইঙ্গিত করে, নিচের কোনটি সেই ঘটনারসাথে সম্পর্কিত?
- তুমি তরুণ, তুমি অরুণ, জাতির ভাগ্যাকাশেতোমার' তাজা প্রাণের ছোঁয়ায় বাংলা ভাষা হাসেউনসত্তরের অভ্যুত্থানে তোমারই বুক পাতাতোমারই লাল রক্তে ভিজে এসেছে স্বাধীনতা।উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে দিকটিকে নির্দেশ করে তা তুলে ধরো।
- ‘পাহাড়তলী’ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন-
- কোন কাব্যগ্রন্থ শামসুর রাহমানের লেখা নয়?
- একুশের কৃষ্ণচূড়াকে কবি কোন রঙের সাথে মেলাতে চান?
- কবি শামসুর রহমানের জন্মস্থান কোথায়?
- থরে থরে কৃষ্ণচূড়া কোথায় ফুটেছে?
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' -কোন ধরনের রচনা?
- 'রৌদ্র করােটিতে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া?
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ঘাতকের থাবার সম্মুখেকে বুক পাতে?
- শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- কোন কবির কবিতায় নগরজীবনের চেতনা অধিক স্থান পেয়েছে?
- বায়ান্নর একদিন জেগেছিলো সব। আবার আসেনি কি মহাজাগরণসমহান একাত্তরে?ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কারমানুষের অগ্রযাত্রা বন্ধ করে শক্তি আছে কার।'ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কার' উদ্দীপকের এই উক্তিটিই 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মূলভাব- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- নিম্নের কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা?
- 'কপালে কজিতে লাল সালু বেঁধেএই মাঠে ছুটে এসেছিল কারখানা থেকে লোহার শ্রমিক,লাঙল জোয়াল কাঁধে এসেছিল ঝাঁক বেঁধে উলঙ্গ কৃষকহাতের মুঠোয় মৃত্যু চোখে স্বপ্ন নিয়ে এসেছিল মধ্যবিত্ত,নিম্নবিত্ত, করুণ কেরানি, নারী, বৃদ্ধ, ভরঘুরেআর তোমাদের মতো শিশু পাতা কুড়ানির দল বেঁধে।'"উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার খণ্ডাংশ প্রতিফলিত হয়েছে।"-মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- "অন্তহীন মিছিলের দেশ,সারি সারি মানুষের আকারে হলে মূর্তিময়ীসমস্ত স্বদেশ আজ রাঙা রাজপথে।দিবালোক হয়ে ফোটে প্রাঞ্জল বিপ্লবসাত কোটি মুখ হাসে মৃত্যুর রঙিন তীর হাতে নিয়ে।শ্রেণিবদ্ধ এই ভিড়ে সকলেই সবার আগেএকবার শত্রুকে শেষ দেখা দেখে নিতে চায়।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে দিকটিকে আলোকপাত করে তা তুলে ধর।
- "মাগো ওরা বলেসবার কথা কেড়ে নেবেতোমার কোলে শুয়েগল্প শুনতে দেবে না। ”উদ্দীপক ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মূলভাবেপ্রকাশিত হয়েছে—স্বদেশপ্রেমমাতৃভাষা প্রীতিজীবন প্রীতিনিচের কোনটি সঠিক?
- "দেখি নাই যারে, চিনি নাই যারে/শুনি নাই নাম কভু তিনিই আজিকে দেবতা আমার/তিনিই আমার প্রভু!!"শামসুর রাহমানের মতে বিচিত্র শ্রেণি-পেশার মানুষ তথাকথিত 'প্রভু'র বিরুদ্ধে কেন আন্দোলন করে?
- "ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯" কবিতায় শামসুর রাহমান বর্ণমালাকে কিসের প্রতীক হিসেবে তুলনা করেছে-
- তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিল। আর তপুর হাতে ছিল একটি মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপরে লাল কালিতে লেখা ছিল 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই'। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছাতেই অকস্মাৎ কিছু বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার। (একুশের গল্প- জহির রায়হান) উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটির কোন দিকটি ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।
- 'ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণমালাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
- প্রেরণাদায়ী চরণটি হলো-
- 'কমলবন' শব্দটিকে কবি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কী হিসেবে ব্যবহার করেছেন?
- একটি পতাকার জন্য কত রক্ত চাই।একটি মানচিত্রের জন্য কত অশ্রু চাই।রক্তের বুদ্বুদ ওঠে বিষণ্ণ বাতাসেচির সবুজের দেশে আপ্লুত আমুদে।জলপাই রঙের ট্যাংক বেড়ায় দাপিয়ে,শহরে কী বন্দরে সময়-অসময়।গর্জে উঠেছে সন্তান ভয়হীন সপ্রাণ,বাহুতে কলিজা বেঁধে করেছে সংগ্রাম।"উদ্দীপকের কবি ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কবি একই মন্ত্রে দীক্ষিত।" মন্তব্যটির সত্যতা বিচার করো।
- শামসুর রাহমান রচিত 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় 'মানবিক বাগান' বলতে কী বুঝিয়েছেন?
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সাবিহা কালো পাড়েরসাদা শাড়িতে লাল রঙের সবগুলো বাংলা বর্ণমালাএঁকেছে। সাবিহার শাড়িতে আঁকা লাল বর্ণমালাযেন ভাষাশহিদদেরই কথা বলছে।উদ্দীপকের সাবিহার সাজ 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯'কবিতায় বর্ণিত কোন ব্যক্তির কথা স্মরণকরিয়ে দেয়?
- 'ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯' কবিতার বৈশিষ্ট্য কোনটি?
- শহরের পথে থরে থরে কী ফুটেছে?
- ক-অংশযুবকের বুকে নিয়ে বুলেটের অংশপড়িল মাটির 'পরেফোঁটায় ফোঁটায় লহুধারারাজপথে বিছাইল রক্ত জবা ফুল।শেষ নিশ্বাসের আগে তারাগেয়ে গেল রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই।খ-অংশতোমাদের রক্তঝণ, অম্লান আহুতিবেঁকে যাওয়া আমাদের মেরুদণ্ড টান টান সোজা করে উদ্যত দাঁড়াতে।দরকারি ক্রোধ, প্রেম প্রকাশ, শক্তি দেয়।বায়ান্নর শহিদরাই উনসত্তরের অভ্যুত্থানের চেতনাকে জাগিয়ে তুলেছিল' উদ্দীপকের 'খ' অংশ ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণমালাকে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা সালামের হাতে কীসেরমতো বর্ণমালা ঝরে?
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় শহরের পথে কী ফুটেছিলো?
- শহরের পথে থরে থরে কোন ফুল ফুটেছে?
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখআছে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- "ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতায় বর্ণমালাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
- 'বাস্তবের বিশাল চত্বরে / হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায়'- কী হয়?
- ফ্রেব্রুয়ারি ১৯৬৯ ' কবিতায় কতজন ভাষাশহীদের নাম উল্লেখ আছে?
- খোকারা সব জেগে ওঠে আঁতকে ওঠে মা লড়াই লড়াই লড়াই শুরু-শহর পাড়া গাঁ বীরের মত রুখে দাঁড়ায় বিজলি হয়ে ছোটে মারের চোটে বর্গিরা সব ধুলো কাদায় লোটে উদ্দীপকের বর্গিরা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোনটির সাথে সংগতিপূর্ণ?